1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
পদ্মায় ফেরিডুবি :পাটুরিয়ায় ডুবে গেছে শাহ আমানত ফেরি জার্মানিতে বিএনপি’র কর্মীসভা ‘বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার’ : এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ

নোয়াখালীতে ইভটিজিংয়ের শিকার মেধাবী ছাত্রীর পড়ালেখা বন্ধ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৫ জুলাই, ২০১৮
Check for details

আসাদুজ্জামান চৌধুরী কাজল, নোয়াখালী প্রতিনিধি : সম্পত্তি ও পারিবারিক বিরোধের জের শেষ পর্যন্ত গড়ালো ইভটিজিং পর্যন্ত। আর এতে নিত্যদিন স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে বখাটেরদের ইভটিজিংয়ের শিকার হয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মেধাবী ছাত্রী ফাহমিদা কবিরের পড়ালেখা বাধাগ্রস্থ হয়ে বন্ধ হওয়ার পথে।

ইউনিয়নের স্থানীয় কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী ও সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকারকারী ফাহমিদা কবির বর্তমানে বখাটেদের উৎপাতে নিরাপত্তাহীনতায় স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

পরিবারের লোকজন ও কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আশংকা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরালো ভূমিকা না নেওয়ায় বখাটেদের ইভটিজিংয়ের শিকার হয়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে জেলার সেরা মেধাবী ছাত্রী ফাহমিদা কবিরের পড়াখেলা।

স্থানীয় একাধিক এলাকাবাসীও জানান, পিন্টু ভূঁইয়া ও তার সহযোগীরা মাদকসেবী ও জুয়াড়ী। তারা রাতে মাদক সেবন করে ও জুয়া খেলে। আর দিনে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীদের উত্যক্ত করে। তাদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে এলাকার অনেক মেয়ের লেখাপড়া বন্ধ করে বিয়ে দিয়ে দিতে হয়েছে।

ফাহমিদা কবির এ সাংবাদিকদে কান্নাজড়িত কন্ঠে জানায়, আমার বাবা ও তার চাচাতো ভাইয়ের পারিবারিক বিরোধের কারণে আজ আমি রোষানলের শিকার। আমার বাড়ি সম্পর্কিত চাচা পিন্টু ভূঁইয়া তার বখাটে সহযোগীদের দিয়ে নিত্যদিন আমাকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্যক্ত করে আসছে। এতে আমি চরম মানসিক যন্ত্রণা শিকার হচ্ছি এবং নিরাপত্তাহীনতায় স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।

আমি চাই স্বাভাবিক পরিবেশে শিক্ষা অর্জন করে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশের সেবা করতে। কিন্তু আজ আমার পড়ালেখা বন্ধ হওয়ার পথে। আমি চাই প্রশাসনের লোকজন আইনের মাধ্যমে সন্ত্রাসী ও বখাটেদের বিচার করে আমার পড়ালেখার পথকে সুগম করবে।

ফাহমিদা কবিরের বাবা হুমায়ূন কবির ভূঁইয়া অভিযোগ করে জানান, আমার চাচা ছিদ্দিক আহম্মদ ভূঁইয়া ও তার ছেলে ইসমাইল হোসেন পিন্টু প্রকাশ পিন্টু ভূঁইয়া উভয়ের মধ্যে জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো।

একপর্যায়ে ছেলে পিন্টু তার বাবা ছিদ্দিক ভূঁইয়াকে গালমন্দ করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এতে একই বাড়ি লোক হওয়ার আমরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। পরে ছিদ্দিক ভূঁইয়া ছেলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে ভ্রাম্যমান আদালতে পিন্টু ভূঁইয়া ৬ মাসের কারাদন্ড হয়।

জেল থেকে বের হয়ে পিন্টু ভূঁইয়া তার কারাদন্ডে আমার ও আমার মেয়ে জামাই খালেদ মাহমুদ দিদারের ইন্ধন আছে অভিযোগ করে আমাদের ক্ষিপ্ত হয়। এরপর সে ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী আমার পারিবারিক সম্পত্তি জবর-দখল করতে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলো বাড়ি থেকে চলে যেতে। না হয় সে আমার পরিবারের লোকজনকে হত্যা করবে। এরমধ্যে গত ১৩ জুলাই শুক্রবার আমার মেয়ে ও জামাই খালেদ মাহমুদ দিদার ছুটিতে বাড়িতে বেড়াতে আসে। বিকেলে দিদার বাড়ির পাশর্^বর্তী দোকান থেকে ফিরার পথে পূর্ব থেকে ওঁৎপেতে থাকা পিন্টু ভূঁইয়া ও তার সহযোগী ২০-২৫ জনের একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে দিদারের উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে। একপর্যায়ে দিদারের চিৎকারের স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে দিদারকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে পিন্টু ভূঁইয়া সহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ২৩ জনের বিরুদ্ধে সোনাইমুড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করি। এতে পিন্টু ভূঁইয়া আরো ক্ষিপ্ত হয়ে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে আমার ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়েকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্যক্ত করে আসছে। এতে আমরা নিরাপত্তাহীনতা মেয়ের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। এ বিষয়ে আমি জেলা পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরীফকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানালে তিনি তাৎক্ষণিক সোনাইমুড়ি থানার ওসি নাসিম উদ্দিনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো অপরাধী ধরা পড়েনি। উল্টো আসামীরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমাদের হুমকি দিয়ে আসছে মামলা প্রত্যাহার করতে।

সোনাইমুড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম উদ্দিন জানান, হামলার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত খালেদ মাহমুদ দিদারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই আসামীরা পলাতক রয়েছে। তবে তাদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে, ইভটিজিংয়ের অভিযোগ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে এ বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details