1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
লেবাননে প্রবাসী অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিল বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : অ্যাটর্নি জেনারেল করোনা : ভারতে শনাক্ত ২ কোটি ছাড়াল করোনা : বিধিনিষেধ আবারও বাড়ল, চলবে না দূরপাল্লার বাস অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফয়সাল ও সম্পাদক ফারুক মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”শিরীন আলম”

বাগেরহাটে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পেঁপে চাষে ঝুঁকছেন কৃষক

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৮
Check for details

মো: আরিফ ঢালী, বাগেরহাট: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘেরের পাড়ে ও পতিত জমিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পেঁপে চাষে ঝুঁকছেন অনেক চাষী। তারা রাসায়নিক সার ও কীটনাশক মুক্ত পেঁপে চাষ করে আর্থিকভাবে সাবলম্বিও হচ্ছেন। এদের মধ্যে শুভদিয়া ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর গ্রামের চাষী মো. মনিরুজ্জামান শেখ অন্যতম।

তিনি এক বছর আগে দেড় একর জমিতে ১৫শ’ পেঁপে গাছ লাগান। ইতিমধ্যে তিনি ৩লক্ষ টাকার পেপেঁ বিক্রি করেছেন।

এ ব্যাপারে তিনি জানান, ঘেরের পাড়ে প্রায় দুই একর জমি আনাবাদি পড়ে ছিল। কৃষি বিভাগের পরামর্শে মাঁদা পদ্ধতিতে এপ্রিলের প্রথম দিকে স্থানীয় উন্নত জাতের পেঁপের চারা উৎপাদন করা হয়। চারা রোপনের পূর্বে এক ফুট দৈর্ঘ্য ও এক ফুট প্রস্থ গর্ত করে জৈব সার ও কীটনাশকের পরিবর্তে নিম পাতা দিয়ে এক সপ্তাহ গর্ত ভরে রাখা হয়। প্রায় দেড় মাস বয়সী চারা রোপনের তিন মাস পর গাছে ফুল আসে। তার চার মাস পর থেকে ফল সগ্রহ শুরু হয়। পাকা ফল অধিক জনপ্রিয় হলেও বিপনন ব্যবস্থার প্রতিকুলতা থাকায় কাঁচা ফল সবজি হিসাবে বিক্রি করা হয়। প্রায় চার মাসে ৩লক্ষ টাকার পেঁপে বিক্রি করা হয়েছে। একটি গাছ ২/৩বছর ফল দেয় তাই তিনি আশাবাদী কোনরূপ বৈরী আবহাওয়া সৃষ্টি না হলে আরও ১০ লক্ষ টাকার পেঁপে তিনি বিক্রি করতে পারবেন। এ পর্যন্ত বিপনন থেকে শুরু করে চাষে খরচ হয়েছে প্রায় ৮০ হাজার টাকা।

দিল মহাম্মদ, মো. আল-মামুন শেখ, মো. মহাশিন শেখ, রঞ্জন বিশ্বাস, মোস্তফা শেখ, রনজিৎ বিশ্বাস, শুকুরালি, গবিন্দ কুন্ডুসহ স্থানীয় চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পেঁপে চাষ অন্যান্য সবজির তুলনায় অধিক লাভ জনক। বেলে দো-আঁশ মাটিতে উচু জমিতে এটি ভাল ফল দেয়। রোগবালায় তুলনামুলক কম হওয়ায় শুধু জৈবসার ব্যবহারের মাধ্যমে পেঁপে চাষ করা যায়। তাই অনেকেই সবজির নিজস্ব চাহিদা মিটাতে ও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এটি চাষ করছেন।

বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাঠি বাজারের চা বিক্রেতা দুলাল হাওলাদার তার চায়ের দোকানের সন্নিকটে খালের পাড়ে পেপে গাছ রোপন করে ফল পাচ্ছেন প্রত্যাশিতভাবে। তার একটি পেপে গাছে উৎপন্ন পেপের পরিমাণ প্রায় শতাধিক।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিপায়ন দাস জানান, স্থায়ী ভাবে সবজির উৎপাদন বাড়াতে চাষীদের মাঠ পর্যায়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তারা বাড়ির আঙ্গিনায় পতিত জমিতে বিভিন্ন সবজি চাষের পাশাপাশি সল্প পুজি খাটিয়ে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে স্থানীয় জাতের পেঁপে চাষে উৎসাহিত হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেকেই পেঁপে চাষে ব্যাপক সফলতাও পেয়েছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details