1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman

কোনো সভ্য দেশ এভাবে চলতে পারে না : খায়রুল হক

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৮
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক
Check for details
নিজস্ব প্রতিবেদক: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক আইন পরিবর্তন প্রয়োজন উল্লেখ করে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক বলেছেন, ‘দুর্ঘটনা কি পরিমাণে বেড়েছে! কারও হাত চলে যাচ্ছে, পা চলে যাচ্ছে, মাথা চলে যাচ্ছে। এভাবে কোনো সভ্য দেশ চলতে পারে না।’ সোমবার ৩০ এপ্রিল দুপুরে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির খাসকামরায় এই বৈঠক হয়। বৈঠকে ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধ, সালিশ আইন, ট্রাফিক আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আইন কমিশনের সদস্য বিচারপতি এটিএম ফজলে কবির।   বৈঠক শেষে কি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে খায়রুল হক বলেন, ‘ট্রাফিক আইন’ নিয়ে আলোচনা করেছি। ট্রাফিক আইন’ পরিবর্তন প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। দেশের লোক যদি মনে ট্রাফিক আইন পরিবর্তন হওয়া দরকার, পরিবর্তন হবে। আর যদি দেশের লোক মনে করে পরিবর্তন হওয়ার প্রয়োজন নেই তাহলে হবে না। মানুষ মরতে থাকবেই, মরুক।’ কেন ইন পরিবর্তন দরকার এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আজকেই দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে আমার একটি সাক্ষাৎকার বেরিয়েছে। তাতে অনেক কিছু ব্যখ্যা করেছি। যেখানে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া যদি কেউ গাড়ী চালায় তার সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ৫০০ টাকা। কার্যক্ষেত্রে অনেক সময় দেখছি তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড বা ৪০০ টাকা জরিমানা। লাইসেন্স ছাড়া চালিয়ে যদি এইটুকু শাস্তি হয় তাহলে ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার গরজ তেমন কেউ বোধ করবে না।’

বিচারপতি খায়রুল হক আরও বলেন, ‘ইদানিং তো আর একটা নতুন প্রবণতা দেখছি, এক গাড়ী আরেক গাড়ীর ওপর উঠিয়ে দিচ্ছে। যেটা আজকাল আসা যাওয়ার সময় দেখি। সড়ক দূর্ঘটনা কিভাবে বাড়ছে। মানুষের পা চলে যাচ্ছে হাত চলে যাচ্ছে। মাথা চলে যাচ্ছে। এভাবে তো কোনো সভ্য দেশ চলতে পারে না। এই জন্যই দরকার আইনের পরিবর্তন।’ তিনি আরও বলেন, ‘শাস্তি বাড়িয়ে কেবল হবে না, এটার (আইনের) কার্যকর করাও প্রয়োজন। আমাদের মনোবৃত্তি মনোভাব এটাও পরিবর্তন করা প্রয়োজন। গাড়ীর যে মালিক তার ছেলেও কাল মারা যেতে পারে। যে বিচারক ৪০০ টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দিচ্ছেন তার ছেলেও কাল মারা যেতে পারে। আইনের পরিবর্তন বড় প্রয়োজন বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। ’

আর কি কি বিষয়য়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে সাবেক এই প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেক আর্বিট্রেশন (শালিস) সিঙ্গাপুরে চলে যায়। আমাদের দেশের আর্বিট্রেশন কোর্ট গুলো আরও দক্ষ করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট অথরিটির আইন পরিবর্তন করার জন্য অলরেডি ফিল্ড ওয়ার্কিং শুরু করে দিয়েছি। আর্বিট্রেশন অ্যাক্ট (শালিস আইন) কিভাবে আরও কার্যকর করা সম্ভব, যাতে অল্প সময়ের মধ্যে কম খরচে আর্বিট্রেশন হতে পারে, সে ব্যাপারে আলোচনা করেছি।’ তিনি বলেন, ‘দেশে যত ইনভেস্টমেন্ট বাড়বে তত কমার্শিয়াল ডিসপিউট (ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধ) বাড়বে। ডিসপিউট বাড়লে হয় কোর্টে যাবে নয় আর্বিট্রেশনে যাবে। আমাদের দেশের কোর্ট গুলো সিআরপিসির আন্ডারে। এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে গেলে অনেক সময় লাগে। তার কারণে ইনভেস্টমেন্ট শাইআউট (বিনিয়োগ দৃশ্যমান) হচ্ছে না।’ কমার্শিয়াল কোর্ট কিভাবে যুগপোযোগী করা যায়, নতুন কোর্ট করার প্রয়োজন আছে কিনা, এ ব্যাপারে আলাপ আলোচনা করেছি। কারণ চিফ জাস্টিসের মতামত গুরুত্ব বহন করে বলেও জানান খায়রুল হক।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details