1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
অনেকেই সঞ্চয় ভেঙে চলছে : ওবায়দুল কাদের জিয়ান ক্যাস্টিক্স ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা পরিস্থিতি দেখতে আচমকা লাদাখ সফরে নরেন্দ্র মোদী ‘ করোনার প্রভাব কমলেই টাইগারদের অনুশীলন শুরু হবে ’ মুগদা জেনারেল হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর আনসার বাহিনীর হামলা করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় নতুন শনাক্ত ৩১৪৪ , মৃত ৪২ প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি হয়রানির প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড ৩৬.০১৬ বিলিয়ন ডলার রাজাপুরে স্কুলের সম্পত্তি রক্ষায় মতামত সংগ্রহ ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

চরাঞ্চলে এখনো জনপ্রিয় ঘোড়ার গাড়ী

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১২ জুন, ২০১৯
Check for details

এইচ এম আলমগীর কবির, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:যমুনা চরাঞ্চলে প্রায় এক যুগ আগেও পরিবহনের জন্য ছিল না তেমন কোনো কিছু। বর্ষা মৌসুমে নৌকায় আর শুকনো মৌসুমে মাইলের পর মাইল ধূ-ধূ বালুচর পায়ে হেঁটেই নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল মাথায় নিয়ে হাটে ও গন্তব্যে পৌঁছাতেন মানুষ। গ্রামাঞ্চলের মেঠো পথে পরিবহন বলতে ছিল গরু ও মহিষের গাড়ি। ক্রমান্বয়ে এখন প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে অধিকাংশই গরু ও মহিষের গাড়ী। বর্তমান আধুনিক যুগে গরুর গাড়ি ও মহিষের গাড়ি বিলুপ্তি হলেও সিরাজগঞ্জের চৌহঅলী উপজেলার যমুনা নদীর তীরে প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ঘোড়ার গাড়ি। মালামাল পরিবহনেও ঘোড়ার গাড়ীর বিকল্প নাই।

সরজমিনে জানা যায়, চৌহালী উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের খাষপুখুরিয়া, বাগুটিয়া. ঘোরজান চর ইত্যাদি গ্রামে চরাঞ্চলে ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার করছেন। চৌহালী উপজেলার ইউনিয়ননের গ্রাম গুলো অর্ধেকাংশ ঘোড়ার গাড়িতে সব ধরণের কৃষি পণ্য ও মালামাল পরিবহন করা হচ্ছে। এক সময় গরুর ও মহিষের গাড়ি ছিল মালামাল পরিবাহনের বাহক। কিছু মানুষও যাতায়ত করতেন তবে অনেক কম। ঘোড়ার গাড়ি বলতে ছিল সে সময়ে রাজা-বাদশা ও জমিদারদের বাহন। যা তাদের প্রজা ও সাধারণ মানুষদের কল্পনার মধ্য ছিলনা ঘোড়ার গাড়িতে চড়া বা উঠা। যমুনার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে সব ধরণের মানুষের রাজকীয় আদলে না হলেও বর্তমান সময়ে ঘোড়ার গাড়ি দিয়ে পরিবহন এখন বেশ জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে স্থান করে নিয়ে চরাঞ্চলবাসীর। চৌহালী উপজেলার চরাঞ্চলের মানুষের একমাত্র সুবিধাজনক হিসেবে পথে প্রান্তরে ঘোড়ার গাড়ী। চালক হিসেবে ১৫ থেকে ২২ বছর বয়সের ছেলেরা ঘোড়ার গাড়ি চালাচ্ছে। পরিবারে অভাব-অনটন, বাল্যশিক্ষা থেকে ঝড়ে পড়া ও সংসারের হাল ধরতেই তারা এ পেশা গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছেন বলেও জানা যায়।

উমারপুর, বাগুটিয়া. ঘোরজান গ্রামের চালক মো. নুহু মিয়া আফসের আলী, মতলেব মিয়া বলেন, এখন যমুনা চরাঞ্চল মরা। যমুনা তাঁর রুপ নিয়ে উঁচু নিচু বালুময় চরাঞ্চল। এ চরাঞ্চল এলাকার জমি থেকে উৎপাদিত ফলস ঘরে তোলার জন্য ঘোড়াই একমাত্র বাহক। কেননা মাইলের পর মাইল ধূ-ধূ বালুচর পায়ে হেঁটে মাথায় করে ফসল বাড়িতে নিয়ে আসা খুবই কষ্টকর। তাই বর্তমানে এ চরাঞ্চলে মালামাল ও বিভিন্ন ধরণের পরিবহনের জন্য ঘোড়ার গাড়িই প্রধান মাধ্যম।

কথা হয় কে আর পায়লট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুর রশিদ বাবলুর সাথে তিনি বলেন, যমুনা চরাঞ্চলে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরণের কৃষি পণ্য ও পরিবহনে ঘোড়ার গাড়ি ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। চরাঞ্চলের প্রত্যন্ত গ্রামে চলাচলের রাস্তা-ঘাটের অভাবে যেখানে আধুনিক যান্ত্রিক পরিবাহন গাড়ি চলতে পারে না সেখানে বালুকে উপেক্ষা করে ঘোড়ার গাড়িই পরিবহনে মানুষের নানা ধরণের সুবিধা দিয়ে আসছে। যার কারণে দিন দিন ঘোড়ার গাড়ির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে যমুনা চরাঞ্চলে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details