1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : germanbangla24.com : germanbangla24.com
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”শিরীন আলম” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “ফারহা নাজিয়া সামি” বাংলাদেশে হরতাল প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেনঃ উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয় হবে। জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “মিনহাজ দীপন“ সাকিব আল হাসানের বক্তব্যে কঠোর বিসিবি জার্মানবাংলা’র “প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি “কাইয়ুম চৌধুরী”

মেহবুবা মুফতির পদত্যাগ: জম্মু-কাশ্মীরে রাজ্যপালের শাসন জারি

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮
Check for details

জার্মান-বাংলা ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির পদত্যাগের পর ভারতের জম্মু-কাশ্মীরে রাজ্যপালের শাসন কার্যকর হয়েছে। এই নিয়ে সেখানে ১৯৭৭ সাল থেকেেএ পর্যন্ত অষ্টমবার রাজ্যপালের শাসন জারি হল।

জোট সরকারের উপর থেকে বিজেপি সমর্থন প্রত্যাহারের পর পরই মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। তারপরই রাষ্ট্রপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট পাঠান রাজ্যের রাজ্যপাল এনএন ভোরা। তার মধ্যেই পিডিপি ও অন্যান্য দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কিন্তু কোনো পক্ষই সরকার গঠনের দাবি না জানানোয় রাষ্ট্রপতির কাছে শাসনের জন্য অনুমতি চান। ভারতের রাষ্ট্রপতি তাতে সম্মতি দেয়ায় জম্মু-কাশ্মীরে জারি হয়েছে রাজ্যপালের শাসন।

রাজ্যপালের শাসন জারি হওয়ার পর এনএন ভোরা এখন চাইলে বিধানসভা ভেঙে দিতে পারেন। অথবা ‘সাসপেন্ডেড অ্যানিমেশন’ হিসাবে রাখতে পারেন। যার অর্থ, বিধায়কদের দফতর চালু থাকবে, কিন্তু তাদের কোনো ক্ষমতা থাকে না। কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা থাকে না বিধানসভারও। আর বিধানসভা ভেঙে দিলে ছয় মাসের মধ্যে ভোট প্রক্রিয়া শেষে করতে হয় নির্বাচন কমিশনকে। তবে এই বিষয়টি সাধারণত কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা করেই রাজ্যপাল করে থাকেন। রাজ্যপালের শাসন চলাকালীন তিনিই কার্যত মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা পালন করেন। আর মন্ত্রীর সমান ক্ষমতা ও পদমর্যাদা ভোগ করেন তার উপদেষ্টারা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details