1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব

খুলনার অলক দাসের হাত ধরে শিক্ষিত হচ্ছে শ্রমজীবী শিশুরা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০১৯
"অনুশীলন মজা স্কুল "এর ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে অলক দাস
Check for details

খুলনা প্রতিনিধিঃ অসহায় , সুবিধাবঞ্চিত , ঝরে পড়া শিশুদের নিয়ে সব যার চিন্তা চেতনা সেই তরুণ যুবকের নাম অলক দাস। খুলনার ইলাইপুরে গড়ে তুলেছেন সেই সব শ্রমজীবি , অসহায় বাচ্চাদের নিয়ে “অনুশীলন মজার স্কুল”।

সমাজের যে সব শিশু লেখাপড়া করতে পারেনি তাদের বিনা মূল্যে নুন্যতম শিক্ষা দিয়ে সমাজে সকলের সাথে সকল শিশু সমান ভাবে বেড়ে উঠুক এমন পরিকল্পনা নিয়েই অলক দাস “অনুশীলন মজা স্কুল ” প্রতিষ্ঠা করেন। উক্ত স্কুলের সভাপতি
আরেক তরুন সমাজ সেবক মারুফ খান। বর্তমানে তার স্কুলে দুই শাখায় প্রায় ৯০ জন ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখা করছে । এখানে সবাই সুবিধাবঞ্চিত, প্রতিবন্ধী , অসহায়,শ্রমজীবি শিশু যাদের বয়স ১৫ বছরের কম । অলক দাস সরকারি কোন অনুদান না নিয়ে ২০১৫ সালে মাত্র ১৫ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে ” অনুশীলন মজার স্কুল” এর যাত্রা শুরু করেন । স্কুলের নিজস্ব কোন জমি না থাকায় ৫ বছরের চুক্রিতে লিজ নিয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। বিভিন্ন ব্যতিক্রমী পদ্ধতিতে চিত্রবিনেদনের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ায় আগ্রহী করে তোলেন । এখানে ১৫ জন মত স্বেচ্ছাশ্রমী বিভিন্ন কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

অলক দাস বলেন, “আমি নিজে একজন শ্রমজীবি ছাত্র ছিলাম। কাঠ মিস্ত্রির কাজ করে এস এসসি পরীক্ষা দিয়েছিলাম । তারপর বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজ করে মাস্টার্স শেষ করেছি । তাই আমি সেই সব অসহায় শিশুদের জন্য কাজ করতে চাই। সমাজের ঝরে পরা শিশুদের ন্যূনতম প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার যে উদ্যোগ আমরা গ্রহন করেছি তা সফল করা সম্ভব আপনাদের সকলের সহযোগীতায়। আমার ও আপনার আশেপাশে যে সব ঝরে পরা শিশু শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এমন পিছিয়ে পরা জীবনে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে আপনারাও এগিয়ে আসুন আমাদের সাথে সাথে। ”

 জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০১৮ এর পুরস্কার গ্রহন করছেন অলক দাস

অলক দাস তার কাজের সফলতা হিসেবে বেশ কয়েকটি এ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন । তার এই অসাধারণ উদ্যোগের জন্য তার অনুশীলন মজার স্কুল জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০১৮ তে সারা বাংলাদেশে টপ ৫০ টি সংস্থার মধ্যে ১৬ তম এবং শিক্ষা খাতে ২য় স্থান অর্জন করেছে। এছাড়া জয় বাংলা এ্যাওয়ার্ড -২০১৮, সোসায়েল ডিজিটাল ফাউন্ডেশন ইনোভেটর এ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ।
দেশের বাইরে থেকে অনেক সংগঠন অনুশীলন মজার স্কুল দেখতে আসছেন। বদলে যাচ্ছে মজার স্কুল। সমাজের নানা ধরনের মানুষ মজার স্কুলের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। এভাবেই এগিয়ে যাক তরুন যুবক অলক দাসের মত হাজার যুবক , গড়ে উঠুক সুন্দর ভেদাভেদহীন সমাজ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details