1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব সখীপুরে ‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন নাইজেরিয়ায় ইসলামিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২০০ শিশুকে অপহরণ ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সাতক্ষীরার উপকুলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি লেবানন আ’লীগের সম্মেলন: সভাপতি বাবুল মিয়া, সম্পাদক তপন ভৌমিক সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা ও মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় জামালপুর প্রেসক্লাবের প্রতিবাদ সখীপুর এস.পি.ইউ.এফ’র ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন লেবাননে প্রবাসী অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিল বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : অ্যাটর্নি জেনারেল করোনা : ভারতে শনাক্ত ২ কোটি ছাড়াল

ধান ক্ষেতে পোকা দমনে ‘আলোক ফাঁদ’: সুফল পাচ্ছেন কৃষক

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৮
Check for details

মশিউর রহমান কাউসার, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: বাংলাদেশে ফসলের মাঠে কীটপতঙ্গ শনাক্তকরণ, পর্যবেক্ষণ, দমন বিষমুক্ত ফসল উৎপাদনের জন্য একটি পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি হচ্ছে ‘আলোক ফাঁদ’। ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা কৃষি অফিসের অনুপ্রেরণায় বিষমুক্ত ফসল উৎপাদনে এ পদ্ধতি ব্যবহারে স্থানীয় কৃষকরা দিন দিন আগ্রহী হয়ে ওঠছেন।

বুধবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আলোক ফাঁদ স্থাপনকালে কথা হয় এ উপজেলার সহনাটি ব্লকের উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা জাকিয়া জেসমিনের সাথে। তিনি বলেন, আলোক ফাঁদ প্রযুক্তিটি হচ্ছে, রাতের বেলাতে ফসলের মাঠে বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালিয়ে তার নিচে পাত্র রাখা হয়। ওই পাত্রের মধ্যে ডিটারজেন্ট বা কেরোসিন মিশ্রিত পানি থাকে। এসময় আকৃষ্ট হয়ে পোকামাকড় আলোর কাছে আসে এবং পাত্রের পানির মধ্যে পড়ে মারা যায়। ওই পোকামাকড়গুলোর মাঝে ফসলের জন্য ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা সনাক্তকরন পূর্বক এ বিষয়ে কৃষকের ধারনা দেয়া হয়ে থাকে।

উপজেলা কৃষি অফিসার লুৎফুন্নাহার জানান, কৃষকদের এ পদ্ধতি ব্যবহারে আগ্রহী করতে ময়মনসিংহ অঞ্চলে বুধবার একযোগে ১ হাজার ৮৪টি ব্লকে একযোগে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। এ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গৌরীপুর উপজেলায় ৩১টি ব্লকে একযোগে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়।

আলোক ফাঁদ সম্পর্কে তিনি বলেন, ধানগাছে পোকামাকড়ের আক্রমণ স্বাভাবিক হলেও ফলনের জন্য তা খুবই ক্ষতিকর। ধানগাছে বাদামি ঘাসফড়িং, সবুজ ঘাসফড়িং, পাতা মোড়ানো পোকা, গান্ধী পোকা, মাজরা পোকাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকা আক্রমণ করে। এর মধ্যে বাদামি ঘাসফড়িং বা কারেন্ট পোকা সবচেয়ে ক্ষতিকর। এ পোকা যে গাছে আক্রমণ করে, সেই গাছের শীষ সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে ফলন কমে যায়। সাধারণত ধানে কাইচ থোড় আসার আগে এসব পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দেয়। আমাদের দেশে এসব পোকামাকড় মারার জন্য কৃষকেরা সাধারণত বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহার করেন। ধান চাষে কীটনাশক ব্যবহার করে কৃষকেরা কোনো সুবিধা পান না। এতে উৎপাদন তো বাড়েই না, বরং উৎপাদন ব্যয় বাড়ে, আর এর পাশাপাশি পরিবেশও দূষিত হয়।

এ ক্ষেত্রে আলোক ফাঁদ প্রযুক্তি ভালো কাজ করে থাকে। এতে কৃষকরে খরচ কম হয় এবং পরিবেশবান্ধবও বটে। দেড় বিঘা জমির জন্য একটি আলোক ফাঁদ রাখলেই কাজ হবে। এটি নিয়মিত পরিস্কার করতে হয়না। ৭/৮ দিন পর পানি পরিবর্তন করে মৃত পোকাগুলো ফেলে দিতে হবে। আলোক ফাঁদ ব্যবহারে কৃষকরা নিজেই ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি দেখে ধানগাছে আক্রমণের আগেই কোনে প্রকার ক্ষতিকর কীটনাশক প্রয়োগ না করেই তা সহজে দমন করতে পারবেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details