1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : germanbangla24.com : germanbangla24.com
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”শিরীন আলম” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “ফারহা নাজিয়া সামি” বাংলাদেশে হরতাল প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেনঃ উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয় হবে। জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “মিনহাজ দীপন“ সাকিব আল হাসানের বক্তব্যে কঠোর বিসিবি জার্মানবাংলা’র “প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি “কাইয়ুম চৌধুরী”

গাইবান্ধা-ঘোড়াঘাট সড়ক প্রশস্তকরন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৯
গাইবান্ধা -ঘোড়াঘাট সড়ক প্রশস্ত করন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ
Check for details

আশরাফুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি:উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ।বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে উলে­খযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।উন্নয়নের ধারাবাহিকতার রক্ষায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় পলাশবাড়ী গাইবান্ধা সড়ক প্রশস্ত করন প্রকল্প গ্রহন করে সরকার।তিনটি প্যাকেজে এই প্রকল্পের মোট ব্যায় ধরা হয়েছে ১ শ ৩ কোটি টাকা।

বিগত বছরের শেষ দিকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আপেল জানান প্রথম প্যাকেজে গাইবান্ধা শহর হতে ঢোলভাংগা সাকোয়া ব্রীজ পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিমি রাস্তায় ৫০ কোটি টাকার কাজ ৩ টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান যৌথ ভাবে শুরু করে। ২য় প্যাকেজ সাকোয়া হতে পলাশবাড়ী জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ৮ কিমি সড়কে ৪০ কোটি টাকার কাজ যথারীতি ৩ টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শুরু করে। এবং সর্বশেষ ৩য় প্যাকেজে পলাশবাড়ী জিরো পয়েন্ট হতে ঘোড়াঘাট পর্যন্ত ৯ কিঃ মিঃ সড়ক ১৩ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা ব্যায়ে পুর্বের ন্যায় পৃথক ৩ টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শুরু করে। ৩ টি প্যাকেজে ৯ টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১ শ ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে মোট ৩০ কিলোমিটার রাস্তা প্রশস্ত করন কাজ বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে। এলাকাবাসী জানায় প্রকল্পের শুরু থেকেই ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহন করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলো। ৩০ কিলোমিটার রাস্তায় ৮ ব্রিজ নির্মান করার কথা থাকলে ও শুধু মাত্র ঢোলভাংগায় ১ টি ব্রীজ পুনঃ নির্মান করা হয়েছে।অবশিষ্ট ৭ টি ব্রীজের দু পার্শ্বে জোড়াতালি ঢালাই দিয়ে সম্পুর্ণ নতুনের মতই তৈরী করা হয়েছে।যা টেকসই হবেনা বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ৩০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে পুকুর ডোবা ও খাল রয়েছে এসব স্থানে ব্রিক ওয়াল ও প্যালাসাটিং নির্মান করার কথা থাকলে ও অধিকাংশ স্থানে তা করা হয় নি।ফলে বৃষ্টিতে রাস্তার বেশ কয়েকটি স্থানে ভাংগন দেখা দিয়েছে। রাস্তায় খননের পর রোলারিং ও কিউরিং ঠিক মত না করার ফলে সড়কের অধিকাংশ স্থান দেবে গিয়ে খালা খন্দে পরিনত হয়েছে।বার বার জোড়া তালি দিলে ও খালাখন্দ কিছুতেই পুরন করা সম্ভব হচ্ছে না। রাস্তার পুরাতন কার্পেটিং তুলে যৎ সামান্য নতুন ইট, পাথর ও বালি মিশিয়ে রোলারিং করা হয়েছে যা দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলে মনে করেন সচেতন মহল। কার্পেটিং করার সময় নিম্ন মানের বিটুমিন চিট পাথরের পরিবর্তন বড় পাথর ব্যাবহার করার অভিযোগ ও রয়েছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলোর বিরুদ্ধে। প্রকল্প এলাকার ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে তুলশিঘাট ও পলাশবাড়ী গাইবান্ধা বাসষ্ট্যান্ডে প্রায় ৪০০ মিটার কনক্রিট ঢালাই কাজ ধরা হয়েছে।এসব স্থানে নির্মমানের রড ও প্রয়োজনের তুলনায় কম সিমেন্ট ব্যাবহার করে ঢালাই করা হয়েছে, বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।

এছাড়াও ঘোড়াঘাট সড়কের মেরীরহাট নামক স্থানে ড্রেন নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। তারা জানান নিম্ন মানের ইট বালু সিমেন্ট ও চিকন রড ব্যাবহার করে ড্রেন দুটি নির্মান করা হয়েছে ২/৪ বছর টিকবে কিনা সন্দেহ আছে। কার্পেটিং এর আগে রাস্তা ভাল ভাবে পরিস্কার করে বিটুমিন ব্যাবহার করার নিয়ম থাকলে ও তা ভাল ভাবে পরিস্কার না করেই বিটুমিন ব্যাবহার করে কার্পেটিং করা হচ্ছে। ফলে কার্পেটিং এর টেকসইতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগীরা।

১শ ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত রাস্তার কাজে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলো ম্যানেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এমন নিম্ন মানের কাজ করছেন বলে দাবী করেন সচেতন মহল। তারা আরো বলেন কতিপয় সরকার দলীয় বিভিন্ন অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা কতিপয় সাংবাদিক, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তার কারনে সরকারের সর্ব বৃহত এই প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি অনিয়মের আশ্রয় গ্রহণ করা হয়েছে।

অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী আপেল মাহামুদ জানান আমরা ও চাই শতভাগ কাজ। জনবল সংকটের কারনে অনেকটা বাধা গ্রস্থ হতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তার মতামত গ্রহণ করা সম্ভব হয় নি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details