1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব সখীপুরে ‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন নাইজেরিয়ায় ইসলামিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২০০ শিশুকে অপহরণ ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সাতক্ষীরার উপকুলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি লেবানন আ’লীগের সম্মেলন: সভাপতি বাবুল মিয়া, সম্পাদক তপন ভৌমিক সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা ও মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় জামালপুর প্রেসক্লাবের প্রতিবাদ সখীপুর এস.পি.ইউ.এফ’র ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন লেবাননে প্রবাসী অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিল বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : অ্যাটর্নি জেনারেল করোনা : ভারতে শনাক্ত ২ কোটি ছাড়াল

সিটি নির্বাচন নিয়ে বিএনপিতে চলছে বিভক্তি

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১ জুলাই, ২০১৮
Check for details

জার্মানবাংলা২৪ ডটকম: রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে। দলের নীতি নির্ধারনী ফোরামের সদস্যরা আসন্ন এই তিন সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে এক মত পোষণ করলেও তার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকরা।

বিএনপির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। শনিবার (৩০ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে তারা এ দ্বিমত প্রকাশ করেন। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের নিয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ইতিমধ্যে তিন সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তাদের এই সিদ্ধান্ত ঠিক নয় বলে মনে করেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকরা।

তিন সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমমগীর বলেন, আমরা প্রথম থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে অংশ নিচ্ছি। এখনও যে সিদ্ধান্ত, আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাবো। আমরা নির্বাচনে যাওয়াতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মুখোশ খুলে গেছে। আর দেশের মানুষও জানছে, এই সরকার ও ইসির অধিনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। সুতরাং এর ফলে আন্দোলন ও শক্তি আরো জোরদার হবে। সেই সঙ্গে বহিবিশ্বেরও সমর্থন আমরা পাবো।

তিনি বলেন, আসন্ন তিন সিটি নির্বাচনে আমরা যাবো। কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, সেটা নির্ভর করবে সরকারও ইসির আচারণের উপরে। কিন্তু এগুলো যদি তারা প্রতিনিয়ত করতে থাকে তাহলে সেই নির্বাচনে বিএনপি যাবে কী না এবং থাকবে কী না- সে বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আমরা বারবার প্রমাণ করতে চাই, দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হবে না। তাই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জন্য রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে শেষ পরীক্ষা। এই তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনও যদি খুলনা ও গাজীপুর স্টাইলে হয় তাহলে আমরা প্রমাণ করতে পারলাম দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় না।

এবিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য বলেন, দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না, এটা নতুন করে প্রমাণের কিছু নেই। কারণ জনগণ ইতিমধ্যে এটা উপলব্ধি করেছে। তাই আমি মনে করি, তিন সিটি নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ করা ঠিক হবে না। কারণ এর ফলে বিএনপির নেতাকর্মীরা আরো বেশী গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হবে। অনেক ঘর ও বাড়ি ছাড়া হবে।

এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বৈঠক প্রসঙ্গে জানানো হয়, বৈঠকে মিথ্যা, বানোয়াট ও সাজানো মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবিলম্বে নি:শর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার জোর দাবি জানানো হয়। এছাড়া গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ব্যাপক ভোট সন্ত্রাস, ভোট জালিয়াতি, ভোট কেন্দ্র দখল, কেন্দ্র থেকে জোরপূর্বক ধানের শীষের এজেন্টদেরকে বহিষ্কার এবং বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের গণগ্রেপ্তারের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও ভীতিমুক্ত পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

সারাদেশে দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে দলীয় কর্মকান্ড জোরদারে উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বৈঠকে। প্রায় ৫ ঘন্টাব্যাপী এই বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়।

আগামী ৩০ জুলাই রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ২৮ জুন। প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা যাবে ৯ জুলাই পর্যন্ত।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details