1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব সখীপুরে ‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সাতক্ষীরার উপকুলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

হাসান শাহরিয়ার রিপন, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
Check for details

ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে বঙ্গোপসাগরের পানি বৃদ্ধির কারণে সাতক্ষীরার আশাশুনি, শ্যামনগর, কালীগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলার নদীগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩/৪ ফুট পানি বৃদ্ধি ও প্রবল জোয়ারে বিভিন্ন জায়গায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়নের দাতিনাখালি গ্রামের চেয়ারম্যান মোড়ের বেড়িবাঁধ, গাবুরা ইউনিয়নের জেলেখালি, নাপিতখালি এবং ভেটখালির শেখপাড়া জামে মসজিদের পাশে ও নূরনগরের কুলতলী এলাকার বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ অঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে।

আশাশুনি উপজেলায় ভাঙনের ফলে কপোতাক্ষের পানিতে কুড়িকাহনিয়া লঞ্চঘাট, হরিশখালি, রুইয়ার বিল, সুভদ্রকাটিসহ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে এবং আশাশুনি সদরের দয়ারঘাট ও বলাবাড়িয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েক হাজার বিঘার ফসলের খেত ও চিংড়ি ঘের ভেসে গেছে। শ্রীউলা ইউনিয়নের হাজরাখালী থেকে বুড়ি ঘাট, নছিমাবাদ জরাজীর্ণ বাধ উপছে লোকালয়ে পানি ঢুকে ২০/২৫টি গ্রামের মাছের ঘের পানির নীচে তলিয়ে গেছে।
এ ছাড়া কালীগঞ্জ উপজেলার কাকশিয়ালী নদীর পূর্ব নারায়ণপুরের জব্বারের ঘের নামক স্থানে বেড়ি বাঁধ ভেঙে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বাস টার্মিনালসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চণ জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।

এছাড়াও দেবহাটা উপজেলার ইছামতী নদীর বাঁধ ভেঙে খান্জিয়াসহ কয়েকটি স্থানের বাঁধ ভেঙে ৫/৬টি গ্রাম পানির নীচে তলিয়ে গেছে।

এ ছাড়া সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগর ও আশাশুনির উপকুলীয় বাঁধ উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধের অংশ বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গ্রামবাসি মাটি ও বালির বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করছেন। জোয়ারের পানি উঠলেও ভাটায় তা নামছে না। এখন পর্যন্ত বেড়িবাঁধের ৪৫টি পয়েন্ট ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। নদীর পানি কয়েক ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার পর্যন্ত থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি ও সেইসাথে ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। জেলার ১৪৫টি আশ্রয় কেন্দ্র ও দেড় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষের আশ্রয়ের জন্য খুলে রাখা হয়েছে। তাদের উদ্ধার, খাদ্য, পানি, ঔষধ ও চিকিৎসার জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা রেখেছে জেলা প্রশাসন।

এদিকে ইয়াসের প্রভাবে তালার টিআরএম ভেঙে বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলেন, ঘূণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সাতক্ষীরার নদী গুলোতে পানি বেড়ে কয়েকটি ইউনিয়নের বেড়ীবাধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া নদীর পানি বেড়ে ভেড়ী ছাপিয়েও পানি প্রবেশ করেছে। ফলে অনেক মানুষ জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে। তাদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে। এছাড়া রাতে আবারো জোয়ারে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে পারে। সেকারণে আমরা পানি বন্দি মানুষদের কে যতসম্ভব দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও চেয়ারম্যানগণ জানান, তারা সর্বদা সক্রিয় রয়েছেন। ভাটা নেমে যাওয়ার সাথে সাথে পানি বের করতে কাজ করবেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details