1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
সখীপুর এস.পি.ইউ.এফ’র ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন লেবাননে প্রবাসী অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিল বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : অ্যাটর্নি জেনারেল করোনা : ভারতে শনাক্ত ২ কোটি ছাড়াল করোনা : বিধিনিষেধ আবারও বাড়ল, চলবে না দূরপাল্লার বাস অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফয়সাল ও সম্পাদক ফারুক মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

সেমিনারে বক্তারা: জার্মানি-বাংলাদেশ উভয়ই শরণার্থী সংকটে

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৮
Check for details

জার্মানবাংলা বিশেষ রিপোর্ট: বর্তমানে অভিবাসন সংকটে ইউরোপের দেশ জার্মানি। অন্যদিকে এশিয়ার দেশ বাংলাদেশ একই ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করছে বলে মনে করেন ডয়চে ভেলের প্রধান সম্পাদক ইনেস পোল৷ সম্প্রতি ঢাকায় অভিবাসন সংকট নিয়ে ‘মাইগ্রেশন- চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অ্যাপ্রোচেস ইন দ্য ইস্ট অ্যান্ড দ্য ওয়েস্ট’ শীর্ষক এক সেমিনারে এই ধরনের তথ্য তুলে ধরনে তিনি।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী এবং ডয়চে ভেলের এশিয়া বিভাগের প্রধান দেবারতি গুহ৷

ইনেস পোল বলেন, ‘‘প্রধানত সিরিয়া থেকে প্রায় ১০ লাখ শরণার্থী জার্মানিতে আশ্রয় নিয়েছেন৷ শুরুর দিকে সব ঠিক থাকলেও পরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়৷ এর পেছনে প্রধানত দুটি কারণ রয়েছে৷ প্রথমত, একটি সমাজে অন্য সংস্কৃতির এত মানুষকে একীভূত করা খুব কঠিন একটা কাজ৷ দ্বিতীয়ত, অনেকের মনে উগ্রপন্থা ছড়িয়ে পড়ার ভয়ও ঢুকে গেছে৷”

পোল মনে করেন, বাংলাদেশেও শুরুতে রোহিঙ্গাদের স্বাগত জানালেও, এখন সামাজিক-রাজনৈতিক নানা কারণে বিরুদ্ধ মনোভাব তৈরি হয়েছে৷

ইনেস পোলের সাথে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে আসা ডয়চে ভেলের এশিয়া বিভাগের প্রধান দেবারতি গুহ এ বিষয়ে বেশ কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরেন৷ তিনি বলেন, ‘‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খাবার হিসেবে চাল, ডাল ও তেল দেয়া হয়৷ কিন্তু কোনো ধরনের মাছ বা মাংস তাঁরা পায় না৷ ফলে কিছু চাল-ডাল স্থানীয় বাজারে অল্প দামে বিক্রি করে তাঁরা সে টাকা দিয়ে মাছ-মাংস কেনে৷ ফলে সেই অঞ্চলে এক ধরনের সমান্তরাল অর্থনীতির সৃষ্টি হয়েছে৷”

পাশাপাশি, ক্যাম্প অঞ্চলে স্থানীয় বাংলাদেশিদের তুলনায় রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় স্থানীয়রাই সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছেন বলে মনে হয়েছে তাঁর৷ এর ফলে স্থানীয়রা এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও মনে করেন দেবারতি৷

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শরণার্থী’ স্ট্যাটাস না দেয়ায় অনেক সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন পোল৷ তিনি বলেন, ‘‘এখানে সবাই মনে করছে রোহিঙ্গারা খুব স্বল্প সময়ের জন্যই বাংলাদেশে থাকবে৷” এমন দৃষ্টিভঙ্গি রোহিঙ্গাদের জন্য ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করেন তিনি৷

তবে তৌফিক ইমরোজ খালিদী এমন অবস্থা সৃষ্টির জন্য দায়ী করেন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে৷ একদিকে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগে ব্যর্থতা, অন্যদিকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির দেউলিয়াত্বের কথাও তুলে ধরেন তিনি৷

তিনি বলেন, ‘‘রোহিঙ্গাদের ফেরাতে বাংলাদেশের সাথে জানুয়ারি মাসে চুক্তি হলেও এখনো কোনো প্রক্রিয়াই শুরু হয়নি৷ বাংলাদেশ আট হাজার শরণার্থীর তালিকাও দিয়েছে মিয়ানমারকে৷ কিন্তু মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার পরিস্থিতিই এখনো সৃষ্টি হয়নি৷ মিয়ানমার সত্যিকার অর্থে চালায় ইউনিফর্মধারীরা (সেনাবাহিনী)৷ এবং তাঁদের আইনের শাসন সম্পর্কে ন্যূনতম শ্রদ্ধা নেই৷”

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details