1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
পদ্মায় ফেরিডুবি :পাটুরিয়ায় ডুবে গেছে শাহ আমানত ফেরি জার্মানিতে বিএনপি’র কর্মীসভা ‘বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার’ : এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ

মাছ মাংসে স্বনির্ভর বাংলাদেশ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৬ মার্চ, ২০১৮
Check for details

বাংলাদেশের জন্যে নিশ্চয়ই এটি সুখবর।

দেশে বর্তমানে দৈনিক মাথাপিছু মাংসের প্রাপ্যতা ১২১ দশমিক ৭৪ গ্রাম, যা চাহিদার তুলনায় বেশি। ফলে চাহিদা অনুযায়ী মাংস উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। আর মৎস্য খাত বর্তমানে দেশের মোট জিডিপির ৩ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপির ২৪ দশমিক ৪১ শতাংশের যোগান দিচ্ছে। সাম্প্রতিক একি গবেষণায় এই তথ্য জানা গেছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ সালে মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। উৎপাদন হয়েছে ৪১ লাখ ৩৪ হাজার মেট্রিক টন, যা ২০০৮-০৯ অর্থ বছরের থেকে ৫৩ শতাংশ বেশি।

আর ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৭১ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন মাংস উৎপাদনের লক্ষ্যাত্রার বিপরীতে ৭১ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ২০১৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে মৎস্য আহরণে বিশ্বে চতুর্থ এবং মাছ চাষে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।

দেশে তেলাপিয়া, কৈ, পাবদা, গুলশা, শিং ও মাগুর মাছের উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘এক নীরব বিপ্লব’ সাধিত হয়েছে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ায় সিলভার কার্প, পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও কৈ মাছ এখন প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস হয়ে উঠেছে।

বদ্ধ জলাশয়ে নিবিড় মৎস্য চাষ, নিয়মিত পোনা অবমুক্ত করা, মৎস্য অভয়াশ্রম ও সমাজভিত্তিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশবান্ধব চিংড়ি ও মৎস্যচাষের সম্প্রসারণ, মাছের আবাসস্থল পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন, প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা, প্রজননক্ষম মাছের কৌলিতাত্ত্বিক উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার ফলে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রকৃত মৎস্যজীবী ও জেলেদের অধিকার নিশ্চিত করতে মৎস্য অধিদপ্তর ইতোমধ্যে ১৬ লাখ ২০ হাজার মৎস্যজীবী ও জেলেদের নিবন্ধন শেষ করে ১৪ লাখ ২০ হাজার জেলেকে রিচয়পত্র দিয়েছে।

অবশেষে আমরা “মাছে ভাতে বাঙালি’ ঐতিহ্য আমরা পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details