1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
লেবাননে প্রবাসী অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিল বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : অ্যাটর্নি জেনারেল করোনা : ভারতে শনাক্ত ২ কোটি ছাড়াল করোনা : বিধিনিষেধ আবারও বাড়ল, চলবে না দূরপাল্লার বাস অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফয়সাল ও সম্পাদক ফারুক মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”শিরীন আলম”

ঝিনাইদহে পেয়ারা চাষে সাফল্য পাচ্ছেন কৃষক

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
Check for details

রামিম হাসান, ঝিনাইদহ থেকে: ব্যাপক চাহিদা ও অধিক মুনাফা থাকায় দেশীয় ফল পেয়ারা চাষ করে অল্প দিনেই সফল চাষি হিসাবে পরিচিতি লাভ করছে ১৬৫.৬৬ বর্গ কি.মি. আয়োতনের উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৮১টি গ্রামের অধিকাংশ চাষিরা। সেই কারণেই নিয়মিত চাষিরা ছাড়াও অনিয়মিত চাষিরাও ঝুকছেন পেয়ারা চাষে। গ্রামের প্রতিটি মাঠ এখন পেয়ারা বাগানে ছেয়ে গেছে। যেসব মাঠে অন্যান্য চাষ হতো, সেইসব মাঠে এখন পেয়ারা বাগানের সবুজ রঙ্গে ছেয়ে যাচ্ছে।

গল্পটা ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার। সরিজমিনে ঘুরে দেখা যায়, এই উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় সব মাঠেই এখন পেয়ারার চাষে ভরে গেছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী উপজেলার ১নং সাফদারপুর ইউনিয়নটি পেয়ারা চাষে বেশি এগিয়ে। এলাকার পেয়ারা চাষে ব্যাপক সফলতা দেখে অন্য চাষিরা ছাড়াও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন এলাকার শিক্ষিত যুবসমাজ। বলা যায় এলাকার চেহারায় বদলে দিচ্ছে পেয়ারা।

স্থানীয় কৃষি বিভাগের সূত্রমতে, কোটচাঁদপুর উপজেলায় প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হচ্ছে। পেয়ারা বিক্রি করে বছরে বিঘা প্রতি প্রায় ৩/৪ লক্ষ টাকা লাভ করা সম্ভব বলে জানান কৃষি অফিস। ভালো জাতের চারা লাগানোর পর নিয়মিত পরিচর্জা এবং সময় মত পলি ও স্প্রে করতে পারলে ৭ থেকে ৮ মাসের মধ্যেই ফল দিয়া শুরু করে। একবার ফল ধরা শুরু হলে নিয়মিতই ফল পাওয়া যায়। অন সিজনে প্রতি কেজি পেয়ারা সর্বনিম্ন ১০-১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও অফ সিজনে এই পেয়ারা বিক্রি হয় ৭০-৮০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে।

উপজেলার লক্ষিকুন্ড গ্রামের বড় পেয়ারা চাষি শাহাজান আলী বলেন, প্রথমে আমি অর্থনৈতিক ভাবে অনেক কষ্ঠের মধ্যে থাকলেও পেয়ারা চাষ করে এখন আমি পুরাপুরি সাবলম্বি। প্রথম দিকে অল্প জমিতে পেয়ারা চাষ শুরু করলেও বর্তমানে নিজের জমি ছাড়াও অন্যের জমি লিজ নিয়ে মোট ২০-৩০ বিঘা জমিতে পেয়ারা চাষ করছেন। তিনি আরও বলেন, আমার বাগানের পেয়ারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক চাহিদা থাকায় বাজার মূল্য একটু বেশিই পায়। একই গ্রামের কবির হোসেন বলেন, প্রথমে দিকে সেভাবে চাষ না করলেও অধিক লাভ জনক ও চাহিদা থাকায় পেয়ারা চাষ করছি। এবং সফলতাও পাচ্ছি। সাফদারপুর বাজারের পুরাতন ব্যবসায়ী ও বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের তৈয়বুর রহমান বলেন, অধিক লাভ জনক হওয়ায় ব্যবসার পাশাপাশি পেয়ারা চাষ শুরু করেছি।

উপজেলার ভোমরাডাঙ্গা গ্রামের মুদি ব্যবসায়ী ও চাষি মহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকায় ধান, ভুট্টা ও ফুলকপির চাষ হতো, বর্তমানে ২০০-২৫০ বিঘা জমিতে এখন পেয়ারার চাষ হচ্ছে। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, অধিক লাভ ও চাহিদা থাকায় সবাই পেয়ারা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। উপজেলার প্রতিটি এলাকা ঘুরে দেখা যায় প্রতিদিন স্থানীয় পাইকার ছাড়াও কাটুনজাত করে ট্রাক ও পিকাপ ভর্তি করে ঢাকা, সিলেট, চট্রগাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যাবসায়ীরা পেয়ারা ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

কোটচাঁদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার শেখ সাজ্জাদ হোসেন জানান, এই উপজেলায় বর্তমানে প্রতিনিয়ত পেয়ারার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিস চাষিদেরকে যে কোন বিষয়ে পরামর্শ ছাড়াও যাবতীয় দেখভাল করছেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details