1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব

প্রেমের কারণে বন্ধু হত্যা গ্রেফতার খুনি

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ মে, ২০১৯
Check for details

আতিকুজ্জামান চঞ্চল, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার সদর আকুন্দবাড়িয়ায় প্রেমের কারণে হত্যা করা হয়েছে মোমিন হোসেনকে । বৃহস্পতিবার রাতে গলা কেটে হত্যার পর লাশ গুম করতে নদীতে ফেলে কচুরিপানার নিচে লুকিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি ঘাতক প্রেমিক সাফায়েতের।শুক্রবার (৩ মে) রাতে মোমিন হোসেন ( ২২) মরদেহ মাথাভাঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ।
নিহত যুবকের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের দিলু মন্ডলের ছেলে মোমিন হোসেন (২২)।

নিহতের দাদা আসমান আলী জানান, ‘বৃহস্পতিবার রাতে নিখোঁজ হন মোমিন পরে শুক্রবার সকালে মোমিনের রক্তমাখা জুতা মাথাভাঙ্গা নদীর ধার থেকে উদ্ধার হয়। মোমিনের সন্ধান জানতে তার বন্ধু সাফায়েতকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে মোমিন ঢাকায় চলে গেছে। তার কথা আমাদের সন্দেহ জনক মনে হলে আমরা পুলিশকে খবর দিই।’

এঘটনার ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খাঁন জানান,স্থানীয় জনগণের তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে সন্দেহভাজন সাফায়েতকে আমরা আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে সে তার বন্ধু হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে খুনির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মোমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এব্যাপারে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ জানান, জিজ্ঞাসাবাদে সাফায়েত স্বীকার করে গ্রামের এক স্কুলছাত্রীকে দুই বন্ধুর ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে বিবাদ দেখা দেয়। এই বিবাদের কারণে সাফায়েত মোমিনকে খুনের পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মাফিক বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় যাওয়ার কথা বলে মোমিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। মাথাভাঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে জবাই করে হত্যার পর লাশ গুম করার জন্য মাথাভাঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details