1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব

মারামারি রোগীর ছাড়পত্র দেয়ায় মদন হাসপাতালে উত্তেজনা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৪ মে, ২০১৮
Check for details

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: নেত্রকোনার মদন উপজেলা ৫০ শয্যার হাসপাতালে বুধবার রাতে মাথায় আঘাত প্রাপ্ত রোগী শাহ আলম (৩৫) কে ভর্তি করা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার সকালেই উক্ত রোগীকে ছাড়পত্র দিয়ে হাসপাতাল ছাড়ার কথা বললে রোগীর লোকজনের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতাল ত্যাগ করবে না বলে রোগীর লোকজন প্রতিজ্ঞা করলে প্রতিপক্ষ সটকে পড়ে। এ সময় রোগীর লোকজন ওয়ার্ডে ও জরুরী বিভাগে কর্মরত কর্মচারীর কাছে অসুস্থ রোগীকে রেফার্ড না করে ছাড়পত্র দেয়ার কারণ ও নথিপত্র দেখতে চাইলে তারা সন্তোষজনক উত্তর না দিয়ে রোগী আবার ভর্তি করা যাবে বলে জানান। এতে রোগীর লোকজনের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হলেও খবর লিখা সময় পর্যন্ত রোগী হাসপাতাল বেডেই শুয়ে আছে। এ ঘটনা প্রকাশ পেলে হাসপাতালের অনিয়ম ও দূর্নীতি নিয়ে সদরে আলোড়নের সৃষ্টি হয়। বুধবার সন্ধ্যায় নায়েকপুর পূর্বপাড়ায় শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুদ্দিনের ছেলে আহাদ ও জামাতা হিরন রামদা দিয়ে একই গ্রামের মৃত আবাল খানের ছেলে শাহ আলমকে মাথায় আঘাত করে। এতে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে রাতেই মদন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুদ্দিন অর্থ ও প্রভাব কাটিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রলোব্ধ করে ছাড়পত্র নিয়ে হাসপাতাল থেকে রোগীকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন রোগীর লোকজন। এ সময় রোগীর লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়লে প্রতিপক্ষ সরে পড়ে।
এ ব্যাপারে রোগীর বড় ভাই মিলন মিয়া জানান, শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে বুধবার সন্ধ্যায় আমার ছোট ভাই শাহ আলমকে একই গ্রামের আহাদ ও হিরন রামদা দিয়ে মাথায় আঘাত করে । রাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে মদন হাসপালে ভর্তি করি। সকালে খবর পাই কর্তৃপক্ষ রোগীকে ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল ত্যাগ করার জন্য। আইনানুগ ব্যবস্থা বন্ধ করার জন্য প্রতিপক্ষ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছাড়পত্র দিয়ে আমাদের রোগীকে হাসপাতাল থেকে বেড় করার ষড়যন্ত্র করে। আমি এই চক্রান্তের বিচার চাই।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের ওয়ার্ড ইনচার্জ হাসিনা বেগম ঘুষ নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, একজন মুক্তিযোদ্বা তার রোগী দাবি করে আমার স্বাক্ষরিত ছাড়পত্র নিয়েছে। পড়ে জানতে পারি তিনি বিপক্ষ দলের লোক।
জরুরী বিভাগে কর্মরত ফার্মাসিষ্ট আসলাম আল রাজি জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ওয়ার্ড থেকে আমার কাছে রোগীর ছাড়পত্র পাঠায় এবং আমি এতে স্বাক্ষর করি। কিছুক্ষণ পরেই জানতে পারি বিপক্ষ দলের লোকেরা চক্রান্ত করে রোগীর ছাড়পত্র নিয়ে গেছে। আমি উক্ত ঘটনার নিন্দা জানাই।
এ ব্যাপারে মদন হাসপাতালের ইনচার্জ ডাক্তার ফজলে বারী ইবান জানান, এ ঘটনা সম্পর্কে আমি অবগত নই। রোগী অসুস্থ থাকলে ছাড়পত্র দিলেও হাসপাতালে থাকতে পারবে।
মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুদ্দিনের ছেলে আহাদ আঘাত করার কথা স্বীকার করে বলেন, আমার ভগ্নিপত্মি হিরনকে অপমান করায় সহ্য করতে না পেরে আমি আমার মামা শাহ আলমকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করি। রাগের মাথায় এ কাজটি করে আমি দুঃখিত।
মদন থানার ওসি মোঃ শওকত আলী জানান, এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details