1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব সখীপুরে ‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

নদী ভাঙ্গনের আতঙ্কে তাড়াইল উপজেলার মাখন পাড়া

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৮
Check for details

এ.এম. উবায়েদ কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা সদর বাজারের পূর্ব পাশের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত মাখনা পাড়াটি। গত দু’দিন ধরে অজানা কারণে ক্রমান্বয়ে নরসুন্দা নদীর বুকে বিলীন হতে চলেছে এই পাড়ার শতাধিক পরিবারের বসতভিটা। সনাতন ধর্মের মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা জেলে সম্প্রদায়ের মানুষজন নিয়ে নরসুন্দা নদীর তীর ঘেষে গড়ে উঠেছে মাখনা পাড়াটি। সমস্ত পাড়া জুড়েই এখন নদী ভাঙ্গনের আতঙ্ক। শত শত মানুষ ভাঙ্গন দেখতে ভীড় জমাতে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সেখানে গিয়ে অসহায় লোকজনের সঙ্গে কথা হয়। জানালেন তারা ভাঙ্গনের কথা। ভাঙ্গনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার গল্প। নরসুন্দা নদীর তীরে পূর্ব পুরুষ থেকে বসবাস করে আসা রাম কৃষ্ণ বর্মন (৫০), গোপাল বর্মন (৪৮), বকুল বর্মন (৪২), অষ্ট বর্মন (৩২), সজল বর্মন (৪০)। ভাঙ্গনের মুখেই রয়েছে তাদের ঘরবাড়ি। নরসুন্দার প্রবল স্রোতের কথা চিন্তা করেই সমতল থেকে ১২ থেকে ১৪ ফুট উঁচুতে বাড়ির ভিটে বাঁধেন তারা। তার আরো ওপরে তৈরি করেন তাদের বসতঘর।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছোট্র একটি পাড়ার নাম মাখনা পাড়া। শতাধিক পরিবারের বসবাস। এখন এ পাড়ার অধিকাংশ ঘরবাড়িই ক্রমান্বয়ে বিলীন হওয়ার পথে। রাত-দিন তাদের আতঙ্ক এখন নরসুন্দার ভাঙ্গন। ভাঙ্গনের কবল থেকে বাড়িঘর রক্ষায় তাদেরকে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হচ্ছে। মাখনা পাড়ার লোকজন কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, নরসুন্দার ভাঙ্গনের কবল থেকে মনে হয় বাপ-দাদার ভিটাটুকু আর রক্ষা করা সম্ভব হবে না। ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার জন্য এসব মানুষ বাঁশ দিয়ে বাড়িঘর রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আরো দেখা যায়, ওই পাড়ায় রয়েছে রাধা গোবিন্দ মন্দির। উপজেলার একমাত্র অষ্টমী স্নান ঘাটটিসহ শশ্মানটিও নরসুন্দার ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ার উপক্রম।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুন নাহারের কাছে বিষয়টির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বৃহস্পতিবার দুপুরে মাখনা পাড়ার ভাঙ্গনের বিষয়টি জানতে পারলে সরেজমিনে গিয়ে দেখে এসেছি। বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেছি এবং তাদের শান্তনা দিয়ে এসেছি। প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দ্রুত সময়ের মধ্যে জানানোর প্রতিশ্রুতির কথা জানান তিনি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details