1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
অনেকেই সঞ্চয় ভেঙে চলছে : ওবায়দুল কাদের জিয়ান ক্যাস্টিক্স ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা পরিস্থিতি দেখতে আচমকা লাদাখ সফরে নরেন্দ্র মোদী ‘ করোনার প্রভাব কমলেই টাইগারদের অনুশীলন শুরু হবে ’ মুগদা জেনারেল হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর আনসার বাহিনীর হামলা করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় নতুন শনাক্ত ৩১৪৪ , মৃত ৪২ প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি হয়রানির প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড ৩৬.০১৬ বিলিয়ন ডলার রাজাপুরে স্কুলের সম্পত্তি রক্ষায় মতামত সংগ্রহ ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ নিয়ে জরুরি বৈঠক, কমিটি গঠন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০১৯
Check for details

জার্মান-বাংলা ডেস্ক: আজ মঙ্গলবার বিকেলে জরুরি সভা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ায় সভা করা হয়। খেলাপি ঋণ বেশি বেড়েছে এমন ৭ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) ডেকে নিয়ে খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণ জানতে চাওয়া হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গিয়ে এ সভায় যোগ দিয়েছেন। সভা শেষে খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণ খুঁজতে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি কমিটি গঠন করেছে ।

সাতটি ব্যাংকের মধ্যে ৪টি রাষ্ট্রমালিকানাধীন ও ৩টি বেসরকারি। ব্যাংকগুলো হলো—সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রুপালী, আল-আরাফাহ, ইসলামী ও ন্যাশনাল ব্যাংক।

জানা গেছে, তিন মাসেই দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৬ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা। এর ফলে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অবলোপনের হিসাব বাদে খেলাপি ঋণ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল। এর আগে অবলোপনসহ খেলাপি ঋণ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছিল। আর এখন অবলোপনসহ খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা।

গত ১০ জানুয়ারি সব ব্যাংকমালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, আজ থেকে খেলাপি ঋণ আর এক টাকাও বাড়বে না। আর জানুয়ারি থেকে মার্চ—এই তিন মাসেই খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণ ব্যাংক খাতে অশণি সংকেত। এর পরিপ্রেক্ষিতে এদিন খেলাপি ঋণ বাড়ার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর চাপে পড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল কয়েকটি ব্যাংকের এমডিকে ফোন দিয়ে খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণ জানতে চান। এরপর হঠাৎ করেই বিকেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সভার আয়োজন করা হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামের উপস্থিতিতে এতে গভর্নর ফজলে কবিরসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ব্যাংকগুলোকে যে কোনো উপায়ে চলতি জুনের মধ্যে খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ, অফসাইট সুপারভিশন বিভাগ, ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ ও ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি বিভাগের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ার কারণ জানতে ও খেলাপি ঋণ কমাতে কাজ করবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণে কয়েকটি ব্যাংকের এমডিকে ডাকা হয়েছিল। তাঁরা জানালেন, ডিসেম্বরে যেসব ঋণ আদালতের রিটের কারণে খেলাপি দেখানো যায়নি, এসব রিট (ভ্যাকেট) এখন শূন্য হয়ে গেছে। এ জন্য খেলাপি বেড়ে গেছে। আর অনেকে ঋণ পুনঃতফসিল করেও এখন কিস্তি পরিশোধ করছেন না।’

তবে বৈঠকে উপস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ শেষে ব্যাংকগুলোর দেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৯ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে গেছে ১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণের হার ১১ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এ ছাড়া দীর্ঘদিন আদায় করতে না পেরে ব্যাংকগুলোর অবলোপন করা ঋণের স্থিতি এখন প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। ফলে অবলোপন করা ঋণ যুক্ত করলে প্রকৃত খেলাপি ঋণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকা। অথচ মহাজোট সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময়, ২০০৯ সালের শুরুতে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা।

সিরাজুল ইসলাম আরও বলেন, ‘খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণ জানতে ও কমিয়ে আনতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কয়েকটি বিভাগ এ কমিটিতে থাকবে।’
এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ব্যাংকের কোনো এমডিকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details