1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman

বিড়ালের কামড়ে ৪ শিশু আহত হাসপাতালে নেই ভ্যাকসিন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২০ মে, ২০১৮
Check for details

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: নেত্রকোনার মদনে পাগলা বিড়ালের কামড়ে ৪ শিশু আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার উপজেলার পৌরসভার মনোহরপুর সরকার পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহত রোগীদের হাসপাতাল ও পৌর সভায় নিয়ে এলে তাদের জন্য কোন সরকারি ভ্যাকসিন মিলেনি। পৌরসভা থেকে এ রোগের ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে এ প্রকল্পটি বন্ধ রয়েছে।
এলাকাবাসী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার মনোহরপুর গ্রামের শাহজাহানের ছেলে আনোয়ার (১৪), আবুল কাশেমের কন্যা সাহেরা (৮),লিগেল মিয়ার পুত্র রুমান (৩) ও রিয়াকে (৬) পাগলা বিড়ালে কামড়ালে চিকিৎসার জন্য মদন হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ভ্যাকসিনের নাম লিখে দিয়েই দায়িত্ব পালন করেন। ভুক্তভোগীরা ভ্যাকসিন না পেয়ে বাইর থেকে প্রতিটি ভ্যাকসিন ৫শ টাকা করে ক্রয় করছেন বলে আগত রোগীর লোকজন জানান।

সম্প্রতি উপজেলার সর্বত্র পাগলা কুকুর, শেয়াল ও বিড়ালের আক্রমন বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় প্রতিদিনেই এ রোগীর আগমন হাসপাতালে ঘটছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এর ভ্যাকসিন সরকারি ভাবে সরবরাহ বন্ধ থাকায় রোগীরা এর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন । অপর দিকে পৌরসভায় এ রোগের ভ্যাকসিন সরবরাহ করার বিধান থাকলেও সম্প্রতি প্রকল্পটি সরকার বন্ধ করে দেওয়ায় এর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে জনগন অতিরিক্ত মূল্যে দিয়ে ভ্যাকসিন কিনে ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন।
ভুক্তভোগী মনোহরপুর গ্রামের রওশনা বেগম ও আনোয়ার জানান, পাগলা বিড়ালে কামড় দিলে শনিবার মদন হাসপাতালে আসলে ডাক্তার ব্যবস্থাপত্র লিখে দেন। বাহির থেকে প্রতিটি ভ্যাকসিন ৫শ টাকা করে ক্রয় করতে হচ্ছে। গরীব লোকজনের পক্ষে এ চিকিৎসা নেয়া খুবই দূষ্কর। সরকারি ভাবে এ ভ্যাকসিন সরবরাহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
মদন পৌর সচিব জাহাঙ্গীর আলম জানান, সরকার এ প্রকল্পটি তুলে দেওয়ায় এ রোগের ভ্যাকসিন সরবরাহ করা যাচ্ছে না। সরকারি আদেশ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফজলে বারী ইভান জানান, হাসপাতালে আবাদত ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। কিন্তু এ ভ্যাকসিন পৌরসভা সরবরাহের কথা রয়েছে। এখন পৌর সভায় ভ্যাকসিন না থাকায় রোগীরা বাইর থেকেই তা সংগ্রহ করছেন। তবে প্রতিদিনই এ ধরনের রোগী হাসপাতালে আসছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details