1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
সখীপুর এস.পি.ইউ.এফ’র ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন লেবাননে প্রবাসী অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিল বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : অ্যাটর্নি জেনারেল করোনা : ভারতে শনাক্ত ২ কোটি ছাড়াল করোনা : বিধিনিষেধ আবারও বাড়ল, চলবে না দূরপাল্লার বাস অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফয়সাল ও সম্পাদক ফারুক মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

মদনে মগড়া নদী ভাঙনের মুখে বাজার ও বিদ্যালয়

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
Check for details

তোফাজ্জল হোসেন, মদন (নেত্রকেনা) প্রতিনিধি: বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথেই নেত্রকোনা মদন উপজেলার বিভিন্ন বাজার, সড়ক ও কয়েকটি বিদ্যালয় নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার হুমকিতে রয়েছে। এসব এলাকার ব্যবসায়ী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পথচারীরা সর্বদায় আতংকের মধ্যে থাকে।

জানা যায়, তিয়শ্রী ইউনিয়নের বালালী বাঘমারা বাজার, প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফতেপুর এস এসসি উচ্চ বিদ্যালয়,বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,কালিবাড়ি মোড় বাজার ও পাকা সড়ক,ফতেপুর জাল বাড়ি মগড়া নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার হুমকিতে রয়েছে। যে কোন সময় নদী গর্ভে বিলীন হয়ে প্রাণহানীর আশংকা বিরাজ করছে এ সব এলাকায়।

ফলে বাজারের ব্যবসায়ী, পথচারী ও বিদ্যালয়ের কোমলমিত শিশুরা থাকে আতংকে। নদী ভাঙনের ফলে লেখাধুলার মাঠ গুলো ছোট হয়ে আসছে। বিদ্যালয় বাজার ও রাস্তা মগড়ানদী ঘেষে থাকায় প্রতি বছর বর্ষার পানি নেমে যাবার সময় প্রবল স্রোতে নদী ভাঙনের কবলে পড়তে হয় বলে এলাকাবাসীরা জানান।

মঙ্গলবার সরজমিনে গেলে দেখা যায়, মগড়া নদীর তীরবর্তী হওয়ায় নদী ভাঙন তীব্র আকারে দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও এলাকাবাসাী জানান, নদী ভাঙ্গনের ফলে পুরাতন তিয়শ্রী ইউনিয়ন পরিষদের একটি পরিত্যক্ত ভবন নদীর গর্ভে চলে গেছে। জরুরী ভিত্তিতে ভাঙন রোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারে বিদ্যালয়সহ বাজারটি।

বালালী বাঘমারা বাজারের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ রোকন উদ্দিন আহমেদ জানান, বাজার ও বিদ্যালয়টি নদী ভাঙনের ফলে হুমকিতে রয়েছে। বাজারের ব্যবসায়ী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা আতংকে থাকছে। বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি ছোট হয়ে আসছে। কালি বাড়ি মোড়, বাজার সড়ক,বাগজান প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মগড়া নদীর পাড়ের বিভিন্ন স্থাপনা সরজমিনে তদন্ত করে জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।

ফতেপুর এস এস সি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, নদী ভাঙনের কবলে আমার বিদ্যালয়ের দুটি ভবন হুমকির মুখে রয়েছে। বিষয়টি আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে লিখিত ভাবে জানিয়েছি।

ইউপি চেয়ারম্যান ফকর উদ্দিন আহমেদ জানান,দিন দিন মগড়া নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমি এ বিষয়টি নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি। কিন্ত তারা আশ্বস্থ্য করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ওয়ালীউল হাসান জানান, নদী ভাঙনের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি অচিরেই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আকতারুজ্জামান বলেন, নদী ভাঙনের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানগণ আমার কাছে এসে ছিলেন। জুন মাস চলে যাওয়ায় আগামী বাজেটে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details