1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব

প্রসংঙ্গ ইয়াবা: বাংলাদেশ হারাতে পারে লেবাননের শ্রমবাজার

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৮
Check for details

জসিম উদ্দীন সরকার, লেবানন: লেবাননে দেড়লক্ষেরও অধীক বাংলাদেশী শ্রমিক সুনামের সাথে কাজ করছে। প্রতি মাসে হাজার হাজার শ্রমিক বাংলাদেশ থেকে পারি জমাচ্ছে এখানে। কিছু সংখক প্রবাসী মাদক ব্যবসায়ীদে জন্য হারাতে বসেছে অর্জিত সুনাম এবং বন্ধ হয়ে যাবার আশংকা র‍য়েছে বাংলাদেশীদের জন্য লেবাননের শ্রমবাজার।

গতমাসে ইয়াবাসহ লেবাননের গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ধরা পরে নয়জন বাংলাদেশী। যা লেবাননের মিডিয়াতে ঢালাও ভাবে প্রচার হলে বাংলাদেশী শ্রমিকদের বাঁকা চোখে দেখা শুরু করে লেবানীজরা। সন্দেহ বাড়তে থাকে প্রশাসনের।

দূতাবাস সূত্র জানা যায়, আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীদের জবানবন্দি থেকে বেড়িয়ে এসেছ অনেক রাঘব বোয়ালের নাম, যারা বাংলাদেশ থেকে আসা যাত্রীদের মাধ্যমে তাদের অজান্তেই ইয়াবা নিয়ে আসছে। এই দালালরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে সাধারণ শ্রমিকদের অপব্যবহার করে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া প্রবাসীদের বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িতের তথ্য রয়েছে এদেশের গোয়ান্দা বিভাগের কাছে।

হতাশ সাধারণ প্রবাসীরা, ইয়াবা নামক মরণ নেশার মাদক যারা বিক্রি করেন, শুধুমাত্র তাদের জন্য লাঞ্চিত হতে হচ্ছে। তাই মাদকচক্র নির্মূলে বাংলাদেশ দূতাবাস সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী পদক্ষে কামনা করেন সাধারণ প্রবাসীরা।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা ও পূনর্বাসন সুসাইটির যুবকমান্ড লেবানন শাখার সভাপতি সৈয়দ আমীর হোসেন বলেন, ইয়াবা নামক মাদক বাংলাদেশের যুবসমাজ ধ্বংস করেছে, এখন লেবাননের কর্মরত শ্রমিকদের ধ্বংস করতে কতিপয় দালালরা বিভিন্ন উপায়ে বাংলাদেশ থেকে এই মাদকটি আমদানি করছে। এসব দালালদের প্রতিহত করতে তার সংগঠন ইতি মধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসকে অবহিত করেছেন। আগামী দিনে যাতে এর বিস্তার লাভ না করতে পারে সে বিষয়ে বাংলাদেশ রাজনৈতিক অরাজনৈতিক সকল কমিউনিটিকে একসাথে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।

ফিরোজ মিয়া নামক এক প্রবাসী জানান, লেবাননে এই ইয়াবা বিক্রেতারা অনেক শক্তিশালী। তাদের পেছনে রয়েছে বড় বড় দালালদের হাত, সাধারন প্রবাসীরা তাদের কিছু বলতে গেলে বা প্রতিবাদ করতে গেলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী হয়রানীর শিকার হতে হয় সাধারন প্রবাসীদের। এজন্য ভয়ে অনেকে মুখ খুলেনা।

আরেক বাংলাদেশী ইমরান হোসেন জানান, তিনি প্রায় ছয় বছর ধরে লেবানন সুনামের সাথে লেবানন কাজ করে আসছেন। এখন এই ইয়াবার জন্য লেবানীজরা আগের মত বাংলাদেশীদের ভাল ভাবে নেয়না। তারা বলে তোদের বাংলাদেশীরা মাদক বিক্রি করে। দোষী ব্যক্তিটির জন্য বাংলাদেশীদের বদনাম হচ্ছে। দেশেরও সুনাম ক্ষুন্য হচ্ছে।

শুধু পুরুষ কর্মীরাই নয়, মহিলা কর্মীরাও জড়িয়ে পরছে ইয়াবা সেবনে। আবার অনেক মহিলা ইযাবা বিক্রেতাও রয়েছে বলে জানান এক মহিলা শ্রমিক জানান। তিনি জানান কিছু কিছু মহিলারা গোপনে এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

লেবাননে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রা্ষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার জানান, কয়েক অপরাধীদের জন্য লেবানীজদের কাছে সকল প্রবাসীদের বদনাম হচ্ছে। দুতাবাসের কাছে খবর রয়েছে আগের চেয়ে অধীক পরিমান ইয়াবা এখন লেবানন আসছে। যার ফলে খবরটি লেবানীজ প্রশাসনেও ছড়াছড়ি হয়ে যায়, আর লেবাননের গোয়েন্দা বিভাগ গতমাসে কয়েকজন ইয়াবা বিক্রেতাকে হাতেনাতে ধরে তাদের থেকে প্রায় পনের হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে।

তিনি আরো জানান, এদেশের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে আরো বেশকিছু বাংলাদেশী মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে, এদের গডফাদারও রয়েছে। সেই গডফাদাররা এদেশে দালালী ব্যবসা করে। বাংলাদেশ থেকে যে শ্রমিক আনে,সেই সব শ্রমিকদের অজান্তে এদেশে ইয়াবা আনে। এই দালালরা ধরাছোয়ার বাহিরে থেকে সাধারণ শ্রমিকদের অপব্যবহার করে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইয়াবার দরুন প্রবাসীদে ক্ষতির দিকটি তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, শ্রনিকরা অল্প বেতনে কাজ করেন, ইয়াবা সেবনে আশক্ত হয়ে তারা রোজগারের একটি অংশ নষ্ট করছে এবং ইয়াবা সেবনের ফলে শ্রমিকরা দৈহিক এবং মানসিক ভাবে দূর্বল হয়ে পরছে, ফলে অনেকে নিয়মিত তাদের কাজ করতে পারছেনা। অনেকে এজন্য চাকরী হারাচ্ছে, এর জন্য ভোগতে হচ্ছে বাংলাদেশে সেই শ্রমিকের পরিবারটিও।

রাষ্ট্রদূত বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় যে ক্ষতিটা হচ্ছে তা হল হারাতে হতে পারে লেবাননের শ্রমবাজার। কারণ এরাবিয়ানদের মাদকের বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থান, এদেশের সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে কিছুটা হলেও এই খবর পৌঁছেছে। তারা এটা যদি ধরে নেয় যে বাংলাদেশীরা লেবাননে ইয়াবা নামক মাদক আমদানী করছে , তাহলে ভবিষ্যতে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা র‍য়েছে শ্রমবাজারে। এমনকি শ্রমবাজারটা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

রাষ্ট্রদুত বলেন, এই পরিস্থিতি যাতে না হয়, সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস। আর বিভিন্ন সভা সেমিনারের মাধ্যমে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের সাথে ইয়াবা নামক ক্ষতিকারক মাদক সম্পর্কে কথা হচ্ছে, যাতে মাক ব্যবসায়ীরা এই পথ থেকে সড়ে আসেন। সেই সাথে যারা মাদক সেবন করছে, তাদের প্রতি তিনি অনুরুধ জানিয়েছেন, যাতে তারা মাদক আর সেবন না করেন। আর যারা বিক্রি করে তাদের দেশের স্বার্থে এই ব্যবসা না করতে অনুরুধ করেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত মনে করেন, এই ঘৃন্যিত মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে হলে বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশে দূতাবাস এবং বাংলাদেশ কমিউনিটিকে এক সাথে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রদূত ইতিমধ্যে বাংলাদেশে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ইয়াবা পাচারের খবরটি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details