1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব সখীপুরে ‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

বিমানে মানুষ কেন ভুল ভাবে অক্সিজেন মাস্ক পরে?

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৮
Check for details
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্সে মাঝ-আকাশে দুর্ঘটনায় পড়ার পর বিমানের ভিতরকার একটি ছবিতে দেখা যায়, যাত্রীদের প্রায় সকলেই ভুলভাবে অক্সিজেন মাস্ক পরে রয়েছেন। এরপর এ নিয়ে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, বিমানে মানুষ কেন ভুল ভাবে অক্সিজেন মাস্ক পরে?
সাবেক একজন ব্রিটিশ ফ্লাইট এ্যাটেনডেন্ট ববি ল্যরি বলেন, বিমান ভ্রমণের সময় যাত্রীরা প্রায় কেউই ভ্রমনকালীন সময়ের নির্দেশনাগুলো ঠিক মত শোনেন না।
বিমান আকাশে ওড়ার পরপরই ক্রুরা ইন-ফ্লাইট ডেমনস্ট্রেশন, অর্থাৎ ভ্রমনকালীন সময়ে করনীয় সম্পর্কে যেসব ব্যাখ্যা দেন, তা প্রায় কেউই মন দিয়ে শোনেন না। সবাই  কোন বিপদ আসার সম্ভাবনাকে পাত্তাই দিতে চাননা।
কিন্তু জরুরী মূহুর্তে যাত্রীদের নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখা না গেলে, অক্সিজেনের অভাবে একজন মানুষের মৃত্যুও ঘটতে পারে।
এছাড়া রয়েছে ভুলভাবে অক্সিজেন মাস্ক পরা। ভ্রমনকালীন সময়ে তিনটি উপায়ে যাত্রীদের বলা হয়, কিভাবে অক্সিজেন মাস্ক ব্যবহার করতে হয়। শুরুতে ফ্লাইটেএ্যাটেনডেন্ট হাত নেড়ে বুঝিয়ে দেন।
এরপর যাত্রীদের সিট পকেটে রাখা সেফটি কার্ডেও লেখা থাক নির্দেশনা।
আর সর্বোপরি যখন মাথার উপর থেকে অক্সিজেন মাস্কটি যাত্রীদের একেবারে মুখের সামনে ঝুলে পড়ে, যে ব্যাগটির ভিতরে মাস্ক থাকে তার গায়েও লেখা থাকে নির্দেশনা। এগুলো খেয়াল করতে হবে।
এজন্য কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখার পরামর্শ দেন ল্যরি। প্রথমেই দেখতে হবে অক্সিজেন মাস্কটি যেন মুখ ও নাকের পুরোটা ঢেকে দিতে পারে।
এরপর মাস্কের সাথে লাগানো প্লাস্টিকের ব্যান্ডটি মাথার পিছনে টেনে দিতে হবে, যাতে সেটি মাস্কটিকে মুখের সাথে আটকে রাখতে পারে।
কোন কারণে মাস্কটি অকার্যকর মনে হলে, ঘাবড়ে না গিয়ে ফ্লাইট এ্যাটেনডেন্টকে জানাতে হবে।
প্রয়োজনে পাশের যাত্রীর সাথেও ভাগাভাগি করে নেবার মানসিকতা থাকতে হবে।
তবে, ল্যরি তার অভিজ্ঞতায় দেখেছেন, কোন সমস্যা দেখা দিলে যাত্রীদের মধ্যে এক ধরণের তাড়াহুড়া শুরু হয়ে যায়, দ্রুত কিভাবে মাস্কটি পরতে পারেন।
তাছাড়া আসন্ন কোন বিপদের আশংকায় অনেকেই নার্ভাস হয়ে পড়েন।
অনেকেই হয়তো একসাথে অভিযোগ জানান যে কেন বিষয়টি তাকে আগে জানানো হলো না।
কিন্তু সাধারণত ফ্লাইটেএ্যাটেনডেন্টরা তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব হিসেবে তর্ক করেন না।
হাসিমুখে বলেন, আমরা জানাতে চেষ্টা করেছিলাম, এখন দয়া করে আপনারা নিজের আসনে ফিরে যান।
শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details