1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
গাজীপুরে লকডাউন অমান্য করে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দরিদ্র কর্মহীন ৩’শ পরিবারের মাঝে নৌবাহিনীর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পৃথক পৃথক জায়গায় করোনার উপসর্গ নিয়ে আরো ৯ জনের মৃত্যু করোনার ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম: তিন সাংবাদিক লাঞ্ছিত ঈশ্বরগঞ্জে খেলা নিয়ে সংঘর্ষ : আহত ৫ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তত্ত্বাবধানে সাতক্ষীরায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করোনা রুখতে সুবর্ণচরে যুবদল-ছাত্রদলের জরুরী পণ্য বিতরণ ও মাইকিং মালয়েশিয়ায় অসহায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য (বিএসইউএম) জরুরি তহবিল সংগ্রহ শৈলকুপায় সহস্রাধিক দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ চলমান যুদ্ধে সাধারণ জনগণের পাশে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার




যমুনার চরে পণ্য পরিবহনে জনপ্রিয় হচ্ছে ঘোড়ার গাড়ি

এইচ এম আলমগীর কবির, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২০
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে
Check for details

যমুনার চরাঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে পরিবহন ও চলাচলের একমাত্র মাধ্যম ঘোড়ার গাড়ি। বর্ষায় পরিবহনের এক মাত্র মাধ্যম নৌকা। শুষ্ক মৌসুমে ঘোড়ার গাড়ির বিকল্প হিসেবে হেঁটেই নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটান চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। হেঁটে চলাচল করা কষ্টসাধ্য হওয়ায় ঘোড়ার গাড়ির প্রচলন দিন দিন বাড়ছে।

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলে একসময় চলাচলের ব্যবহৃত হতো গরু ও মহিষের গাড়ি। ঘোড়ার গাড়ি ছিল সে সময়ে রাজা-বাদশাহ ও জমিদারদের পরিবহন। ঘোড়ার গাড়িতে ওঠার শখ সাধারণ মানুষের কল্পনাতেই সীমাদ্ধ ছিল। কালের পরিক্রমায় সেই ঘোড়ার গাড়ি বর্তমানে এখন প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের মানুষের পরিবহন ও চলাচলে কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

যমুনায় পানি শুকিয়ে চর জাগলেই শুরু হয় কৃষকদের কাজ। তারা ব্যস্ত সময় পাড় করেন বালুর চরে ফসল ফলানোর স্বপ্ন নিয়ে। চরে সাধারণত বাদাম, ভুট্টা, মসুর ডাল, খেসারি ডাল, কাউন, বোরো ধান, মিষ্টি আলু ইত্যাদি ফসল চাষ করেন কৃষকরা।

এ ছাড়া জ্বালানির কাজে ব্যবহার করার জন্য কাশফুলের শুকনো খড় সংগ্রহ করেন চরের বাসিন্দারা। উৎপাদিত ফসল ঘরে তোলার জন্য ঘোড়ার গাড়িই তাদের একমাত্র ভরসা। ঘোড়ার গাড়ির চালক হিসেবে রয়েছে বেশির ভাগ ২০ থেকে ২২ বছর বয়সের ছেলেরা। পরিবারে অভাব-অনটনের কারণে সংসারের হাল ধরতেই এ কাজ বেছে নিয়েছে বলে জানায় তারা।

চরনাটিপাড়া গ্রামের ঘোড়ার গাড়ি চালক আলম বলেন, তিন ভাই, দুই বোন ও মা-বাবা নিয়েই তাদের সংসার। বাবা একক আয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন।

সংসারে সহযোগিতার জন্য একটি ঘোড়া কিনে দেন আলমকে। নিজেদের ফসল ঘরে তোলার ফাঁকে গাড়িতে অন্যদের ফসল এনে দিয়ে বাড়তি আয় শুরু করে আলম। এভাবে সংসারে অভাব কমতে থাকে। পরে আরো দুইটি ঘোড়া কিনে ভাড়ায় খাটাতে শুরু করেন আলমের বাবা। এতে আরো দুইজনের কর্মসস্থান সৃষ্টি হয়। সব মিলিয়ে ভালো দিন কাটছে জাহাঙ্গীর আলমদের।

ঘোড়ার গাড়ি তৈরিতে খরচ কম। ঘোড়ার দামও হাতের নাগালে। ৩০-৫০ হাজার টাকা হলেই মিলছে একটি ঘোড়া। কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলে বেশ কয়েক বছর গাড়ি টানতে পারে ঘোড়াগুলো। তবে নিয়মিত প্রয়োজনীয় খাবার ঘোড়াকে খাওয়াতে হবে। তা না হলে পায়ের শক্তি হারিয়ে ফেলবে ঘোড়া। খাদ্য হিসেবে ধানের কুঁড়া, সরিষার খৈল, ছোলা, খেসারী কালাই, ভূষি ও চালের খুদ পছন্দ ঘোড়ার। সব মিলিয়ে ঘোড়া পালনে খরচও কম।

এ ব্যাপারে কাজিপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী বলেন, নানা অনুকূল পরিবেশের কারণে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলে ঘোড়ার গাড়ির ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যমুনায় চর জেগে ওঠায় নৌ চলাচল বন্ধ হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, চরাঞ্চলে যাতায়াতের সুবিধার্থে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল ও পণ্য পরিবহনে ঘোড়াগাড়ি ব্যবহার বেড়ে গেছে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details