1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
পদ্মায় ফেরিডুবি :পাটুরিয়ায় ডুবে গেছে শাহ আমানত ফেরি জার্মানিতে বিএনপি’র কর্মীসভা ‘বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার’ : এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ

মদনে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যালয় বিধ্বস্ত: পাঠদান চলে খোলা আকাশের নিচে

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৫ মে, ২০১৮
Check for details

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: কালবৈশাখী ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে নেত্রকোনা মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের মনিকা পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে খোলা আকাশের নিচে বসেই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। প্রচণ্ড রোদের মধ্যে ক্লাস করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে, আকাশে মেঘ দেখলেই দেয়া হয় ছুটি।
২০০১ সালে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগে মনিকা পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১ জানুয়াী ২০১৪ সালে বিদ্যালয়টি (তৃতীয় ধাপে) জাতীয়করণ হয়। টিনের ছাউনি ঘরেই চলে আসছিল বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম।
গত ১১ মে শুক্রবার সকালে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যালয়ের ছাউনি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এতে বিদ্যালয়টিতে পাঠদান কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ না করে খোলা আকাশের নিচে চলছে পাঠদান। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজেই পাঠ গ্রহণ করছে।
মনিকা পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, গত ১১ মে শুক্রবার সকালে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যালয়ের ঘর ভেঙে পড়েছে। এবং বিদ্যালয়ের ছাউনি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। তাই কয়েক দিন ধরে বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচেই ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যালয়ে ২৬০ জন শিক্ষার্থী থাকলেও খোলা আকাশের নিচে ক্লাস নেওয়ার কারণে অনেকে শিক্ষার্থীই বিদ্যালয়ে আসছে না। আবার যারা প্রচন্ড গরমের মধ্যে আসছে, তাদেরও ক্লাস করতে সমস্যা হচ্ছে। বিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো অর্থ না থাকায় কবে নাগাদ বিদ্যালয়টির মেরামত করা সম্ভব হবে তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছি।’
তিনি আরো জানান, বিদ্যালয়টি মেরামতের সহযোগিতা চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসার বরাবরে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। দুইটি টিউবয়েল ছিল, টিউবয়েলগুলোও ঝড়ে ভেঙ্গে পেলেছে।
সরেজমিনে মঙ্গলবার সকালে মনিকা পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গিয়ে কথা হয় ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আওয়াল, বায়োজিদ, শারমিন, নাজিরুল, ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী রাত্রী, তায়াবা, প্রেমা,২য় শ্রেণীর শিক্ষার্থী শরীফ, আরিফা, ১ম শ্রেণীর আছমা, আরমানের সঙ্গে। তারা বলে, গত কয়েকদিন ধরেই রোদ্রে বসেই লেখাপড়া করছি। রোদ গরমে আমাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। সরকারের কাছে আবেদন, অতি দ্রুত আমাদের বিদ্যালয়ের ঝড়ে ভেঙে যাওয়া ঘড়গুলো মেরামত করে দিন। আমরা বিদ্যালয়ে পানিও খেতে পারি না,দুটি কলছিল কলগুলেও ঝড়ে ভেঙ্গে ফেলেছে।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম, বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে মনিকা পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে পাঠদানের সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়টি মেরামতের জন্য প্রধান শিক্ষকের আবেদন পাওয়া গেছে। তার আবেদন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিকল্পনা উন্নয়ন শাখায় পাঠানো হয়েছে এবং জরুরী ভিত্তিতে উপজেলা পরিষদ থেকে একটি বরাদ্দ পেতে পারে। আশাকরি, শিগগিরই স্কুলটি মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ওয়ালীউল হাসান বলেন, মনিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ব্যাপারে জেলায় একটি আবেদন করা হয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে বিদ্যালয়টি মেরামতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details