1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : germanbangla24.com : germanbangla24.com
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”শিরীন আলম” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “ফারহা নাজিয়া সামি” বাংলাদেশে হরতাল প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেনঃ উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয় হবে। জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “মিনহাজ দীপন“ সাকিব আল হাসানের বক্তব্যে কঠোর বিসিবি জার্মানবাংলা’র “প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি “কাইয়ুম চৌধুরী”

প্রতারক স্বামীর নির্যাতনের বিচার চাই সবিতা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৩১ মে, ২০১৮
Check for details

রেজাউল করিম বিপ্লব, ময়মনসিংহ থেকে: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সবিতা বেগম নামে এক নারী প্রেমের টানে ধর্মান্তরিত হয়েও স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতারক স্বামীর বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেরাচ্ছে অসহায় সবিতা।
নির্যাতিতা ওই নারীর অভিযোগে প্রকাশ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের আমদপুর গ্রামের হেকমত আলীর পুত্র শহীদুলের সাথে প্রেমের করে ২০১৪ সালে ২ সে জুন ময়মনসিংহের নোটারীপাবলিকে এক এফিডেভিট নং ৩৬৭৮ এর মাধ্যমে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে এফিডেভিটের কথা গোপন রেখে ৫ জুলাই স্বামী শহিদুল ইসলাম সবিতার পিতা ও মাতার নাম পরিবর্তন করে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকার কাবিন নামার স্থলে মাত্র ৪০ হাজার টাকার কাবিননামা সৃজন করে শফিপুরে কাজী অফিসে। সবিতা গাজিপুরে একটি পোশাক কারখানায় চাকুরি করতো । এ সুবাধে শহিদুল্লা ইসলামের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। নানা প্রলোভনে শহিদুলার তাকে ধর্মান্তর করে বিয়ে করে। সবিতার গ্রামের বাড়ি পাবনা জেলার আটগড়ীয়া উপজেলার বাদুরি পাড়া গ্রামে শ্রীরাম দাসের কন্যা শীমতি সবিতা রানী দাস। বিয়ের পর স্বামী নানা কোট কৌশলে প্রতারনার মাঝে সবিতা চাকুরির বেতনের সমুদয় অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পর তার উপর শুরু করে শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন। গত ৩ মাস পূর্বে সবিতাকে মারধর করে গাজীপুরের বাসা থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে বাসায় ফেরেনি শহীদুল। সবিতা তার স্বামীকে বহু খোঁজা খোঁজির পর জানতে পায় সে তার গ্রামের বাড়ি ঈশ্বরগঞ্জে রয়েছে। পরে সবিতা ঈশ^রগঞ্জে স্বামীর বাড়ি এসে জানতে পারে তার স্বামী তার অনুমতি ছাড়াই গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের তেরশিরা গ্রামের রফিক মিয়ার কন্যা ইয়াসমিনকে ২য় বিয়ে করে। অভিযোগ করে জানান, তার বিয়ের সাড়ে ১২ লাখ টাকার কাবিন নামার স্থলে প্রতারনার মাঝে ৪০ হাজার টাকা কাবিন নামায় লিপিবন্ধ করেছে। সে ধর্মন্তরিত হলেও বাবার নাম শ্রীরাম দাসের স্থলে কাবিন নামায় শাহজাহান লিপিবদ্ধ করে। এসব প্রতারণার বিষয় জানতে পেরে সবিতা তার স্বামীকে জিজ্ঞাসা করায় সে ক্ষুদ্ধ হয়ে মারধর করে বাড়ি থেকে তারিয়ে দেয়। পরে সে ওই এলাকার মঞ্জুর হক নামে ধর্মপিতার বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে গ্রামের মাতাব্বর, ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানের কাছে বিচার প্রর্থনা করেও এর কোন প্রতিকার না পেয়ে। সবিতার বিয়ের পর স্বামী নানা কূট কৌশলে প্রতারণার মাঝে সবিতার কাছ থেকে ৬ লক্ষ টাকা এবং তার স্বর্ণের গয়না বিক্রি করে ৩ লক্ষ টাকা নিজ বাড়িতে ঘর তৈরি ও জমি ক্রয়ের কথা বলে আনে। এর পর সবিতার উপর শুরু করে শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন। গত দুই মাস পূর্বে শহীদুল সবিতাকে মার ধর করে গাজিপুর থেকে চলে আসে। সবিতা স্বামীকে খোঁজা খোঁজির পর জানতে পারেন তার স্বামী ঈশ্বরগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে। পরে সবিতা ঈশ্বরগঞ্জে স্বামীর বাড়ি এসে দেখতে পান স্বামী তার অনুমতি ছাড়াই গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের তেরশিরা গ্রামের রফিক মিয়ার কন্যা ইয়াসমিনকে ২য় বিয়ে করেছে। এ নিয়ে সবিতা আপত্তি করলে স্বামী ও স্বামীর বাড়ির লোকজন সবিতাকে বেধরক মারধর করলে সবিতা গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকে। বুধবার ৩০ মে সরেজমিনে গিয়ে সবিতার বেগমের সাথে কথা হলে সে কান্নায় ভেঙ্গে পরে বলেন ধর্মান্তরিত হয়েও আজ আমি অসহায় সুখের আশায় ঘর বেধে ছিলাম কিন্তু প্রতারক স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে আজ আমি মানুষের দারে দারে ঘুরছি। নেই আমার কোন ঠিকানা। সব কিছু হারিয়ে অবশেষে সে ময়মনসিংহের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। শহীদুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কথা না রাখায় তাকে তালাক দিয়েছি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details