1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : germanbangla24.com : germanbangla24.com
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”শিরীন আলম” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “ফারহা নাজিয়া সামি” বাংলাদেশে হরতাল প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেনঃ উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয় হবে। জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “মিনহাজ দীপন“ সাকিব আল হাসানের বক্তব্যে কঠোর বিসিবি জার্মানবাংলা’র “প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি “কাইয়ুম চৌধুরী”

ক্ষতিপূরণের দাবিতে উত্তাল কুয়েট

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১৮
Check for details

ময়মনসিংহের ভালুকায় গ্যাস লাইনে বিস্ফোরণে নিহত হওয়া খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীর পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ দাবিতে আজ শনিবার বেলা দুইটা থেকে প্রশাসনিক ভবন চত্বরে ও ভবনের প্রতিটি তলায় আমরণ অনশন শুরু করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। এতে বিভিন্ন বিভাগের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।

অনশন কর্মসূচি শুরুর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্বার বাংলার চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বৈঠক শুরু হলে তাঁরা প্রশাসনিক ভবনের নিচে ফাঁকা চত্বরে ও বাইরে অবস্থান নেন। সিন্ডিকেট সভায় প্রতিটি পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং সিন্ডিকেট সদস্যদের কক্ষের ভেতরে অবরোধ করে রাখেন। বিকেল সাড়ে চারটায় সিন্ডিকেট সদস্যরা বের হয়ে যান। বিকেলে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অন্য কর্মকর্তারা অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ শনিবার থেকে তিন দিনের শোক কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে কালো পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শুরু হয়। পরে কালো ব্যাজ ধারণ করে দুপুর সাড়ে ১২টায় দুর্ঘটনার বিষয়ে করণীয় নিয়ে সিন্ডিকেটের সভা শুরু হয়।

আন্দোলনরত নিহত চার ছাত্রের একজন সহপাঠী বলেন, ‘আমাদের ওই চার সহপাঠীর পরিবারই হতদরিদ্র। সারা জীবনের সব উপার্জন খরচ করে তাঁরা ছেলেদের বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করিয়েছেন। এখন দুই বিধবা মা এবং অন্য ভাইবোনগুলোকে দেখাশোনা করার মতো কেউ নেই। তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়েছি।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, নিহত চারজনের পরিবারই দরিদ্র। বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করার মতো কোনো সদস্যও পরিবারগুলোতে নেই। সিন্ডিকেট সদস্যরা পরিবারগুলোর সঙ্গে তামাশা করেছেন। রোববার বেলা একটার মধ্যে পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া না হলে তাঁদের অনশন চলবে। রোববার বেলা একটায় তাঁরা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আলমগীর বলেন, ‘সামনে সমাবর্তন। এ ধরনের পরিস্থিতি কাম্য নয়। এত টাকা দেওয়ার ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেই। আমি সিন্ডিকেটের সবাইকে নিয়ে করণীয় নিয়ে বৈঠক করেছি। সভায় দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বাড়ির মালিক ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিটি পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা জরুরি সহায়তা প্রদান, প্রতিটি পরিবার থেকে একজন সদস্যকে শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।

উপাচার্য বলেন, ‘ভবিষ্যতে যাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টে (ইন্টার্নশিপ) পাঠানো হবে, তাদের ইনস্যুরেন্সের আওতায় আনার বিষয়েও সিন্ডিকেট সভায় আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয়ে ছাত্রদের বুঝিয়ে বলা হয়েছে। তারা আমাদের কথা শুনছে না। কিন্তু এর বেশি কিছু করার ক্ষমতাও আমার নেই। ছাত্রদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে।’

গত ২৪ মার্চ ময়মনসিংহের ভালুকায় গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী। ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ওই চার শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবনের চূড়ান্ত পর্বে এক মাসের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের (ইন্টার্নশিপ) জন্য ময়মনসিংহে গিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় তৌহিদুল ইসলাম নামের এক ছাত্র ঘটনাস্থলে নিহত হন। গুরুতর দগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শাহীন মিয়া, হাফিজুর রহমান ও দীপ্ত সরকার।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details