1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানিতে বিএনপি’র কর্মীসভা ‘বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার’ : এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা

শিক্ষক ১৪ ছাত্রী ২০, তারপরেও সবাই ফেল

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৯ মে, ২০১৮
?????? ?????? ????? ????? ????????
Check for details

জার্মান-বাংলা ডেস্ক: মাদ্রাসা শিক্ষার কি করুণ অবস্থা। ছাত্রী-শিক্ষক প্রায় সমান হলেও পড়াশোনা একেবারে গোল্লায়। মাদ্রাসাটি হচ্ছে মাগুরা শহরের রিজিয়া রুবিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা। ওই মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষায় ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ছাত্রী ২০ জন। আর শিক্ষক আছেন ১৪ জন। তারপরেও এই ২০ ছাত্রীর মধ্যে এবার দাখিল পরীক্ষায় সবাই ফেল করেছে। এতে এলাকায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার মানববন্ধন করে শিক্ষকদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

মানববন্ধন চলাকালে আজাদুর রহমান নামে এক অভিভাবক বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষকরা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না। আসলেও ক্লাস না নিয়ে হাজিরা খাতায় সই করে চলে যান।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, এমপিওভুক্ত এ প্রতিষ্ঠানটির ১৪ জন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারী বেতন-ভাতা ভোগ করলেও ছাত্রীদের লেখাপড়া না শিখিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকেন। অনেকে মাদ্রাসায় না এসে কোচিং বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। মাদ্রাসাটিতে দীর্ঘদিন ধরে অধ্যক্ষের পদ শূন্য থাকলেও নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হয় না বলেও অভিযোগ করেন অভিভাবকরা। মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপাররিনটেনড্যান্ট তহমিনা পারভিন বলেন, এটি একটি অ্যাক্সিডেন্ট মাত্র। আগামীতে ভাল করার চেষ্টা করব।

জেলা প্রশাসক আতিকুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details