1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব

নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুখবর দিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ মে, ২০১৯
Check for details

 

শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, টাকা পেলেই জুনের মধ্যে ঘোষণা হবে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম।

দুই হাজার সাতশ বাষট্টিটি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়েছে। নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুখবর দিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর এগুলো বাস্তবায়ন করতে এক হাজার দুইশ সাতচল্লিশ কোটি টাকা দরকার, যা চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি লিখেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো শিক্ষা মন্তণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, নীতিমালা অনুযায়ী নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য চারটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে আবেদন নেওয়া হয়। এই মানদণ্ডগুলো হলো প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতি, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পরীক্ষায় পাসের হার। প্রতিটি মানদণ্ডের জন্য ২৫ নম্বর রাখা হয়। এতে মোট ৯ হাজার ৬১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। যাচাইয়ের এমপিও নীতিমালা সব শর্ত পূরণ করে যোগ্য প্রতিষ্ঠান হয়েছে ২ হাজার ৭৬২। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে স্কুল ও কলেজ, ১ হাজার ৬২৯টি। কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের অধীন মাদরাসা ৫৫১টি এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠান ৫৮২টি। এগুলোর জন্য লাগবে মোট ১ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য লাগবে প্রায় ৭২৮ কোটি টাকা। বাকি টাকা লাগবে কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠানের জন্য।

এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতি মাসে বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি অংশ (মূল বেতন ও কিছু ভাতা) পেয়ে থাকেন। এ জন্য বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সব সময় এমপিওভুক্তির জন্য সরকারের কাছে মুখাপেক্ষী হয়। বর্তমানে সারাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে প্রায় ২৮ হাজার। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী আছেন প্রায় ৫ লাখ। এর বাইরে স্বীকৃতি পাওয়া ননএমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে সাড়ে ৫ হাজারের মতো। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী ৭৫ থেকে ৮০ হাজার। স্বীকৃতি পায়নি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও আছে আরো কয়েক হাজার। সব মিলিয়ে সাড়ে ৯ হাজার বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও মাদরাসা এমপিওপ্রত্যাশী।

সর্বশেষ ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। এরপর থেকে এমপিওভুক্তির দাবিতে ননএমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনের মুখে গত বছরের জুলাইয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এমপিওভুক্তির জন্য বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবলকাঠামো ও এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন নেওয়া হয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details