1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman




সিরাজগঞ্জে ১ বছরে সড়কে ঝরল ১১০ প্রাণ

এইচ এম আলমগীর কবির,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে
Check for details

২০১৯ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় সিরাজগঞ্জ জেলায় ১১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন প্রায় দুই শতাধিক। জেলার সড়ক মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে ২০১৯ সালে ৬২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পরিমাণ বেড়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষ। ২০১৮ সালে আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিল ৮৫ জন। আর ২০১৯ সালে প্রাণহানির পরিমাণ ২৫ জন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১০ জনে।

জানা যায়, জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম পাড় হতে হাটিকুমরুল, হাটিকুমরুল হতে বগুড়া, বগুড়া হতে নগরবাড়ি ও নাটোর হতে বনপাড়া এ চারটি মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ১২৬ কিলোমিটার। এসব মহাসড়কে গত বছর ৪৬টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৮১ জন। এছাড়াও রায়গঞ্জ, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ সদর, কামারখন্দ, বেলকুচি উপজেলার আঞ্চলিক সড়কগুলোতে বাস, ট্রাক, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল মিলে ২৬টি দুর্ঘটনায় মারা যায় আরও ২৯ জন। তবে স্বজনরা মামলা এড়াতে লাশ নিয়ে যাবার কারণে কিছু দুর্ঘটনার তথ্য থানায় রেকর্ডভুক্ত হয়নি। যে কারণে উল্লেখিত হিসাবের চেয়ে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হলেও তা জানাতে পারেনি সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষ।

এ বিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার (ওসি) মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, গত বছর হাটিকুমরুল-বগুড়া, বগুড়া-নগরবাড়ি, নাটোর-বনপাড়া ও হাটিকুমরুল-ঢাকা মহাসড়কের নলকা পর্যন্ত এ চারটি মহাসড়কে ২৯টি দুর্ঘটনায় ৪৬ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হয়েছে। আর মামলা হয়েছে ২৯টি। এর বাইরে আরও কিছু দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে স্বজনরা মামলা এড়াতে লাশ নিয়ে যাবার কারণে কিছু তথ্য থানায় রেকর্ডভুক্ত হয়নি।

তিনি আরও বলেন, মহাসড়কে যত্রতত্র ওভারটেক, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় বা হেলপারকে দিয়ে ড্রাইভিং করানোর কারণেই দুর্ঘটনা বাড়ছে। এছাড়াও বেহাল রাস্তাঘাট ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শ্যালো ইঞ্জিন চালিত যানবাহন মহাসড়কে চলাচল করাও দুর্ঘটনার কারণ।

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ শহিদ আলম জানান, গত বছর বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম ও হাটিকুমরুল সংযোগ সড়কের নলকা পর্যন্ত মহাসড়কে ১৬টি দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়।

দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে অপরিকল্পিত সড়ক ও মহাসড়ক নির্মাণকে দায়ী করে সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাজী আনছার আলী জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কে অহরহ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সড়কে বেশ কিছু বাক রয়েছে, যার একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত দেখা যায় না। যা দুর্ঘটনার একটি বড় কারণ।

তিনি আরও বলেন, চালকরাও ওভার স্পিডে গাড়ি চালায়। আবার কখনো কখনো ঘুমের ঘোরে তারা গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। আঞ্চলিক সড়কগুলোতে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণেই ঘটে দুর্ঘটনা।

এ দিকে, সড়ক-মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন হলেও সেটি নিয়ে মন্ত্রণালয় এবং মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনা-পর্যালোচনা এখনও অব্যাহত রয়েছে। যে কারণে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগ সবক্ষেত্রে এখনও নতুন আইনের প্রয়োগ এবং প্রযুক্তির ব্যবহার করতে পারছেন না।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সৈয়দ মিলাদুল হুদা জানান, মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। নতুন সড়ক আইনের কিছু নতুন ধারা যুক্ত হয়েছে। কিন্তু সেগুলো প্রয়োগে এখনও চূড়ান্ত নির্দেশনা আসেনি। নতুন আইনের চূড়ান্ত নির্দেশনা আসলেই সেটি প্রয়োগের মাধ্যমে সড়ক-মহাসড়কগুলো নিরাপদ রাখার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানান।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details