1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানবাংলা’র ‘RJ মিউজিক্যাল লাইভ শো’তে এবার আসছে গানের দল “অন্তরীণ” হেসেন ফ্রাঙ্কফুর্ট আওয়ামীলীগ কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২২’ উপলক্ষ্যে ১১ দফা প্রস্তাব উত্থাপন জার্মানবাংলা’র “প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “শম্পা কুন্ডু” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “সাজেদ ফাতেমী” স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী স্বরণ ও দেশনেত্রী’র দোয়ায় বিএনপি’র জার্মানি শাখা। জীবননগরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১ ব্রাসেলসে অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের অভিষেক দুবাই ওয়ার্ল্ড এক্সপোতে অংশগ্রহণ করবে ওয়েন্ড-এর প্রতিনিধি দল গোধূলির ছায়া

জার্মানির ছোঁয়াচে ফ্লু!

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ, ২০১৮
Fatama Rahman Ruma
Check for details

শীতের দেশে ফ্লু খুব স্বাভাবিক সমস্যা। শারীরিক অসুস্থতার কারণ হিসাবে ফ্লু এখানে খুব কমন। সিজন চেঞ্জ বা ঋতু পরিবর্তনের সময় সমস্যাটি প্রকট আকার ধারণ করে। জার্মানির অধিকাংশ মানুষ তখন ফ্লু’তে আক্রান্ত হন।

রোগটির উপসর্গ ইনফ্লুয়েঞ্জার মত। সর্দি, কাশি,গলাব্যথা,জ্বর, মাথাব্যথা ও খাবারে অরুচি দেখা দেয়। সাধারণত শীতের শুরুর প্রথম দিকে যেমন ডিসেম্বরের শেষ থেকে আরম্ভ করে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কমবেশি অধিকাংশ মানুষই এই ফ্লু’তে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। আবার শীতের শেষে গরমের শুরুর প্রথম দিকেও মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

মানুষ সহজে এই রোগের ভাইরাসে আক্রান্ত হয় স্কুল, কলেজ, বিপনি বিতানে মেলামেশা থেকে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর কমপক্ষ তিন শতাধিক মানুষ এ কারণে মারা যান। মৃত্যুর জন্য অবশ্য ফ্লু থেকে নিউমোনিয়া ও অন্যান্য শীতকালীন রোগের কথা সরকারিভাবে উল্লেখ করা হয়।

জার্মান ভাষায় ফ্লু’কে বলে Grippe (গ্রিপ্পে)। রোগটি আমাদের বাংলাদেশের ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের মত। উপসর্গও একই রকম এবং খুব ছোঁয়াচে। পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যরা সাধারণত রেহাই পান না। শিশু ও বৃদ্ধরা এবং যারা জার্মানিতে নতুন এসেছেন, তারা শীতের ধকল সামলাতে না পেরে ফ্লু’র কবলে পড়ে।

ফ্লু বা মারাত্মক গ্রিপ্পে’তে ঘরে ঘরে মানুষকে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। প্রবল মাথাব্যথা, শরীরের প্রতিটি জয়েন্টে ব্যথা এবং খাবারে অরুচি মানুষকে খুব বেশি দুর্বল করে ফেলে। বাংলাদেশের ভাইরাস জ্বরের মতো এখানেও আক্রান্ত রোগীরা প্রায় তিন সপ্তাহ থেকে এক মাসের মত সময় নিয়ে আরোগ্য লাভ করেন।

তবে জার্মানির রোগ মোকাবেলার ব্যবস্থা অতি চমৎকার। ভ্যাকসিন, টিকা ছাড়াও হাসপাতালে ফ্লু রোগীদের জন্য আলাদা ও বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘরে ঘরে হাজির হন রোগাক্রান্ত মানুষের খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য। রোগীদের জন্য চালু করা হয় বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স ও যানবাহন।

মানুষের শরীর ও মন পৃথিবীর জলবায়ুর সাথে সম্পর্কিত। পরিবেশ বিপর্যয় ও তাপমাত্রার অস্থিতিশীলতার কারণে স্বাভাবিক জীবন বিপণ্ন হচ্ছে। বাড়ছে রোগ-ব্যাধি। পরিবেশবান্ধব জীবন যাপনের মাধ্যমে নানা রোগের প্রকোপ আগেভাগে প্রতিহত করা সম্ভব।

ফাতেমা রহমান রুমা
জার্মান বাংলা ডটকম।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details