চমক দেখাবেন অর্থমন্ত্রী, স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার

Check for details

জার্মান-বাংলা ডেস্ক: এখন স্বস্তি এবং অস্বস্তি দুটোই রয়েছে অর্থনীতিতে ।রফতানি ও রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ভালো এটাই স্বস্তির জায়গা । মূল্যস্ম্ফীতি নিয়ন্ত্রণে। আর অস্বস্তি প্রধানত দুটি। বেসরকারি খাতে বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং রাজস্ব আহরণে বিশাল ঘাটতি। আবার আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় অর্থনীতি কিছুটা চাপে আছে। অপরদিকে, রফতানির তুলনায় আমদানি বেশি হওয়ায় রিজার্ভ কমছে। টাকার বিনিময় হার অস্থিতিশীল। বুধবার রাতে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই বাজেট হবে ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার। ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ :সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’- শিরোনামের এই বাজেট হবে স্মার্ট বাজেট। প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে নতুন আঙ্গিকে সূদরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এবারের বাজেট।

অর্থমন্ত্রীর সামনে অর্থনৈতিক অনেক ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশে উন্নয়ন-চাহিদা বাড়ছে। এজন্য বাড়াতে হচ্ছে বাজেটের আকার। কিন্তু রাজস্ব আদায় আশানুরূপ বাড়ছে না। মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করতে হলে যথাসময়ে মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে। কিন্তু তা হচ্ছে না। জনপ্রতিনিধিদের দাবি পূরণে এলাকার রাস্তা-ঘাটসহ ছোট-বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে চাপ তো রয়েছেই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে দিতে হবে আলাদা নজর। গুরুত্ব দিতে হবে সামাজিক সুরক্ষায়। আবার নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাড়তি বরাদ্দ দিতে হবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। চাল-আটাসহ নিত্যপণ্যের দাম রাখতে হবে সহনীয়। সাশ্রয়ী মূল্যে দিতে হবে বিদ্যুৎ, গ্যাস। কৃষি উপকরণের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভর্তুকির চাপও অব্যাহত আছে। বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে করছাড়সহ নানা ধরনের প্রণোদনা দিতে হবে। আবার রাজস্ব আহরণে করের আওতা বাড়ানো ছাড়া গতি নেই। করজাল বাড়ালে জনমনে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। সরকার অজনপ্রিয় হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এসব ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট সাজাতে হচ্ছে নতুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে। যিনি আগের মেয়াদে পরিকল্পনামন্ত্রী ছিলেন। অর্থমন্ত্রী কী চমক দেখাবেন- তা দেখার প্রতীক্ষায় আছেন সবাই। একদিকে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রবল আকাঙ্ক্ষা, অন্যদিকে সম্পদের অপ্রতুলতা- এ দুইয়ের ভারসাম্যের মধ্যেই বৃহস্পতিবার১৩ জুন জাতীয় সংসদে বেলা ৩টায় নতুন অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদে এটি হবে মুস্তফা কামালের প্রথম বাজেট। ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিতে আসা চার দফায় নির্বাচিত এমপি অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। তাই অঙ্কের হিসাবটি ভালোই বোঝেন। জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতাকে এগিয়ে নিতে চান নতুন অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল। ফলে তার লক্ষ্য এখন দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধিতে পৌঁছানো।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৫ লাখ ২৩ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। এটি চলতি অর্থবছরের মূল বাজেট অপেক্ষা ১১ দশমিক ২৬ এবং সংশোধিত বাজেট অপেক্ষা সাড়ে ১৮ শতাংশ বেশি। এরমধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার হচ্ছে দুই লাখ দুই হাজার ৭২১ কোটি টাকা। ৫ শতাংশ ঘাটতি (টাকার অঙ্কে এক লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি) ধরে প্রস্তাবিত বাজেটে মোট রাজস্ব প্রাপ্তি ধরা হচ্ছে তিন লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ ঋণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঘাটতি পূরণ করা হবে। এ বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রাক্কলন করা হচ্ছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ আর মূল্যস্ম্ফীতি সাড়ে ৫ শতাংশ।

কিন্তু প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে দেশি-বিদেশি প্রচুর বিনিয়োগ দরকার। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করতে হলে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে জিডিপি অনুপাতে কমপক্ষে ২৭ থেকে ২৮ শতাংশ, যা এখন আছে ২৩ শতাংশ। দুশ্চিন্তার কারণ হচ্ছে, গত এক দশক ধরে এই অনুপাত একই জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে। সে জন্য সরকারি বিনিয়োগ তথা এডিপিতে বরাদ্দ বাড়ানোর দিকে বেশি নজর দিচ্ছে সরকার। উন্নয়নের চলমান ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আরও বড় বাজেট দিয়ে বেশি ব্যয় করতে চান অর্থমন্ত্রী।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের মে মাস পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে এক লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা কম। আর আলোচ্য সময় রাজস্ব আয়ে প্রবৃদ্ধি মাত্র আট শতাংশ, যা গত অর্থবছরের একই সময় ছিল ১৫ শতাংশ। যে অর্থবছরটি (২০১৮-১৯) শেষ হতে যাচ্ছে তাতে রাজস্ব আয়ের মূল লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় দুই লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা, যা পরে সংশোধন করে নির্ধারণ করা হয় দুই লাখ আশি হাজার কোটি টাকা। যে হারে আদায় বাড়ছে তাতে অর্থবছর শেষে সর্বোচ্চ দুই লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ হতে পারে। ফলে বড় ধরনের ঘাটতি নিয়ে চলতি অর্থবছরটি শেষ হবে।

অর্থমন্ত্রীর স্বপ্ন আকাশছোঁয়া। জিডিপির প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কে নিতে চান তিনি। এ জন্য বাড়াতে হবে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ। বাড়াতে হবে অভ্যন্তরীণ সম্পদ তথা রাজস্ব আহরণ। ফলে স্বপ্ন বড় হলেও বাস্তবতা কঠিন। দেশের রাজস্ব ব্যবস্থার ভিত্তি এখনও অনেক দুর্বল। এদিকে দুর্বল অবকাঠামোর কারণে প্রত্যাশিত বিনিয়োগ আসছে না। ফলে বিশাল বাজেট বাস্তবায়নে ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অর্থমন্ত্রী একাধিকবার সাংবাদিকদের বলেছেন যে তার বাজেটে চমক থাকবে। করহার বাড়বে না, বরং কমবে। তবে আওতা বাড়ানো হবে। এমন বাজেট দেবেন তিনি, যাতে সবাই উপকৃত হবেন। অপেক্ষার পালা শেষ। আজই জানা যাবে এসব প্রশ্নের উত্তর। ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি তার প্রথম বাজেটে বলেছিলেন, ভারতের জ্বলে ওঠার সুযোগ এসেছে। শিগগিরই দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি হবে। আমাদের অর্থমন্ত্রী মোস্তফা কমালও বাংলাদেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে আসছেন।

জানা যায়, নতুন মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন আর করের জাল বিস্তৃত করে বেশি রাজস্ব আহরণে প্রচেষ্টা নেওয়া হবে। নতুন বাজেটে এনবিআরের রাজস্ব আয়ের মোট লক্ষ্যমাত্রা প্রাক্কলন করা হচ্ছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। হিসাব করে দেখা যায়, প্রস্তাবিত বাজেটে অতিরিক্ত ১ লাখ কোটি টাকার বেশি রাজস্বের আদায় করতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বাংলাদেশে রাজস্ব আয় আগের বছরের চেয়ে সর্বোচ্চ ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি আদায় হয়নি কখনও।

সরকার অবশ্য দাবি করেছে, নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর হলে আদায় অনেক বাড়বে। যদিও এ আইনের সফল বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফলে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করাই হবে অর্থমন্ত্রীর অন্যতম চ্যালেঞ্জ। যোগাযোগ করা হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম সমকালকে বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করাই হবে নতুন অর্থমন্ত্রীর বড় চ্যালেঞ্জ। বিআইডিএসের সাবেক ঊর্ধ্বতন পরিচালক বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেন, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের অবস্থা নাজুক। যেভাবেই হোক অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়াতেই হবে।

নাজুক ব্যাংক ও শেয়ারবাজার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন অর্থমন্ত্রী। কৃষকরা ধানের দাম পাচ্ছেন না। ঋণখেলাপিদের বিশেষ ছাড় নিয়ে বিতর্ক চলছে। এসব বিষয় মোকাবেলা করতে হবে মুস্তফা কামালকে। দুপুরে সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন দেওয়া হবে। এর পরই সংসদে বাজেট বক্তৃতা শুরু করবেন অর্থমন্ত্রী।

কার্যকর হচ্ছে নতুন ভ্যাট আইন :এবারের বাজেটে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বহুল আলোচিত নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন করা। দুই বছর স্থগিত থাকার পর এফবিসিসিআইসহ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত আইনটি কার্যকর হচ্ছে। বড় পরিবর্তন না করে বর্তমান ১৯৯১ সালের আইনের আদলে একটি বা অভিন্ন রেটের পরিবর্তে একাধিক রেট নির্ধারণ করে এটি কার্যকর করা হচ্ছে। নতুন আইনে ভ্যাটের আওতা আরও বৃদ্ধি এবং করের ওপর কর (ট্যাক্স অন ট্যাক্স) ব্যবস্থা চালু হতে পারে। এতে করে পণ্য ও সেবার খরচ বাড়বে, যা ভোক্তার ওপর চাপ তৈরি করবে।

করের আওতা বাড়ছে:অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের লক্ষ্যে করের আওতা ব্যাপক বাড়ানোর নানা পদক্ষেপ থাকছে নতুন বাজেটে। কর দেওয়ার সামর্থ্য আছে- এমন যোগ্য সবাইকে করজালে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বাড়ি, ফ্ল্যাট আছে অথচ করে দিচ্ছে না- তাদের সবাইকে বাধ্যতামূলক কর দিতে হবে। ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্তসীমা না বাড়লেও প্রান্তিক করদাতার করহার কিছুটা কমতে পারে। তবে আলোচিত কোম্পানির করপোরেট করহার অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে। সারচার্জের সীমায় কিছু ছাড় দেওয়া হতে পারে। ফলে বিত্তশালীদের করের বোঝা কিছুটা কমতে পারে। উৎসে কর আদায় বাড়াতে বিশেষায়িত একটি কর ইউনিট গঠনের প্রস্তাব থাকছে। একই সঙ্গে প্রত্যেক উপজেলায় কর অফিস স্থাপনের লক্ষ্যে এনবিআরের কর বিভাগকে সম্প্রসারণের ঘোষণা থাকছে।

থাকছে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বিনিয়োগ বাড়াতে :ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ চাঙ্গা করতে কর প্রণোদনাসহ নানামুখী পদক্ষেপ নেবেন অর্থমন্ত্রী। শিল্প স্থাপনের শর্তে ১০ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ তথা কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে যে কোনো অঙ্কের বিনিয়োগ করলে উদ্যোক্তার আয়ের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করবে না এনবিআর। যদিও দুদক কিংবা অন্য কোনো সংস্থার প্রশ্ন তোলার সুযোগ রয়েই গেছে। আবাসন খাত চাঙ্গা করতে ফ্ল্যাট ও জমির নিবন্ধন ফি বর্তমানের চেয়ে অর্ধেক হচ্ছে। দ্রুত শিল্পায়নের লক্ষ্যে বিদ্যমান ট্যাক্স হলিডে বা কর অবকাশের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ছে।

শেয়ারবাজার চাঙ্গায় প্রণোদনা :এবারের বাজেটে শেয়ারবাজার চাঙ্গা করার নানা উদ্যোগ থাকছে। কোম্পানির লভ্যাংশে করমুক্ত আয়ের সীমা বর্তমানের ২৫ হাজার বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে। আবার তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি বেশি করে নগদ লভ্যাংশ বা ক্যাশ ডিভিডেন্ট ঘোষণা করবে তাদের কর ছাড় বা প্রণোদনা দেওয়া হতে পারে। বন্ডে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে নিবন্ধন ফি কমানো হতে পারে।

রফতানিতে ও প্রবাসী আয় প্রণোদনা :নতুন বাজেটে প্রবাসীদের দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। যারা বৈধ তথা ব্যাকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাবেন, তাদের ২ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা দেওয়া হবে। আবার রফতানিকে উৎসাহিত করতে বর্তমানে যা আছে তার চেয়ে অতিরিক্ত ১ শতাংশ হারে ক্যাশ ইনসেনটিভ দেওয়া হতে পারে।

সামাজিক নিরাপত্তা বলয় :মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতা ১০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার টাকা করাসহ সামাজিক নিরাপত্তা খাতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বয়স্ক, বিধবা, মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ বর্তমানে যেসব কর্মসূচি আছে তার আওতা ব্যাপক বাড়ানো হবে। এখন ভাতা ভোগকারী যা আছেন, তার চেয়ে অতিরিক্ত ১৩ লাখ নতুন করে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসবে।

Facebook Comments