1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
পদ্মায় ফেরিডুবি :পাটুরিয়ায় ডুবে গেছে শাহ আমানত ফেরি জার্মানিতে বিএনপি’র কর্মীসভা ‘বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার’ : এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ

ঝালমুড়ি বিক্রিক্রেতা লিখন হোসেনের সংগ্রামী জীবন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই, ২০১৮
Check for details

শামীম খাঁন, মহেশপুর, (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: অভাব যার নিত্য সঙ্গি, জীবনের সাথে যুদ্ধ করে সাইকেলে করে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে অসহায় অসুস্থ্য মাকে দুবেলা দুমুঠো খাবার তুলে দিচ্ছে এবং সাথে সাথে লেখা পড়া চালিয়ে যাচ্ছে যশোরের চৌগাছার নারায়নপুর ইউনিয়নের বাদেখানপুর গ্রামের মৃত মল্লিক সরদারের পুত্র মোঃ লিখন হোসেন।

গত বছর বাবাকে হারিয়েছে। অসুস্থ্য মাকে নিয়ে তার বসবাস। সংসার চলার মতো নাই কোন জমি। ভিটেমাটি টুকু সম্বল করে মাকে নিয়ে চলছে তার সংসার। ব্যবসা করার মতো নাই কোন পুঁজি।

এক মুদি দোকানদার তাকে ৩টা ঢম ও ১টা ক্যারেট দিয়ে বলেন তুই ঝাল মুড়ি বিক্রি কর। কিস্তিতে ১ টা সাইকেল কিনে মাত্র ১৫০ টাকা পুঁজি নিয়ে গ্রামে গ্রামে হকারি করে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে বেড়ায় লিখন হোসেন। তাতে যা লাভ হয় তা থেকে সপ্তায় ১০০ টাকা কিস্তি দিয়ে আর মায়ের জন্য ঔষুধ কিনে কোন মতে দুবেলা দুমুঠো খাবারের ব্যাবস্থা করে। সাথে তার লেখাপড়া চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সে এবার উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী ২য় বর্ষের পরীক্ষা শেষ করল। বাকি আছে আর ২ সেমিস্টার। তার আশা বিএ পাশ করে কোন কোম্পানির চাকুরি ম্যানেজ করে নিবে। তবে সে বাইরে কাজ করতে যেতে পারছে না তার অসুস্থ্য মাকে রেখে। সে কারনে কোন উপায় না পেয়ে বেছে নিয়েছে এ কাজ। সে আরো বলছে কোন কাজ ছোট না। আমি লেখাপড়া করি পাশাপাশি একাজ করি অনেকে বাহবা দেয়।

বাবার একমাত্র ছেলে অসহায় লিখন হোসেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঝালমুড়ি বিক্রি করতে কোন দ্বিধা করেন না। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করে তার ব্যবসা চালিয়ে যায়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details