1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :

গৌরীপুরে টেন্ডারের মাধ্যমে শতবর্ষী গাছ বিক্রি হলেও জানে না কেউ !

মশিউর রহমান কাউসার ,গৌরীপুর (ময়মনসিংহ,বাংলাদেশ)
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২০
Check for details

ময়মনসিংহের গৌরীপুর-কলতাপাড়া পাকা সড়কে তাতকুড়া বাজার এলাকায় শতবর্ষী তিনটি সরকারি রেইন্ট্রি গাছ টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হলেও এ বিষয়ে এসিল্যান্ড ছাড়া জানেন না সংশ্লিষ্ট কোন কর্মকর্তা। কবে কোথায় কখন টেন্ডার হয়েছে আর ক’জন টেন্ডারে অংশ গ্রহন করেছেন এসব সকলের অজানা। দুই লাখ টাকার অধিক মুল্যের গাছ মৌখিক টেন্ডারে বিক্রি করা হয়েছে মাত্র অর্ধ লক্ষ টাকায়। ঝুঁকিপূর্ণ ও ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া গাছ রেখে ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষার্থে কেটে ফেলা হয়েছে তিনটি বিশাল আকৃতির গাছ। এক সপ্তাহ ধরে কাঠুরিয়ার মাধ্যমে গাছগুলো কাটছেন স্থানীয় এক কাঠ ব্যবসায়ী। অনিয়মের বিষয়টি জানাজানি হলে শনিবার (১৩ জুন) স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তিনটি গাছের মধ্যে একটি গাছ জব্দ করে নিজ জিম্মায় ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান। এ ঘটনায় এসিল্যান্ড মোঃ মাসুদ রানার ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, উল্লেখিত স্থানে বিশাল আকৃতির তিনটি রেইন্ট্রি গাছের বয়স হবে প্রায় একশ বছর। গত এক সপ্তাহ ধরে এ গাছগুলো কাটেন স্থানীয় একদল কাঠুরে। একেক এসময় একেক ব্যক্তি ভূমি অফিস, বন বিভাগ অথবা এলজিইডি অফিসের লোক বলে এ গাছ কাটার তদারকি করতে দেখেন তারা।
তাতকুড়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল লতিফ মেম্বার বলেন, গাছ কাটার তদারিক করতে আসা দু’ব্যক্তিকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান, উপর থেকে ব্যবস্থা করে গাছ কাটার অনুমতি আনা হয়েছে।

কার নির্দেশে কোন প্রক্রিয়ায় এ গাছগুলি কাটা হচ্ছে তদারকিকারী ব্যক্তিদের কাছ থেকে এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর না পেয়ে স্থানীয় লোকজন সাংবাদিকদের এ বিষয়ে অবগত করেন।

স্থানীয় ডৌহাখলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল হক সরকার বলেন, প্রাচীন এ গাছগুলোর টেন্ডারের বিষয়ে তিনি কোন কিছু জানেন না। গাছগুলো কেটে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে শনিবার ঘটনাস্থল থেকে একটি গাছ গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে এনে নিজ রাখেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, গাছগুলোর মুল্য হবে প্রায় দুই লাখ টাকা। নীতিমালা অনুযায়ী গাছগুলোর টেন্ডার হলে এর ৪০% অর্থ ইউনিয়ন পরিষদে জমা হতো।

ডৌহাখলা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল হালিম সাংবাদিকদের জানান, কিছুদিন আগে উপজেলা ভূমি অফিস থেকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছিল। তিনি শুধু গাছের অবস্থান ও পারিপার্শিকতা বর্ণনা করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details