1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানবাংলা’র ‘RJ মিউজিক্যাল লাইভ শো’তে এবার আসছে গানের দল “অন্তরীণ” হেসেন ফ্রাঙ্কফুর্ট আওয়ামীলীগ কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২২’ উপলক্ষ্যে ১১ দফা প্রস্তাব উত্থাপন জার্মানবাংলা’র “প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “শম্পা কুন্ডু” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “সাজেদ ফাতেমী” স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী স্বরণ ও দেশনেত্রী’র দোয়ায় বিএনপি’র জার্মানি শাখা। জীবননগরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১ ব্রাসেলসে অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের অভিষেক দুবাই ওয়ার্ল্ড এক্সপোতে অংশগ্রহণ করবে ওয়েন্ড-এর প্রতিনিধি দল গোধূলির ছায়া

গর্ভাবস্থায় রক্তে হিমোগ্লোবিন কম থাকলে!

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৮
Check for details

সাধারণত পুরুষের তুলনায় নারীদের রক্তে হিমোগ্লোবিন কম থাকে। আর গর্বাভস্থায় এটি প্রকট হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা অনেক সময় শিশু সুস্থভাবে গর্ভে বেড়ে উঠতে তাই গর্ভবতী নারীকে রক্ত দিতে পরামর্শ দেন। কারণ আমাদের দেহের কোষগুলোকে সক্রিয় ও কর্মক্ষম রাখতে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকাটা অত্যন্ত জরুরি।

এসম্পর্কে বিস্তারিত জানান, অ্যাপোলো হাসপাতালের পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী। তিনি বলেন, নারীর শরীরে ১৩ -১৬ মিলিগ্রাম হিমোগ্লোবিন থাকা উচিত। আমাদের দেশের বেশির ভাগ নারীদের শিশু বয়স থেকেই হিমোগ্লোবিন কম থাকে। তাই এটিকে অনেকেই স্বাভাবিক হিসেবেই দেখে থাকেন।

কিন্তু রক্তে হিমোগ্লোবিন কম হলে: চেহারা ফ্যাকাসে দেখায়, ক্লান্তি আসে, সামান্য পরিশ্রমেই কষ্ট হয়, খাবারে অরুচি হয়, মনোযোগের, অভাব দেখা দেয়। তামান্না চৌধুরী বলেন, শরীরের রক্তের চাহিদা পূরণ করতে গর্বাভস্থায় নিয়মিত কিছু খাবার খেলে উপকার পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে:

ভিটামিন সি
ভিটামিন সি এর অভাবে হিমোগ্লোবিন কমে যেতে পারে। তাছাড়া ভিটামিন সি ছাড়া আয়রন পুরোপুরিভাবে শোষণ হয় না। আমলকী,
পেঁপে, বাতাবিলেবু, কমলা, লেবু, স্ট্রবেরি, গোলমরিচ, ব্রোকোলি, আঙুর, টমেটো ইত্যাদিতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে।

আয়রন
হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে লোহা গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। আয়রন সমৃদ্ধ কিছু খাবার হলো- দেশি সুস্থ মুরগির কলিজা, কচু শাক, লাল মাংস, চিংড়ি, পালংশাক, আমন্ড, বিট খেজুর। আয়রন, ক্যালসিয়াম, কার্বোহাইড্রেইড, এবং ফাইবার সমৃদ্ধ বেদানা হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটি করে বেদানা খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

এছাড়া মধু আয়রনের একটি ভালো উৎস। আয়রন ছাড়াও মধুতে কপার ও ম্যাঙ্গানিজ আছে। এই উপকরণগুলো শরীরে গিয়ে প্রচুর পরিমাণে হিমোগ্লোবিন প্রস্তুত করতে সহায়তা করে। গর্ভাবস্থায় নিয়মিত দুধ, ডিমও খেতে হবে। হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ জেনে সে অনুযায়ী খাবার ও ওষুধ গ্রহণের কথাও বলেন তামান্না চৌধুরী। গর্ভবতী মায়ের খাবার ও বিশ্রামের বিষয়ে শুরু থেকেই পরিবারের সস্যদের লক্ষ্য রাখতে হবে।

পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী।
তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ২৪ ডটকম।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details