1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman




ব্রিটিশ রাজপরিবারে আলোচিত প্রেম ও বিয়ে

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে
Check for details

জার্মানবাংলা অনলাইন : প্রেম ও বিয়ের ঘটনায় একাধিকবার বিব্রত হতে হয়েছে ব্রিটিশ রাজপরিবারকে৷ ত্রিভুজ প্রেমের নানা সমীকরণে ব্রিটিশ পরিবারের মধ্যে ঘটেছে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও। ব্রিটিশ রাজপরিবারের আলোচিত প্রেম ও বিয়ে নিয়ে আজকের এ আয়োজন।

চার্লস ও ক্যামিলা: বিয়ের ১২ বছর পর ১৯৯২ সালে লেডি ডায়ানার সাথে বিচ্ছেদ হয় যুবরাজ চার্লসের৷ মনোমালিন্য ছাড়াও এই বিচ্ছেদের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল চার্লসের প্রাক্তন প্রেমিকা ক্যামিলা পার্কার বোলস৷ রাজপরিবারের অনিচ্ছা সত্ত্বেও ২০০৫ সালে ক্যামিলাকে বিয়ে করেন চার্লস৷ এই বিয়েতে উপস্থিত ছিলেননা চার্লসের মা রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও তাঁর পিতা ফিলিপও৷

ডায়ানা ও দোদি: চার্লসের সাথে বিবাহিত থাকাকালীন এবং বিচ্ছেদের পরেও একাধিক পুরুষের সাথে জুড়তে থাকে ডায়ানার নাম৷ এরমধ্যে সবচেয়ে আলোচিত মিশরের চলচ্চিত্র প্রযোজক দোদি ফায়েদের সাথে তাঁর সম্পর্ক৷ ১৯৯৭ সালে প্যারিসের যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ডায়ানা সেই গাড়িতে তাঁর সাথে ছিলেন ফায়েদও৷ ডায়ানার জীবনযাপন বিষয়ে ব্রিটিশ রাজপরিবারের অসন্তোষ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রায়ই আলোচিত হয়েছে৷

রাজকুমারী অ্যান: চার্লসের ছোট বোন রাজকুমারী অ্যানের সাথেও জড়িয়ে ছিল নানা পুরুষের নাম, যার মধ্যে অন্যতম ক্যামিলার সাবেক স্বামী অ্যান্ড্রু পার্কার বোলসও৷ এছাড়া, অ্যানের স্বামী মার্ক ফিলিপসের নামও জড়ায় নানা কেচ্ছার সাথে৷ শুধু তাই নয়, অ্যান-মার্ক বিচ্ছেদের ফলে সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হয় ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিচ্ছেদ-বিরোধিতা কমার প্রবণতা৷

মার্গারেট ও পিটার টাউনসেন্ড: রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের ছোট বোন রাজকুমারী মার্গারেট৷ মার্গারেট প্রথম শিরোনামে আসেন পিটার টাউনসেন্ডের সাথে তাঁর প্রেমের কারণে৷ সেই সময় বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে এমন কারো সাথে রাজপরিবারের সদস্যের বিয়ে হওয়া ছিল অসম্ভব৷ পরিবারের চাপে টাউনসেন্ডকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন মার্গারেট, কিন্তু পরবর্তীতে চিত্রগ্রাহক অ্যান্টনি আর্মস্ট্রং-জোনসের সাথে তাঁর বিয়েও সৃষ্টি করে বহু বিতর্ক৷

অষ্টম এডোয়ার্ড ও ওয়ালিস সিম্পসন: মার্গারেটেরও আগে মার্কিন নাগরিক ও বিবাহ-বিচ্ছেদপ্রাপ্ত ওয়ালিস সিম্পসনকে বিয়ে করার জন্য রাজকর্তব্য থেকে সরে আসেন অষ্টম এডোয়ার্ড৷ সেই সময় রাজার আসনে বসতে চলা এডোয়ার্ডের এই পদক্ষেপ আলোড়ন তোলে৷ এর ফলে, তাঁর ছোট ভাই ষষ্ঠ জর্জ রাজা হন৷ এডোয়ার্ড-ওয়ালিসের বিবাহ এখনও রাজপরিবারের অন্যতম বিতর্কিত ঘটনা হিসাবে আলোচিত হয়৷

অ্যান্ড্রু: চার্লসের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুরও পিছু ছাড়েনি বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনা৷ যেমন মার্কিন অভিনেত্রী কু স্টার্কের সাথে তার সম্পর্ক৷ শুধু তাই নয়, পরবর্তীতে সারা ফার্গুসনকে বিয়ে করলেও কু স্টার্কের কন্যার ‘গডফাদার’ হন অ্যান্ড্রু, যা নতুন করে খবরের শিরোনামে নিয়ে আসে তাকে৷

হ্যারি ও মেগা : মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মার্কেলের সাথে রাজপুত্র হ্যারির বিয়ের পর থেকেই চলছিল নানা রকমের জল্পনা৷ সম্প্রতি একটি বিবৃতি দিয়ে তাঁরা জানান যে রাজকর্তব্য থেকে সরে আসতে চলেছেন তাঁরা৷ রাজপরিবারের সদস্য হিসাবে নিজেদের দায়িত্ব ছেড়ে ব্যক্তিগত জীবনে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে চান বলে জানান এই জুটি৷ ইতিমধ্যেই তাঁদের এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাকিংহাম প্যালেস৷

মেগান মার্কেল: ২০১৭ সালের অক্টোবরে যখন বিভিন্ন গণমাধ্যমে মেগানের নাম আসতে শুরু করে, তখন দেশের মানুষের তাঁর সম্পর্কে তেমন কোনো ধারণাই ছিল না৷ ১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেসে জন্ম নেয়া মেগান জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘স্যুটস’-এ এক আইনজীবীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন৷ বিভিন্ন গণমাধ্যমে মেগানকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদে ‘প্রচ্ছন্ন জাতিবিদ্বেষ’ এবং ‘বর্ণবাদ’ উসকে দেয়া হয়েছে বলেও সেসময় প্রতিবাদ জানানো হয় হ্যারির কার্যালয় থেকে৷

দ্বিতীয় বিয়ে: মেগানের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ গণমাধ্যমের সমালোচনার অন্যতম ছিল তাঁর প্রথম বিয়ে৷ ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত চলচ্চিত্র প্রযোজক ট্রেভর এনগেলসনের স্ত্রী ছিলেন মেগান৷ সেসময় নিজের একটি লাইফস্টাইল ব্লগও চালাতেন মেগান৷ তবে হ্যারির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক জানাজানি হওয়ার পর তিনি সেটি বন্ধ করে দেন৷

রানির আশীর্বাদ: হ্যারি-মেগানের বিয়ের ঘোষণার পর বাকিংহাম প্যালেস থেকে জানানো হয়, ‘‘রানি ও ডিউক অব এডিনবরা খুবই আনন্দিত এবং এই যুগলের সুখ ও শান্তি কামনা করেছেন৷’’ সিংহাসনের ভবিষ্যৎ দাবিদার রাজপরিবারের সব সদস্যের মতোই হ্যারি-মেগানের বিয়েতেই প্রয়োজন ছিল রানির অনুমোদনের৷ তবে এই বিয়েতে রানির আশীর্বাদ রাজপরিবারের চিন্তাভাবনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়৷ সূত্র : ঠিকানা

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details