1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman

গৌরীপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

মশিউর রহমান কাউসার,গৌরীপুর(ময়মনসিংহ)প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২০
Check for details

ময়মনসিংহের গৌরীপুর আর.কে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের জমি কতিপয় ভূমিদস্যুদের হাত থেকে উদ্ধারের জন্য মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্ররা। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারী) সকাল ৯টায় থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচীতে অংশ নেন স্কুলের শত শত প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র। এসময় স্কুলের জমিতে ঝলক মৎস্য হ্যাচারীর সাইনবোর্ড ভাংচুর করে তাতে অগ্নিসংযোগ করে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেয় বিক্ষুব্দ শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল।

একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মাসুদ রানা। এসময় তিনি বিদ্যালয়ের জমি খুব দ্রুত স্কুল কর্তৃপক্ষকে মেপে বুঝিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক জানান, ১৯১১ সনে গৌরীপুরের জমিদার ব্রজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী তাঁর পিতা রাজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর নামে এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২০ সনে তিনি বিদ্যালয়ের নামে গৌরীপুর ও দাপুনিয়া মৌজায় প্রায় ১০.০৬ একর জমি লিখে দেন। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের জমির কিছু অংশ স্থানীয় কতিপয় ভূমিদস্যুরা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এতে স্কুলের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তাঁরা বলেন, স্কুলের দক্ষিণ পাশে ডোবায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক ৬তলা নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়। এ নির্ধারিত স্থানে গত বছর ১৮ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন স্থানীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ এমপি। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের পর যথারীতি নির্মাণ কাজ শুরু হলে স্থানীয় অজিত চৌহান ও ইকরাম হোসেন খান মামুন উক্ত জায়গা ১নং খতিয়ানে উল্লেখ্য করে ইউএনও বরাবর একটি মিথ্যা অভিযোগ করেন। এতে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্কুলের শিক্ষক, স্থানীয় অভিভাবক, প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রদের মাঝে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

শিক্ষকদের দাবি, যে স্থানে নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে এটি ১নং খতিয়ানের জায়গা নয়। এ জমির বিআরএস রেকর্ড বিদ্যালয়ের নামে।

উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আবু সাঈদ জানান, যে স্থানে নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে এটি বিদ্যালয়ের জায়গা। খুব দ্রুত তা মেপে স্কুল কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেয়া হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details