1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
লেবাননে প্রবাসী অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিল বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : অ্যাটর্নি জেনারেল করোনা : ভারতে শনাক্ত ২ কোটি ছাড়াল করোনা : বিধিনিষেধ আবারও বাড়ল, চলবে না দূরপাল্লার বাস অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফয়সাল ও সম্পাদক ফারুক মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”শিরীন আলম”

দেশ অনেক আগেই উন্নত হতো বঙ্গবন্ধু আরেকটু সময় পেলে

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৮
Check for details

স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন দেশ গড়ার জন্য। তিনি যদি আরেকটু সময় পেতেন, তবে বাংলাদেশ বহু আগেই উন্নত দেশে পরিণত হতে পারতো বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (১৭ মার্চ) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে আয়োজিত শিশু সমাবেশে তিনি বক্তৃতা করছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ৯৮তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় জাতির জনকের আন্দোলন-সংগ্রাম-ত্যাগ-তিতীক্ষার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে স্বাধীন করার পর জাতির জনক যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলায় মনোনিবেশ করেন। তিনি চেয়েছিলেন উন্নত-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। ‘কিন্তু মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন তিনি। আরেকটু সময় পেলে এই বাংলাদেশ বহু আগেই উন্নত দেশে পরিণত হতে পারতো। কিন্তু তাকে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। পঁচাত্তরের সেই কালরাতে তাকে সপরিবারে হত্যা করে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হয়।’

ওই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের সময় প্রধানমন্ত্রী তার বোন শেখ রেহানাসহ বিদেশে ছিলেন বিধায় বেঁচে গেছেন জানিয়ে বলেন, শরণার্থী হিসেবে ছয়টি বছর কেটেছিল আমাদের দুই বোনের। এরপরও আমরা দেশে ফিরে বাবার আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ শুরু করি।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরের পর ২১ বছর আমরা ক্ষতায় আসতে পারিনি। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর বিভিন্ন পদক্ষেপ নিই দেশকে এগিয়ে নিতে। ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ দেশে একটি শিশুও পথশিশু থাকবে না। প্রতিটি শিশু লেখাপড়া করবে। সুন্দর জীবন পাবে। মাথা উঁচু করে চলবে।

‘উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ। আজকেই খবর পেয়েছি। জাতির জনকের জন্মদিনে এতো বড় স্বীকৃতি জাতির জন্য অনেক বিশাল অর্জন। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানাই।’

প্রধানমন্ত্রী দেশ ও জনগণের কল্যাণে এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে তার সরকারের নানা উন্নয়ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
তিনি অভিভাবকসহ সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আপনারা প্রত্যেকে নিজের শিশু সন্তানের প্রতি বিশেষ নজর দেবেন। শিশুটি যেন মাদক এবং সন্ত্রাসে জড়িত না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি এগিয়ে যাবো। জাতির পিতার আর্দশ বুকে নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক জেলা যেন ভিক্ষুকমুক্ত হয় সে ব্যবস্থা করেছি আমরা। গ্রামেও যেন উন্নত জীবন যাপন করা যায় সে চেষ্টা করা হচ্ছে। শিশুদের ভবিষ্যত যেন সুন্দর হয় সেজন্য আমাদের বর্তমানকে উৎসর্গ করেছি। তারাই এদেশকে গড়ে তুলবে, এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন হবে উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, এরমধ্যে আমরা ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। আমি বিশ্বাস করি আমরা তা করতে পারবো। এসময় তিনি শিশুদের মনোযোগী হয়ে লেখাপড়া করার তাগিদ দেন। উল্লেখ করেন শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারের উপবৃত্তি ও বিশেষ ভাতার কথা।

পরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে শিশু দিবসের অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন। এসময় উন্মোচন করেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ওপর লেখা ‘আমাদের ছোট রাসেল সোনা’ বইয়ের মোড়ক।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details