1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
ঝিনাইদহ ৬ উপজেলায় যেভাবে সরকারী বরাদ্দের বন্টন চলছে রৌমারীতে ফুলবাড়ি দরিদ্র-কল্যাণ ছাত্র ও যুব সংঘের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ মালয়েশিয়ায় খাদ্য সংকটে থাকা বাংলাদেশীদের জরুরী চাহিদা ফর্ম পূরণ করতে দূতাবাসের আহ্ববান করোনা : বারবাজারে নুনগোলা মসজিদ যুবকদের উদ্যোগে জীবাণুনাশক স্প্রে করোনায় জনসচেতনতা নেই জীবননগর উপজেলায়! গাজীপুরে লকডাউন অমান্য করে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দরিদ্র কর্মহীন ৩’শ পরিবারের মাঝে নৌবাহিনীর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পৃথক পৃথক জায়গায় করোনার উপসর্গ নিয়ে আরো ৯ জনের মৃত্যু করোনার ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম: তিন সাংবাদিক লাঞ্ছিত ঈশ্বরগঞ্জে খেলা নিয়ে সংঘর্ষ : আহত ৫




৩০ বছর ধরে ফুল চাষে উল্লাপাড়ার ইদ্রিস আলী

এইচ এম আলমগীর কবির,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে
Check for details

কত ফুল তুমি পথে ফেলে দাও, মালা গাথো অকারনে, আমি চেয়েছিনু একটি কুসুম সেই কথা পরে মনে। যত ফুল তত ভুল জাগে মাটির পৃথিবী তাই এত ভাল লাগে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার ছন্দে অনেকটাই মিলে যায় ফুল প্রেমী ইদ্রিস আলীর।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বড়হর ইউনিয়নের চরগুয়াগাতী একটি গ্রাম। সেই গ্রামের মাঠের পর মাঠ কাঁচা পাকা রাস্তার ঢালে চাষ করা হচ্ছে বিভিন্ন জাতের ফুল। শুধু রাস্তার ঢালে নয়, বিঘা বিঘা জমিতেও হচ্ছে ফুল চাষ। পাশাপাশি ৩০ বছর যাবত ফুল চাষে জড়িয়ে আছে ওই গ্রামের ফুল চাষী ইদ্রিস আলী। ফলের মতই যেন সুন্দর তার মন।

কথা হয় ফুল চাষী ইদ্রিস আলীর সাথে তিনি বলেন, প্রায় ৩০/৩২ বছর ধরে ফুল চাষ করছেন। এ বছর আড়াই বিঘা জমিতে ফুল চাষ করেছেন তিনি। এতে খরচ হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। এই পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ টাকার ফুল বিক্রি করেছেন। এখনও জমিতে যে পরিমাণ ফুল রয়েছে তাতে কমপক্ষে আরো ১ লাখ টাকা বিক্রি করা যাবে।

ইদ্রিস আলী আরো বলেন, কাঠ মালতি, গ্যালো রিয়াস, ডালিয়া, জিপসি, আলমেন্দা, গাঁধা, সূর্যমুখী, কসমস, বেলী, স্টেক, রজনীগন্ধা ও গোলাপসহ প্রায় ১৫ রকমের বিভিন্ন জাতের ফুল আমরা চাষ করে থাকি। শুধু জমিতেই নয়, এলাকার কাচা-পাকা রাস্তার ঢালেও এই ফুলের চাষ করা হচ্ছে।

জানা যায়, রবি শস্য চাষ করে যে পরিমাণ ফসল পাওয়া যায় তার চেয়ে দশগুণ বেশি লাভ হচ্ছে ফুল চাষ করে। স্বল্প সময়ে ফুল উৎপাদন করা যায় এবং খরচ অনেক কম হয়। অধিক লাভ হওয়ায় অনেকেই তাই পেশা পরিবর্তন করে ফুল চাষে ঝুঁকেছেন। এখানকার উৎপাদিত ফুল রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। বগুড়ার মহাস্থানগড় থেকে ফুলের বীজ আমদানী করে ওই এলাকায় প্রায় ৩০-৩২ বিঘা জমিতে ফুল চাষ করেছে স্থানীয় ২৫-৩০ জন কৃষক।

অপর দিকে ফুল বাগানের সৌন্দর্য দর্শন করতে আসে অনেক দর্শনার্থীরা। প্রতিদিন বিকেল হলেই শতশত লোকের সমাগম ঘটে ফুলের মাঠে। প্রতি বছরই মাতৃভাষা দিবস, বিশ্ব ভালবাসা দিবস, ঈদ, পুজা, বাংলা ও ইংরেজি নববর্ষ পালনসহ বিশেষ বিশেষ দিনগুলোতে ফুলের চাহিদা দ্বিগুণ হারে বেড়ে যায়। এ সময় দাম ও থাকে বেশ।

উল্লাপাড়া উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন কৃষি কর্মকর্তা আজমল হক জানান, উপজেলার বড়হর চরগুয়াগাতী গ্রামে অনেক বছর ধরেই ফুল চাষ শুরু হয়েছে। এ বছর ফুল চাষ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে, কৃষকরা অনেক লাভবান হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, কৃষক পরিবারের পাশাপাশি স্থানীয় অনেক মহিলাদের কর্মসংস্থান হয়েছে। কৃষি অফিসের একটি টিম নিয়মিত মাঠে কাজ করছে। এবং কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শও দেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details