1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব সখীপুরে ‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

পেটে ভরে ইয়াবা পাচার

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৬ মার্চ, ২০১৮
Check for details

ঢাকা: ছোট ছোট ইয়াবা স্কচটেপ দিয়ে পেঁচিয়ে বানানো হয় ক্যাপসুল। এরপর তা পাকা কলার সাহায্যে পেটে ঢোকানো হয়। নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর পর পেটে চাপ প্রয়োগ করে বা প্রাকৃতিক কাজের মাধ্যমে বের করে আনা হয়। এভাবে মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন কক্সবাজার থেকে বাহকের মাধ্যমে ঢাকায় চলে আসছে মরণনেশা ইয়াবা।

পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, একজন বাহক সর্বোচ্চ তিন হাজার ইয়াবা পেটে বহন করতে পারেন। টাকার বিনিময়ে এই কাজ করছেন দরিদ্র নারী-পুরুষরা। এরপর তাঁদের কাছ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকার চক্র। সম্প্রতি এমনি একটি চক্রের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদক নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর।

রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকার দুটি বাড়ি থেকে ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন-রাজধানী কদমতলীর মুরাদপুর এলাকার মো. জুলহাস তালুকদার (৪৫) ও শেখ মো. নজরুল ইসলাম (৪০)।

মাদক নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তরের খিলগাঁও সার্কেলের পরিদর্শক সুমনুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মুরাদপুর এলাকার জুলহাস তালুকদারের বাসা থেকে পাঁচ হাজার এবং নজরুল ইসলামের বাসা থেকে ১৪ হাজার ১০০ ইয়াবাসহ ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করি। এরা ইয়াবা ব্যবসায়ী।’

সুমনুর রহমান বলেন, এই চক্র ১৫-২০ জনের মাধ্যমে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ইয়াবা আনে। প্রথমে কয়েকটি ইয়াবা একত্র করে স্কচটেপ দিয়ে পেঁচানো হয়। এতে এটি একটি বড় ক্যাপসুলের মতো হয়। তারপর সেই ক্যাপসুল পাকা কলা ব্যবহার করে বহনকারী গিলে পেটে ঢুকিয়ে নেন। বহনকারীরা সবাই গরিব নারী-পুরুষ। এঁদের কাউকেই গ্রেপ্তার করা যায়নি।

সুমনুর রহমান আরো বলেন, একজন একবারে সর্বোচ্চ আড়াই থেকে তিন হাজার ইয়াবা পেটে করে নিয়ে আসেন। এভাবে নিয়ে আসা খুব বিপজ্জনক। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ইয়াবা বের করতে না পারলে মৃত্যুও হতে পারে বহনকারীদের।

সুমনুর রহমান বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়া দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে মুরাদপুরের লোকজন সিলভারের হাঁড়ি-পাতিলের ব্যবসায়ী হিসেবেই চেনেন। তবে আমরা অনুসন্ধান করে দেখেছি, তাঁরা এই ব্যবসার আড়ালেই তিন বছর ধরে ইয়াবার ব্যবসা করে আসছেন।’ গ্রেপ্তার দুজনকে খিলগাঁও থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রক আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন সুমনুর রহমান।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details