1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : germanbangla24.com : germanbangla24.com
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মান আওয়ামী লীগের আয়োজনে “স্বপ্নের পদ্মা সেতু ও শেখহাসিনা শীর্ষক আলোচনা সভা” মালয়েশিয়ায় সরকারের কড়া বিধিনিষেধের মাঝেও দূতাবাসের পাসপোর্ট বিতরন জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি শিল্পী “ইয়াসমিন লাবণ্য” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি শিল্পী আশিকুর রহমান দ্বিতীয় মেয়াদের লকডাউন জারি করলো জার্মানি বাগেরহাটে দেড়কেজি গাজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুল কাদেরের মৃত্যু সুষ্ঠ ধারার রাজনীতি চায় লেবানন আ’লীগের শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ জার্মানবাংলা২৪ ডটকম ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’তে এবার আসছেন কণ্ঠশিল্পী মৌমিতা হক সেঁজুতি প্রখ্যাত নাট্যকার মান্নান হীরা মারা গেছেন

পুরুষ নির্যাতনের বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়াতে হবে

ফাতেমা রহমান রুমা
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
Check for details

বলা হয়ে থাকে পুরুষশাসিত এ বিশ্বে স্বামী কর্তৃক নারীরা বেশি নির্যাতিত হচ্ছেন। তবে জগৎ সংসারে কী শুধুই নারী তাদের স্বামীর দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছেন? পুরুষ কী নারীর দ্বারা নির্যাতিত হন না? তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, নারী-পুরুষ সমান অধিকারের দাবিদার নারী কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে। অধিকারের দোহাই তুলে পুরুষের নাকের ডগায় রশি লাগিয়ে টানতেও বেশ পটু আমাদের বাঙালি সমাজের কিছু কিছু নারী। স্বামীকে তারা কেনা গোলাম বানিয়ে নানা অজুহাতে সমাজের অন্তরালে করে থাকেন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। এক্ষেত্রে নির্যাতিত পুরুষরা লজ্জায় মুখ খোলেন না। জানাজানি হলে সম্মান নষ্ট হবে, পুরুষের দুর্বলতা প্রকাশ পাবে। চক্ষুলজ্জা আর পরিবার-পরিজনের কথা চিন্তা করে দিনের পর দিন স্ত্রীদের এসব নির্যাতন-নিপীড়ন আর হুমকি-ধমকি নীরবে সহ্য করে যান পুরুষ। স্ত্রীদের যন্ত্রণায় নীরবে বাংলাদেশের অনেক পুরুষ কাঁদেন। লোকচক্ষুর আড়ালে গিয়ে চোখ মোছেন; কিন্তু দেখার কেউ নেই। বলারও উপায় নেই। এমন চিত্র বাংলাদেশে অবরহ।

তবে ইউরোপের উন্নত দেশ জার্মানিতে কি দেখছি আমরা, ‘প্রবাসী বাঙালি পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব ও পারিবারিক কলহ থেকে স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদ বা ডির্ভোসকে পুরুষের বিরুদ্ধে নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। পুরুষের দুর্বল পয়েন্টগুলো কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণির নারী তাদের স্বামীদের ওপর শারীরিক, মানসিক নির্যাতন ও আর্থিক ক্ষতি করে উচ্চাবিলাসী জীবন-যাপনের খোঁজে পরকীয়ায় জড়িয়ে ভেঙে দিচ্ছেন তাদের দীর্ঘদিনের সংসার। ডির্ভোস দিয়ে প্রাক্তন স্বামীদের সর্বস্ব হাতিয়ে নিয়ে সামাজিকভাবে তাদের হেয়প্রতিপন্ন করে থাকেন ওইসব নারী।

এমন বেশ কয়েকটি ঘটনা সম্পর্কে জার্মানিতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুসন্ধানে ভুক্তভোগী প্রবাসী পুরুষদের অভিযোগে নারী কর্তৃক পুরুষ নির্যাতনের সত্যতা মিলেছে। বিষয়টি দুঃখজনক হলেও সত্য, ইউরোপের মতে দেশে বসবাস করেও ওইসব নারী তাদের মানসিক-মননের উন্নতি করতে পারেননি। বিবাহিত পুরুষদের কঠোর জবাহিতায় রাখা হয়, বিবাহিত পুরুষদের পিতা-মাতা, ভাই-বোন, নিকটাত্মীয়র পেছনে কোনো অর্থ খরচ করতে দিতে চান না তারা। শুধু নিজের পছন্দের জায়গায় খরচ করতে বেশি আগ্রহী। এই নিয়ে জার্মান প্রবাসী বাঙালি নারী-পুরুষের মধ্যে দ্বন্দ্ব দিন দিন বাড়ছে। স্বামী-স্ত্রীর ওই দ্বন্দ্ব থেকে এক শ্রেণির নারী উচ্চাবিলাসী জীবন লাভের আশায় পরকীয়ায় জড়িয়ে ভেঙে দিচ্ছেন তাদের সংসার। স্বামীকে নিঃস্ব করে চলে যাচ্ছেন অন্যত্র একজনের আশ্রয়ে। এরপর ওই স্বামীকে সামাজিকভাবে তার মানসম্মান বিনষ্টে শুরু করেন নোংরামি খেলায়। হামলা, মামলা, স্বামীদের ঘর থেকে বের করে দেয়া এবং সন্তানদের জিম্মি করে আর্থিক সুবিধা আদায় করাসহ নানা অভিযোগ।

জার্মানিতে নারী-পুরুষের সমান অধিকার বিদ্যমান; বাংলাদেশি কতিপয় প্রবাসী বাঙালি নারী এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে তাদের স্বামীদের নানামুখী নির্যাতন করেন। যে বিষয়টি একজন বিবেকমান ও আত্মমর্যাদাশীল নারী হিসেবে করার কথা নয়। বরং তারা এক্ষেত্রে মানসিক দৈন্যতার পরিচয় দিচ্ছেন। অথচ জার্মানিতে নারী-পুরুষ ডির্ভোস হয়ে গেলেও তারা একজন আরেকজন সম্মান করেন। অনেক সময় বন্ধুর মতোই চলাফেরা করেন। ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নতির লক্ষে একসাথে সহযোগিতামূলক কাজ করেন। আর এ সবই উল্টো আমাদের প্রবাসী বাঙালি নারীদের ক্ষেত্রে। দীর্ঘ সংসারের পরও যদি ডির্ভোস হয়ে যায়, তখন স্বামীকে তারা চির শত্রু হিসেবে বিবেচনা করেন। তার যেকোনো ক্ষতি করতে সদাতৎপর থাকেন।

সত্যি বলতে ওইসব অর্থলোভী নারীরা শুদ্ধ সমাজ থেকে শিক্ষা নিতে চান না। উন্নত দেশে বসবাস করেও নোংরামিই যেন তাদের পছন্দ। আর যে কারণে অনেক পুরুষ প্রবাসী উন্নত জীবনলাভের পরও নানাভাবে নির্যাতিত হয়ে যাচ্ছেন। পুরুষ নির্যাতনের যে চিত্র বাংলাদেশে দীর্ঘকাল থেকে নীরবে বহমান।

সমাজবিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা যায়, বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের যেসব মামলা করা হয়, তার ৮০ শতাংশ মামলাই মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয় আইন-আদালতে। কারণ যৌতুক, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হলেও এর আড়ালে থাকে অন্য ধরনের বিরোধ। নারী ও শিশুদের নির্যাতন থেকে রক্ষা করার লক্ষে এ আইন প্রণীত হলেও বর্তমানে প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার হাতিয়ার হিসেবেই এর বহুল ব্যবহার। এছাড়া সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, নৈতিক স্খলন, লোভ-লালসা, উচ্চাবিলাসিতা, পরকীয়া, মাদকাসক্তি, অর্থনৈতিক বৈষম্য, বিশ্বায়নের ক্ষতিকর প্রভাব, অবাধ আকাশ সাংস্কৃতিক প্রবাহসহ নানা কারণেই এমনটা ঘটছে। যার চরম পরিণতি হচ্ছে সংসারের ভাঙন ও নির্যাতন। পারিবারিক অশান্তি ও সংসার ভাঙনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নারী-পুরুষ উভয়ই।

উপসংহার : প্রকৃত অর্থে একটি শুদ্ধ পারিবারিক সমাজ বিনির্মাণে নারী-পুরুষ উভয়কে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গায় অটুট থাকতে হবে। স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে সম্মানের চোখে দেখে প্রকৃত মানুষ হিসেবে নিজেদের সম্মান ধরে রাখতে হবে। পাশাপাশি সবাইকে মুখ খুলতে হবে যেকোনও ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন ও হয়রানির বিরুদ্ধে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details