1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
সখীপুর এস.পি.ইউ.এফ’র ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন লেবাননে প্রবাসী অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিল বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : অ্যাটর্নি জেনারেল করোনা : ভারতে শনাক্ত ২ কোটি ছাড়াল করোনা : বিধিনিষেধ আবারও বাড়ল, চলবে না দূরপাল্লার বাস অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফয়সাল ও সম্পাদক ফারুক মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

সেনানিবাস এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি, মাতলামি ও মল-মূত্র ত্যাগের শাস্তি ২০০০০ টাকা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১৮
Check for details

জার্মানবাংলা২৪ ডটকম: সেনানিবাস এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি, মাতলামি কিংবা মল-মূত্র ত্যাগের শাস্তি এতদিন এক টাকা জরিমানা হলেও এখন থেকে কেউ এই ধরনের কাজ করলে গুণতে হবে ২০ হাজার টাকা জরিমানা।

প্রায় একশ বছর আগের ‘ক্যান্টমেন্টস অ্যাক্ট-১৯২৪’ নতুন করে প্রণয়ন করতে ‘সেনানিবাস বিল-২০১৭’ বুধবার সংসদে পাস হয়েছে, যাতে শাস্তির এই মাত্রা দাঁড়িয়েছে।

সংসদে বিলটি ‘সেনানিবাস বিল’ নামে উত্থাপন করা হলেও সংসদীয় কমিটির সুপারিশে নাম পরিবর্তন করে ‘ক্যান্টনমেন্ট বিল’ নামে এটি পাস হয়।

নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির যুক্তি ছিল, ‘ক্যান্টনমেন্ট’ শব্দটি থাকলে তিন বাহিনীকেই বোঝাবে; ‘সেনানিবাস’ নামটি দিয়ে শুধু সেনাবাহিনীকে বোঝায়।

সংসদ কাজে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দয়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বুধবার বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন। এটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

পাসের আগে বিলের উপর বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্যদের জনমত যাচাই, বাছাই ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলোও কণ্ঠভোটে নিষ্পত্তি করা হয়।

নতুন আইনে বাংলাদেশের যে কোনো সেনানিবাস এলাকায় রাস্তাঘাটে মলমূত্র ত্যাগ, জুয়াখেলা, মাতলামি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, খোলা অবস্থায় মাংস বহন, এলোমেলোভাবে গাড়ি পার্কিং, অনাবৃত রেখে বিকলাঙ্গতা ও ব্যাধি প্রদর্শন, ভিক্ষাবৃত্তির শাস্তি ২০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান করা হয়েছে।

১৯২৪ সালের ‘ক্যান্টনমেন্টস অ্যাক্ট’ এর ২৯২টি ধারা থেকে কিছু অংশ বাদ দিয়ে এবং নতুন কিছু সংযোজন করে মোট ২১৮টি ধারা রাখা হয়েছে নতুন আইনে।

>> সেনানিবাস এলাকায় অবৈধ নির্মাণের জন্য ৫০০ টাকা জরিমানার বিধান ছিল; এখন তা সর্বনিম্ন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

>> সড়কের সরকারি ভূমি খনন করলে জরিমানা ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে দুই হাজার এবং সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

>> বেসরকারি বাজার বা কসাইখানা স্থাপনের শাস্তি ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। আর লাইসেন্স ছাড়া বাজার বা কসাইখানা খুললে জরিমানা ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে তিন হাজার এবং সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

>> ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করলে তিন থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করার কথা বলা হয়েছে। আগে এই অপরাধের শাস্তি ছিল ২০০ টাকা।

>> তথ্য দিতে অবহেলা করলে আগে ১০০ টাকা জরিমানার বিধান থাকলেও নতুন আইনে তা সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

>> ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় ট্রাফিক নিয়ম অমান্য করলে জরিমানা ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে দুই হাজার এবং সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।

>> আতশবাজি ফোটালে বা গুলি ছুড়লে আগে ৫০ টাকা শাস্তি ছিল। নতুন আইনে এই শাস্তি কমপক্ষে ৩ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।

>> বসত বাড়ি জরাজীর্ণ থাকলে জরিমানার পরিমাণ ৫০ টাকা বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ৩ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।

>> পশুকে আবর্জনা খাওয়ালে জরিমানার পরিমাণ ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।

>> অবৈধভাবে পানি ব্যবহার করলে আগে ৫০ টাকা জরিমানা হত, নতুন আইনে কমপক্ষে ৩ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।

>> ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সরকারি কাজে বাধা দিলে জরিমানা ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে ৩ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

>> সেনানিবাস এলাকায় নিবন্ধনের বাইরে কুকুর পুষলে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, “ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে ইংরেজিতে প্রণীত আইনগুলো বাংলায় ভাষান্তরে মন্ত্রিসভার নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং ক্যান্টনমেন্ট অ্যাক্ট-১৯২৪ হালানাগাদ করতে আইনটি করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details