1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : germanbangla24.com : germanbangla24.com
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”শিরীন আলম” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “ফারহা নাজিয়া সামি” বাংলাদেশে হরতাল প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেনঃ উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয় হবে। জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “মিনহাজ দীপন“ সাকিব আল হাসানের বক্তব্যে কঠোর বিসিবি জার্মানবাংলা’র “প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি “কাইয়ুম চৌধুরী”

সড়কে একচেটিয়া বিটুমিন নয়, প্রয়োজনে কংক্রিট

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৮
Check for details

দেশের সড়কে সাধারণত ঠিকাদারেরা কম দামের ৮০-১০০ গ্রেডের বিটুমিন ব্যবহার করে থাকেন। এতে সড়কগুলো টেকসই হয় না। বৃষ্টি হলেই উঠে যেতে থাকে আস্তর। তৈরি হয় খানা-খন্দ। তাই সড়কে আর একচেটিয়াভাবে বিটুমিন ব্যবহার করা হবে না। দেশের হাওর, উপকূলীয়, অতিবৃষ্টিপ্রবণ এলাকা এবং মহাসড়কের বাজার অংশে কংক্রিটের সড়ক নির্মাণ করা হবে।

হাল্কা বৃষ্টির পানিতেই সড়কের উপরিভাগের বিটুমিন উঠে লাল ইটের বড় বড় টুকরো বেরিয়ে আসে। এতে কোথাও কোথাও যানবাহন চলাচলই অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে বছর বছর সড়কের মেরামতব্যয় বেড়েই চলে। এই দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতেই সারাদেশে প্রয়োজন অনুযায়ী নির্মিত হবে কংক্রিটের মসৃণ সড়ক। সড়কের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল বাড়াতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

‘দশম জাতীয় সংসদের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে সারাদেশে কংক্রিটের প্রয়োজনীয় সড়ক নির্মাণের আগে দেশের সড়ক পর্যবেক্ষণের উপর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুই জন করে সদস্য থাকবেন।

এছাড়াও সব মিলিয়ে মোট ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।

রোববার শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে এই কমিটি গঠিত হয়। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম, ফজলে হোসেন বাদশা, রমেশ চন্দ্র সেন।

এছাড়াও এলজিইডি’র সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব মফিজুল ইসলাম, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব জিয়াউল ইসলাম, এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান উপস্থিত ছিলেন।

১৫ দিনের মধ্যেই সারাদেশের সড়কের বাস্তব অবস্থা জমা দিতে বলা হয়েছে। কয়েকটি ভাগে ভাগ হয়ে কমিটির সদস্যরা সারাদেশে সড়কের অবস্থা পরিদর্শন করবেন। প্রয়োজন অনুয়ায়ী কমিটির কিছু সদস্য মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের সড়ক পরিদর্শন করতে যাবেন। ঐসব দেশের সড়ক কীভাবে দীর্ঘদিন স্থায়ী হয় বাংলাদেশের সড়ক এক বছর না যেতেই কেনইবা বেহাল হযে যায়, সেই বিষয়ে পরিদর্শন করবেন তদন্ত কমিটি। এরপরেই সারাদেশে প্রয়োজন অনুযায়ী কংক্রিট ও বিটুমিন সড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সূত্র জানায়, সভায় কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, সড়কের বেহাল দশার কারণে আমরা এলাকায় মুখ দেখাতে পারি না। এলাকায় গেলে মানুষ ঘিরে ধরে প্রশ্ন করে এক বছরেই কিভাবে সড়ক নষ্ট হয়। এতে এলাকার মানুষ আমাদের সন্দেহ করে। অনেকে নানা ধরনের প্রশ্ন করে। যাদের টাকায় আমরা বেতন পাই তাদের কাছে কোনো জবাব দিতে পারি না। মালয়েশিয়া ভালো করেছে আমরা কেন করতে পারবো না। বিটুমিনের শত্রু বৃষ্টি। এটাকে পরিহার করতে হবে, কংক্রিটের সড়ক নির্মাণ করতে হবে।

এসময় প্রকৌশলীরা বলেন, কংক্রিটের সড়ক ব্যয়বহৃল। এটা করা কঠিন হবে।’
এরপরে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভালো জিনিস পেতে হলে খরচ একটু বেশি হবেই। তারপরও আমাদের কংক্রিটে যেতে হবে।’

সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বলেন, একটা রাস্তা হওয়ার এক বছর পরেই নষ্ট হয়ে যায়। অথচ একটা রাস্তা নির্মাণের পরে পাঁচ বছর স্থায়ী থাকার কথা। গ্রামে গেলে নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা আমাদের প্রশ্ন করে এক বছরেই কেন রাস্তা নষ্ট হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, সড়ক বেহাল হওয়ার মূলে বিটুমিন। ইরান থেকে বিটুমিন আমদানি হয়। দেশে আসার পর এই বিটুমিন খারাপ হয়, কাস্টম কেনই এসব দেখে না! দেশে কিছু কিছু কোম্পানি নিম্নমানের বিটুমিন তৈরি করে। এসব কোম্পানিকে চিহ্নিত করে বন্ধ করে দেয়া উচিত। বড় কথা, বৃষ্টির প্রধান শত্রু বিটুমিন তাই কংক্রিটের সড়ক নির্মাণ করতে হবে। সব সমস্যার মূলেই এই বিটুমিন।

সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিক বলেন, দেশের সব জায়গার আবহাওয়া ও ভৌগলিক অবস্থা এক নয়। ফলে সারাদেশে আর বিটুমিনের সড়ক নির্মাণ করা হবে না। যেখানে যেটা প্রয়োজন তাই করা হবে। হাওর, উপকূল ও বৃষ্টি প্রবণ এলাকায় কংক্রিটের সড়ক নির্মাণ করা হবে। আমাদের কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলেই ব্যবস্থা।

বিষয়টি নিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, রাস্তা নির্মাণের পর বছর না ঘুরতেই নষ্ট হয়ে যায়। কিভাবে রাস্তা নষ্ট হয় কেনইবা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। এই বিষয়ে তদন্ত করতে কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে সড়ক নির্মাণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সারাদেশে বিটুমিন ও কংক্রিট ব্যবহার করা হবে। সড়ক দ্রুত সময়ে ভেঙ্গে যাওয়ার কারণ আমরা খুঁজে বের করবো। বাজারগুলোতে কংক্রিটের সড়ক হবে। সড়কের পাশে নতুন করে পুকুর খনন করতে দেয়া হবে না। সড়কের পাশের পুকুর থাকলে সরকারী খরচে দেয়াল নির্মাণ করা হবে যাতে সড়ক ভেঙ্গে না যায়। আমাদের কংক্রিটে যেতে হবে। পানিতে বিটুমিন ধুয়ে যায়। বিটুমিনের সড়কে পানি জমলে সেই সড়ক টেকানো যায় না।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details