1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব সখীপুরে ‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

রামুর মিথাছড়িতে পাহাড় ধসে চার শিশুসহ নিহত ৫

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৫ জুলাই, ২০১৮
Check for details

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার শহরে পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় চার শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোর ৫টার দিকে কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার এবিসি ঘোনা এলাকা ও রামু উপজেলার পানেরছড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছেন।

এদিকে কক্সবাজারের রামুর মিথাছড়িতেও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পাহাড় ধসের ঘটনায় স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়া বাঁচামিয়ার ঘোনা এলাকায় পাহাড় ধসে একই পরিবারের চার শিশু নিহত হয়েছে।

এবিসি ঘোনা রুমালিয়ারছরা বাঁচামিয়াঘোনা এলাকার নিহত চার ভাই-বোন হলো- জামাল হোসেনের মেয়ে মর্জিয়া আকতার (১৪), কাফিয়া আকতার (১০), আবদুল খাইর (৮) ও খাইরুন্নেছা (৬)। অন্যদিকে রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামে নিহত শিশুর নাম মোর্শেদ আলম (৬)। সে ওই এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে।

রুমালিয়ারছরা বাঁচামিয়াঘোনা এলাকার নিহত চার ভাই-বোনের মামা খোরশেদুল আলম আমাদেরসময় ডট কমকে জানান, ভোরে উঠে নিহতদের মা বাড়ির বাইরে কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বাড়ির পাশের পাহাড় ধসে ঘরের ওপর পড়ে। এতে ঘুমন্ত চার শিশু মাটির নিচে চাপা পড়লে মা চিৎকার করায় আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। তাৎক্ষণিক স্থানীয় মসজিদের মাইকেও ঘোষণা দিয়ে মানুষ ডাকা হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তারা মারা যায়।

কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক কাজী আবদুর রহমান আমাদেরসময় ডট কমের কাছে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details