1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
সখীপুর এস.পি.ইউ.এফ’র ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন লেবাননে প্রবাসী অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিল বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : অ্যাটর্নি জেনারেল করোনা : ভারতে শনাক্ত ২ কোটি ছাড়াল করোনা : বিধিনিষেধ আবারও বাড়ল, চলবে না দূরপাল্লার বাস অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফয়সাল ও সম্পাদক ফারুক মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

গাজীপুর সিটি নির্বাচন: বিএনপি-জামায়াত জোট, আ.লীগের পাশে নেই জাসদ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৮
Check for details
  • গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে করে জোট সঙ্গী বিএনপিকে সমর্থন দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত। কিন্তু ক্ষমতাসীন ১৪ দলে আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী জাসদের প্রার্থী এখনও ভোটের লড়াইয়ে রয়ে গেছেন।
গাজীপুরে মেয়র পদে জাসদের প্রার্থী মহানগর জাসদের (ইনু) সভাপতি রাশেদুল হাসান রানা।

আগামী ১৫ মের ভোটকে সামনে রেখে সোমবার পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার সুযোগ আছে। তার আগের দিনও জাসদ স্পষ্ট করে বলছে না তাদের প্রার্থী ভোট থেকে সরে যাবে কি না।

আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে যে পাঁচ মহানগরে ভোট হচ্ছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার আছে গাজীপুরে ১১ লাখের বেশি। ২০১৩ সালে এই নগরে নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এম এ মান্নান দেড় লাখ ভোটে হারিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আজমত উল্লাহ খানকে।

এবার ভোট হবে দলীয় প্রতীকে এবং বিএনপি ও আওয়ামী লীগ দুই দলই প্রার্থী বদলে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ নৌকা প্রতীক তুলে দিয়েছে জাহাঙ্গীর আলমের হাতে, তার বিএনপি ধানের শীষ দিয়েছে হাসান উদ্দিন সরকারকে।

বিএনপির জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় দলীয় প্রতীকে তাদের নির্বাচন করার সুযোগ নেই। তবে দলটির নেতা এস এম সানাউল্লাহ স্বতন্ত্র হিসেবে মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে শনিবার রাতে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের আলোচনায় সমঝোতা হয় এবং জামায়াত নেতা ভোট থেকে সরে দাঁড়াবেন বলে ঘোষণা এসেছে।

গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠা এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সমর্থন পেয়েছে। তারা প্রার্থী না দিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করার কথা জানিয়েছে।

পোশাক শ্রমিক অধ্যুষিত টঙ্গী-গাজীপুর মিলিয়ে এই নির্বাচনী এলাকায় জাতীয় পার্টির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট আছে। বৃহত্তর রংপুর এলাকার যে শ্রমিকরা এখানে কাজ করেন, তাদের মধ্যে জাতীয় পার্টির জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। আর তাদের সমর্থন পাওয়া আওয়ামী লীগের জন্য বাড়তি পাওয়া।

পক্ষান্তরে এই নির্বাচনী এলাকায় জাসদের তেমন কোনো প্রভাব নেই বললেই চলে। তাদের জনসমর্থনের মতো সংগঠনও নেই। আবার এখানে প্রার্থী দিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে দর কষাকষি করবে এমন কারণও নেই। কারণ, কাউন্সিলর পদেও দলটির কোনো প্রার্থী নেই।

আওয়ামী লীগ তারপরও জাসদের সমর্থন চায় এ কারণে যে, নইলে নির্বাচনী মাঠে থাকা জোটের মধ্যে সমন্বয়হীনতার বার্তা দেবে ভোটারদের মধ্যে।

জাসদের এই গড়িমসি অবশ্য ২০১৬ সালের শেষ দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও দেখা গেছে। কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের বৈঠকের পর জাসদ নেতা মোসলেম উদ্দিন তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন একবারে শেষ বেলায়। কাজ করেন নৌকার প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভীর হয়ে।

গাজীপুরেও কি শেষ পর্যন্ত জাসদের প্রার্থী থাকবেন? জানতে চাইলে দলের নেতারা বলছেন, তাদের দলীয় ফোরামে আলোচনা চলছে, এরপর তারা সিদ্ধান্ত জানাবেন।

শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠক শেষে মুখপাত্র ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহম্মদ নাসিম বলেন, ‘১৪ দল গাজীপুরে জাহাঙ্গীর আলম এবং খুলনায় তালুকদার আবদুল খালেককে বিজয়ী করতে এক সাথে হয়ে কাজ করবে। যদি কেউ এর মধ্যে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকে তাহলে সময়মত তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেবে।’

তবে জাসদের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তাদের নেতারা সেদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না।

গাজীপুরে জাসদের মেয়র প্রার্থী রাশেদুল হাসান রানা বলেন, ‘প্রত্যাহার করার জন্য এখনও আমাদের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত হয় নাই। আমি এখনও মাঠে আছি, নির্বাচন করব।’

‘দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমি মাঠে আছি, দল যদি আমাকে জোটের প্রার্থীর সমর্থনে সরে যেতে বলে তখন আমি তা করতে পারি। তবে তা অবশ্যই আলোচনার ভিত্তিতে হতে হবে।’

জাসদের কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত কী-জানতে দলের সহ-সভাপতি মীর হোসাইন আখতার বলেন, ‘আমরা এখনও সিদ্ধান্ত দেয় নাই, তাকে বলেছি তুমি (রাশেদুল হাসান রানা) এখন অন থাকো। আমাদের ভেতরে আলোচনা চলছে।’

‘আপনাদের জোটের মুখপাত্র তো বলেছেন, আপনাদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন’-এর জবাবে মীর হোসাইন আখতার বলেন, ‘কথা হয়েছে ঠিক আছে কিন্তু আমরা তো আমাদের দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’

আপনাদের তো প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসার সম্ভাবনা কম, তাহলে জোটের প্রধান শরিকের বিরুদ্ধে কেন ভোটে লড়বেন?- এমন প্রশ্নে জাসদ নেতা বলেন, ‘আমাদের দাবি হলো যদি আমাদের প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার করতেই হয়, তাহলে কিছু কাউন্সিলর প্রার্থী আমাদের ছেড়ে দিতে হবে। পাঁচ থেকে ছয় জন প্রার্থী রয়েছে, তা আমরা চাইব।’

তবে জাসদের প্রার্থীরানা জানিয়েছেন, গাজীপুরে তাদের কোনো কাউন্সিলর প্রার্থী নেই। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাউন্সিলর প্রার্থী নেই। ১০ জন ছিল, কিন্তু তারা আওয়ামী লীগের সমর্থনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছে।’

জানতে চাইলে জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার বলেন, ‘আলোচনা চলছে, এখনও ঠিক হয়নি।’

১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র তো বলেছেন আপনারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন- এমন প্রশ্নে শিরীন বলেন, ‘আমরা ওইদিন মিটিং এ ছিলাম না।’

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details