1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : germanbangla24.com : germanbangla24.com
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”মিনহাজ দীপন” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী ”ফারজাহান রহমান শাওন” বাগেরহাটে ৭ দিনব্যাপী বই মেলা শুরু জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি, বাচিকশিল্পী “জান্নাতুল ফেরদৌসী লিজা” টিকার দ্বিতীয় ডোজ ৮ সপ্তাহ পর : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৪ ফেব্রুয়ারি, উপেক্ষিত ‘সুন্দরবন দিবস’ জীবননগর পৌর নির্বাচন : আচরণবিধি লঙ্ঘন ,৩ জনের সাজা জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি শিল্পী ”বিথী পান্ডে” বাগেরহাটে ওরিয়ন গ্রুপের বিরুদ্ধে গ্রাম্য সড়ক দখলের অভিযোগ বাগেরহাটে জুয়েলারি দোকান হতে ১০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি

ঝালমুড়ি বিক্রিক্রেতা লিখন হোসেনের সংগ্রামী জীবন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই, ২০১৮
Check for details

শামীম খাঁন, মহেশপুর, (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: অভাব যার নিত্য সঙ্গি, জীবনের সাথে যুদ্ধ করে সাইকেলে করে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে অসহায় অসুস্থ্য মাকে দুবেলা দুমুঠো খাবার তুলে দিচ্ছে এবং সাথে সাথে লেখা পড়া চালিয়ে যাচ্ছে যশোরের চৌগাছার নারায়নপুর ইউনিয়নের বাদেখানপুর গ্রামের মৃত মল্লিক সরদারের পুত্র মোঃ লিখন হোসেন।

গত বছর বাবাকে হারিয়েছে। অসুস্থ্য মাকে নিয়ে তার বসবাস। সংসার চলার মতো নাই কোন জমি। ভিটেমাটি টুকু সম্বল করে মাকে নিয়ে চলছে তার সংসার। ব্যবসা করার মতো নাই কোন পুঁজি।

এক মুদি দোকানদার তাকে ৩টা ঢম ও ১টা ক্যারেট দিয়ে বলেন তুই ঝাল মুড়ি বিক্রি কর। কিস্তিতে ১ টা সাইকেল কিনে মাত্র ১৫০ টাকা পুঁজি নিয়ে গ্রামে গ্রামে হকারি করে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে বেড়ায় লিখন হোসেন। তাতে যা লাভ হয় তা থেকে সপ্তায় ১০০ টাকা কিস্তি দিয়ে আর মায়ের জন্য ঔষুধ কিনে কোন মতে দুবেলা দুমুঠো খাবারের ব্যাবস্থা করে। সাথে তার লেখাপড়া চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সে এবার উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী ২য় বর্ষের পরীক্ষা শেষ করল। বাকি আছে আর ২ সেমিস্টার। তার আশা বিএ পাশ করে কোন কোম্পানির চাকুরি ম্যানেজ করে নিবে। তবে সে বাইরে কাজ করতে যেতে পারছে না তার অসুস্থ্য মাকে রেখে। সে কারনে কোন উপায় না পেয়ে বেছে নিয়েছে এ কাজ। সে আরো বলছে কোন কাজ ছোট না। আমি লেখাপড়া করি পাশাপাশি একাজ করি অনেকে বাহবা দেয়।

বাবার একমাত্র ছেলে অসহায় লিখন হোসেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঝালমুড়ি বিক্রি করতে কোন দ্বিধা করেন না। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করে তার ব্যবসা চালিয়ে যায়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details