1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় ভারী বর্ষণ শুরু

হাসান শাহরিয়ার রিপন, সাতক্ষীরা (বাংলাদেশ)
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
Check for details

মঙ্গলবার সকাল থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ও গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছিল।সিডরের শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ এর প্রভাবে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ করেই শুরু হয়েছে ঝড়-বৃষ্টি এবং উপকূল অঞ্চলের নদ-নদী উত্তাল হয়ে উঠেছে এবং জোয়ারের পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের বিষয়ে সতর্ক করে উপকূলে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বত্র মাইকিং করছে সিপিপি সদস্যরা। তোলা হয়েছে লাল ফ্লাগ।

উপকূলীয় দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা, পদ্মপুকুরসহ অন্যান্য ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, নৌ বাহিনী, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিস এর সদস্যরা।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে খুলে দেওয়া হয়েছে জেলার এক হাজার ২৭২টি আশ্রয় কেন্দ্র। মানুষকে সতর্ক করার জন্য ব্যাপক হারে মাইকিং করা হচ্ছে। উপকূলীয় দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা, পদ্মপুকুরসহ অন্যান্য ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার কাজ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

যদিও ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাধ নিয়ে আতংকে আছে উপকূলের মানুষ। শ্যামনগর ও আশাশুনির অর্ধশতাধিক পয়েন্টের বেড়িবাধ হুমকির মুখে রয়েছে। যা মেরামতে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ডাম্পিং করার কাজ অব্যাহত রেখেছে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ ন ম আবুজর গিফারী জানান, উপকূলে ইতোমধ্যে ঝড়ো বাতাসসহ বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আমরা দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা থেকে ১০ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে আসার কাজ চলছে। এজন্য ৫০টি বাস ও ১০০ ট্রলার রেডি করা হয়েছে। সকাল থেকে কাজও শুরু হয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টি শুরু হয়ে যাওয়ায় কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে।

তিনি জানান, সন্ধ্যার আগেই গাবুরায় ১৫ হাজার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া হবে। এছাড়া বাকী মানুষ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ প্রত্যেক ইউনিয়নে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সর্বত্র মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং চলছে। লাল ফ্লাগ উত্তোলন করা হয়েছে। দুর্গতদের জন্য ২৫০ মেট্রিক টন চাল ও ১২ লাখ টাকা বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, নৌ বাহিনী, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিস দুর্যোগ পূর্ব উদ্ধার করা শুরু করেছে। ইতোমধ্যে উপকূলের ৩ হাজার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর মারফত জানা গেছে যে,ঘূর্ণিঝড় আম্ফান শেষ রাতের দিকে বাংলাদেশের আঘাত হানতে পারে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details