1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : germanbangla24.com : germanbangla24.com
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”শিরীন আলম” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “ফারহা নাজিয়া সামি” বাংলাদেশে হরতাল প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেনঃ উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয় হবে। জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “মিনহাজ দীপন“ সাকিব আল হাসানের বক্তব্যে কঠোর বিসিবি জার্মানবাংলা’র “প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি “কাইয়ুম চৌধুরী”

ভৈরবে ব্যাংকগুলোয় খুচরা টাকা জমা নিতে অনীহা: বিপাকে গ্রাহক

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
Check for details

রাজীবুল হাসান, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: বন্দর নগর খ্যাত ভৈরবের ব্যাংকগুলিতে খুচরা টাকার নোট জমা না নেওয়ায় বিপাকে পড়ছে গ্রাহকরা । ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ বিদ্যুত ও গ্যাস বিল পরিশোধ করতে প্রতিদিন শত শত গ্রাহক ৫, ১০ ও২০ টাকার নোটের বান্ডিল নিয়ে ব্যাংকগুলিতে গেলে ক্যাশ কাউন্টারে এসব টাকার নোট নিতে অস্বীকার করেন। অধিকাংশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে ব্যাংকের ভোল্ডের সিন্দুকে টাকা রাখার জায়গা নেই তাই খুচরা টাকা জমা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

অনেক ব্যবসায়ী প্রতিদিনের বেচাকেনার খুচরা ১০ টাকা ও ২০ টাকার বান্ডেল ১০/২০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে গেলে এটাকা জমা না দিয়ে গ্রাহককে ফিরিয়ে দেয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ৫ টাকার নোটের বান্ডিল নিয়ে ব্যাংকে গেলে ক্যাশিয়ার রেগে যান, এমন অভিযোগও পাওয়া যায়।

ভৈরবে সরকারী বেসরকারী মিলিয়ে ২৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। তার মধ্য সোনালী ব্যাংক লিঃ ব্যাংকটি ট্রেজারী শাখা হওয়াই এই ব্যাংকটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক। বন্দর নগরী ভৈরবের ব্যাংকগুলিতে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়। ভৈরবে বিদ্যুত ও গ্যাস এবং শিল্প ও বাণিজ্যসহ গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। এসব গ্রাহকের প্রতি মাসে বিল হয় প্রায় ৫-৬ কোটি টাকা যা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিতে পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া টেলিফোন গ্রাহরাও ব্যাংকে বিল পরিশোধ করে থাকে। বিদ্যুত, গ্যাস ও টেলিফোন গ্রাহকরদের মধ্য অনেকেই ২/৪ হাজার টাকা ১০, ২০ টাকার নোট বিল পরোশোধ করতে ব্যাংকে গেলে টাকা ব্যাংকে জমা নেয় না বলে একাধিক গ্রাহক অভিযোগ করেছে।

ভৈরবে পাদুকা শিল্প, বেকারী শিল্প, মশার কয়েল কারখানাসহ হাজার হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর লেনদেনের খুচরা লাখ লাখ টাকা আমদানী হয়। তারা খুচরা টাকা ব্যাংকে জমা দিতে গেলে এটাকা ব্যাংকে জমা না নিয়ে ক্যাশ থেকে ফেরৎ দেয়া হয়।

ভৈরব বাজারে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শাকিল আহমেদ বলেন, ২০ টাকার নোটের ২ হাজার টাকার একটি বান্ডেল নিয়ে রুপালী ব্যাংকে বিদ্যুত বিল পরিশোধ করতে গেলে ক্যাশ থেকে তাকে ফেরৎ দেয়া হয়।

কমলপুর এলাকার আ: রশিদ নামের এক গ্রাহক তার অফিসের বিদ্যুত বিল ৪ হাজার টাকার ১০ টাকা নোট নিয়ে স্থানীয় এবি ব্যাংকে গেলে ক্যাশিয়ার তার খুচরা টাকা জমা নেয়নি বলে এ প্রতিনিধিকে অভিযোগ করেন তিনি।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মমিনুল হক ১০ ও ২০ টাকার ১০ হাজার টাকা নিয়ে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকে গেলে তার টাকা জমা নেয়নি ওই ব্যাংক, এ অভিযোগ করেন । এমনিভাবে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।

ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি আলহাজ্জ মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ব্যবসায়ীরা খুচরা নোট বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিতে জমা দিতে না পারায় বিপাকে আছে। অনেক ব্যবসায়ী ব্যাংকে খুচরা নোট জমা দিতে না পেরে অফিসের সিন্দুকে টাকা রাখতে হয়। রাতের বেলায় অনেকের টাকা ডাকাতি করে নিয়ে গেছে এমন অভিযোগও রয়েছে।

তিনি বলেন এ ব্যাপারে চেম্বার থেকে ভৈরবের সকল ব্যাংক ম্যানেজারদেরকে নিয়ে সমস্যা সমাধানে একটি সভা করবেন বলে তিনি জানান ।

এ ব্যাপারে রুপালী ব্যাংক ভৈরব শাখার ম্যানেজার মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ব্যাংকের ভোল্ডের সিন্দুকগুলি টাকায় ভর্তি। এ টাকা আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকেও জমা দিয়ে কমাতে পারছি না। তাই অামাদের ব্যাংকে খুচরা নোট জমা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

পূবালী ব্যাংক লিঃ, ভৈরব শাখার ম্যানেজার মো, জাহিদুল ইসলাম জানান, আমার ব্যাংকে খুচরা নোট রাখার মত সিন্দুক নেই, গ্রাহকরা প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার খুচরা নোট জমা দিতে আসে কিন্ত অনেক গ্রাহকই খুচরা টাকা নিতে চায় না। এ কারণে খুচরা নোট জমা নিতে পারছি না। একই কথা বললেন ঢাকা ব্যাংক লি. এর ভৈরব শাখা ম্যানেজার সেলিম আহমেদ মিলন এবং ব্যাংক এশিয়া লি., ভৈরব শাখার ম্যানেজার মিঠু কুমার সাহা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিযোগ কেন্দ্র ১৬২৩৬ নাম্বারে অাজ বুধবারে কথা বললে কর্তব্যরত একজন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভোল্ডে টাকা জমা রাখার একটি সীমাবদ্ধতা আছে। তারপরও কিছু কিছু ব্যাংকের কোটি কোটি টাকা প্রতিদিন জমা নেয়া হয়।

বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ব্যাপার, তাই এ বিষয়ে আমি আর বেশী কিছুই বলতে পারব না।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details