1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব

৮ জুলাই পাস হচ্ছে সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী বিল

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৬ জুলাই, ২০১৮
Check for details

জার্মানবাংলা২৪ ডটকম: আগামী ৮ জুলাই জাতীয় সংসদে পাস হচ্ছে সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী বিল। বৃহস্পতিবার ৫ (জুলাই) আওয়ামী লীগের সংসদীয় সভায় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা এ তথ্য জানান। সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে এই সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংশোধনীর ভোটিং প্রক্রিয়া সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা করেন বলে জানা গেছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের বিধি আরও ২৫ বছর বাড়িয়ে গত ৮ এপ্রিল ‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮’ সংসদে উত্থাপন করা হয়। পরে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে বিলটি পাসের সুপারিশ করে রিপোর্ট উত্থাপন করা হয় ৬ জুন।

বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যমান নারী আসনের মেয়াদ শেষ হবে। ফলে সপ্তদশ সংবিধান সংশোধনী বিল পাস হলে পরবর্তী সংসদ থেকে তার মেয়াদ ২৫ বছর হবে।

সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় সংশোধনীর প্রস্তাব করে বিলে বলা হয়েছে, ‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে শুরু করে ২৫ বৎসরকাল অতিবাহিত হওয়ার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভেঙে না যাওয়া পর্যন্ত ৫০টি আসন কেবল নারী সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে এবং তারা আইন অনুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন।’

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সংরক্ষিত নারী আসনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকার কারণে সমাজের সকল ক্ষেত্রে নারীদের অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫ এর দফা (৩) এর বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী বর্তমানে সংরক্ষিত নারী আসনের ১০ (দশ) বছর মেয়াদ ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ শেষ হবে। সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে মেয়াদ বৃদ্ধি করা না হলে ওই সময় অতিবাহিত হওয়ার পর জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য কোনো আসন সংরক্ষিত থাকবে না। সংরক্ষিত আসনের প্রয়োজনীয়তা এখনো বিদ্যমান রয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যদের নিয়ে গঠন করতে হলে দশম সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় সংবিধানে এ সংক্রান্ত বিধান সংশোধন করা আবশ্যক।’

বৈঠকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে খবরদারি না করার নির্দেশ দিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় উপস্থিত সংসদ সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে বলে জানান সংসদ নেতা। সেই অনুযায়ী দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেন তিনি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী দলের সংরক্ষিত আসনের নারীদের এলাকায় গিয়ে খবরদারি না করার নির্দেশনা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচিত এমপি ও মনোনয়ন প্রত্যাশীদেরও পরস্পরের মধ্যে বিষোদগার না করার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক নারী সংসদ সদস্য তার নিজের এলাকা বা তার জন্য নির্ধরিত নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে খবরদারি করেন। এ তথ্য আমার কাছে এসেছে। এ ধরনের খবর আমি আর শুনতে চাই না। কেউ এলাকায় গিয়ে খবরদারি করবেন না।

তিনি বলেন, অনেক এলাকায় সংসদ সদস্য ও যারা নতুন করে মনোনয়ন চাচ্ছেন তারাও একে অপরের বিরুদ্ধে কথা বলেন। এই ধরনের ঘটনা দ্বিতীয়বার শুনতে চাই না। যিনি এমপি তারও এলাকায় গিয়ে কথা বলার অধিকার রয়েছে। যিনি মনোনয়ন চান তারও সেই অধিকার আছে। পরস্পরের মধ্যে দোষারোপ না করে সবাইকে জনগণের দুয়ারে যেতে হবে।

সরকার প্রধান বলেন, সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে ভোট চাইতে হবে। তৃণমুলের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, যারা এখন সংসদ সদস্য আছেন তারাই যে মনোনয়ন পাবেন বিষয়টি তা নয়। অনেকে বাদ পড়বেন। নতুন অনেকে মনোনয়ন পাবেন। আমরা জনপ্রিয়তা দেখে নমিনেশন দেবো। তবে যাকে নমিনেশন দেবো তার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে। এতে সকল রাজনৈতিক দল অংশ নেবে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে সেইভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details