1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
গাজীপুরে লকডাউন অমান্য করে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দরিদ্র কর্মহীন ৩’শ পরিবারের মাঝে নৌবাহিনীর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পৃথক পৃথক জায়গায় করোনার উপসর্গ নিয়ে আরো ৯ জনের মৃত্যু করোনার ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম: তিন সাংবাদিক লাঞ্ছিত ঈশ্বরগঞ্জে খেলা নিয়ে সংঘর্ষ : আহত ৫ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তত্ত্বাবধানে সাতক্ষীরায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করোনা রুখতে সুবর্ণচরে যুবদল-ছাত্রদলের জরুরী পণ্য বিতরণ ও মাইকিং মালয়েশিয়ায় অসহায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য (বিএসইউএম) জরুরি তহবিল সংগ্রহ শৈলকুপায় সহস্রাধিক দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ চলমান যুদ্ধে সাধারণ জনগণের পাশে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার




ধানমণ্ডির কার্যালয়ে ওবায়দুল কাদের ও বাহাউদ্দিন নাছিমের বাগবিতণ্ডা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২০
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে
Check for details

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে কর্মীদের প্রবেশ নিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের বাকবিতণ্ডা হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর জন্য নির্ধারিত কক্ষে ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের সাবেক নেতাদের নিয়ে বসাকে কেন্দ্র করে তারা বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন বলে জানিয়েছেন সেখানে উপস্থিত একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘এটা বড় কোনো ঘটনা নয়, একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে।’

কার্যালয়ে উপস্থিত আওয়ামী লীগ সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, কার্যালয়ের ভেতরে কর্মীদের প্রবেশে একটি অলিখিত নিষেধাজ্ঞা রয়েছে দলের সাধারণ সম্পাদকের। ফলে কর্মীদের কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশে ভীতি কাজ করে। তবে নাছিম সাহেবসহ আমরা মনে করেছিলাম আজকে ওবায়দুল কাদের পার্টি অফিসে আসবেন না। সে ধারণা থেকে সাবেক ছাত্রনেতা আতাউর রহমান আতা, পাবনার আরিফসহ আরও কয়েকজন ছাত্রনেতাকে নিয়ে কথা বলছিলেন নাছিমসহ কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা। এরই মধ্যে দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন ওবায়দুল কাদের। ঢুকেই তিনি সরাসরি সম্পাদকমণ্ডলীর ওই কক্ষে যান এবং উচ্চস্বরে বসে থাকা সাবেক নেতাদের বলেন, ‘তোমরা কারা? এখানে কেন ঢুকেছ?’

তিনি আরও বলেন, “এরপর কেন্দ্রীয় নেতাদের দিকে আঙুল উঁচিয়ে ধমক দেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, ‘আমি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আমার নির্দেশ তোমরা মান না।’

জবাবে নাছিম বলেন, ‘আমিও দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। আমারও কর্মীদের নিয়ে বসে কথা বলার রাইট আছে। তাছাড়া যাদের নিয়ে বসেছি তারা সবাই দলের, কেউ রাস্তার লোক নয়।’ এ ধরনের বাক্য বিনিময়ে কার্যালয়ের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

নাছিম আরও বলেন, ‘দলীয় কার্যালয় কারও বাপের সম্পত্তি নয়, এটা সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়। এখানে কর্মীরা আসবেই নেতাদের কাছে, বসবে, কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক।’

সাধারণ সম্পাদককে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আপনার জন্য থাকা নির্ধারিত কক্ষে তো আমরা বসিনি।’ জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি দেখে নেব। নেত্রীকে (শেখ হাসিনা) জানাব।’

জবাবে নাছিম বলেন, ‘জানান। নেত্রীও কারও একার নয়, তিনি সবার।’ এ ধরনের বাহাস প্রায় আধা ঘণ্টা চলে। পরে ওবায়দুল কাদের বের হয়ে যান। এ পরিস্থিতি তৈরি হলে কার্যালয়ে থাকা নেতাকর্মীরা ছোটাছুটি করে যে যার মতো বেরিয়ে যান।

আওয়ামী লীগ সম্পাদকমণ্ডলীর আরেক সদস্য বলেন, ‘কার্যালয়ে প্রবেশের অলিখিত বিধিনিষেধের কারণে অনেকেই আসেন না এখানে। যারা আসেন বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন। নেতারা কার্যালয় থেকে বেরিয়ে গেলে কর্মীরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নেন।’তিনি আরও বলেন, ‘অলিখিত এই বিধিনিষেধ উঠিয়ে দেওয়া উচিত।’

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details