1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব

কোটচাঁদপুর প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
Check for details

মো: নজরুল ইসলাম,কোটচাঁদপুর(ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে বেপরোয়া দুর্নীতি ও অবৈধভাবে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই অভিযোগ পাওয়া গেছে মহেশপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুবু রহমানের বিরুদ্ধে।

নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানাযায়, কোটচাঁদপুর উপজেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি বিভিন্ন পন্থায় অবৈধভাবে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ধান্ধায় ব্যস্ত রয়েছেন। এরই মধ্যে ছাত্র- ছাত্রীদের জন্য সরকারি ভাবে বিনামুল্যে প্রদানের জন্য ’ওয়ান ডে ওয়ান ওয়ার্ড’নামের নোট বই সরবরাহ করা হয়। এ নোটবুকের উপর স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে- অর্থায়নে স্লিপ পিডি ইপি-৪ অর্থ বছর ২০১৮-১৯, অথচ উপজেলা শিক্ষা অফিসার আতিকুর রহমানের নির্দেশে এসব নোট বুক বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করার সময় প্রত্যেকটি নোটবুক ২৫ টাকা করে নেয়া হয়েছে। ২৫ টাকা করে গ্রহন করে এরই মধ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে সাড়ে তিন লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। আর এ টাকা প্রত্যেক স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের কাছে জমা নিয়েছেন সহকারি শিক্ষা অফিসার মাজেদুর রহমান, কোমলবাবু ও বলরামবাবু।

দেখা যায়, এ উপজেলায় ৭৪ টি স্কুলের ১৪ হাজার ছাত্র- ছাত্রীর কাছে সাড়ে তিন লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলার বড়বামন্দহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল জোর্য়াদ্দারের কাছে নোটবুক দিয়ে টাকা নেয়ার কারন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষা অফিসার ( টি ও স্যার) আমাদের এ নোটবুক সরবরাহের সময় নির্দেশ দিয়েছেন প্রত্যেকটি ২৫ টাকা করে নিতে। সে নির্দেশ অনুযায়ি আমরা সব স্কুলই এর মধ্যে টাকা আদায় করে শিক্ষা অফিসে এটি ও সাহেবদের কাছে সব টাকা জমা দিয়েছি। টি ও স্যার না বললে আমাদের টাকা নেয়ার ক্ষমতা হয় ?

আমরা এরই মধ্যে বলতে গেলে সব স্কুলই টাকা জমা দিয়েছি। একই ভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে নোটবুক এর টাকা নেয়া এবং সেই টাকা জমা দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন উপজেলার শেরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান। বলেছেন আমার স্কুলের ১০২ জন ছাত্র-ছাত্রীর নোটবুকের জন্য আমি ২৫৫০ টাকা জমা দিয়ে এসেছি এটিও কোমল বাবুর কাছে। নওদা গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়াছেদুল আলম বলেন, আমরা টিও স্যারের (আতিকুর রহমানের) নির্দেশ অনুযায়ি এ টাকা এরই মধ্যে জমা দিয়ে এসেছি। এ নিয়ে লুকোচুরির কি আছে। টাকা নিয়ে জমা দেয়ার কথা স্বীকার করে বারমাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা বেগম, দুধসরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রেশমা আক্তার, কাগমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইবাদৎ হোসেনসহ উপজেলার সব বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নির্দ্বিধায় তাদের বক্তব্য জানিয়েছেন। তবে তাদের কেউ কেউ বলেছেন, বিষয়টি জেলা শিক্ষা অফিসার অস্বিকার করলে ও তারই নির্দেশে শিক্ষা অফিসার আতিকুর রহমান এ টাকা আদায় করেছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাজেদুর রহমানের কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি টাকা নেয়ার কথা নিঃদ্ধিধায় স্বীকার করে বলেন, কে কয়টাকা করে নিয়েছে তা আমার জানার দরকার নেই, আমরা ২৫ টাকা করে টাকা জমা নিয়েছি। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তা ছাড়া এরই মধ্যে কোটচাঁদপুরের উপজেলার বিভিন্ন স্কুলে কর্মরত শিক্ষকদের তিনি বদলীর ব্যাপারে পছন্দের স্কুলে বদলীর জন্য আবার কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পুর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে এসব শিক্ষকতার কোন অন্যায় ও অনিয়মের ব্যাপারে সমালোচনা করলে তিনি তাকে নানা অজুহাতে নাজেহাল করে ছাড়ছেন। এর আগে ও তিনি বিভিন্ন সরকারি স্কুলে সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য বরাদ্দের টাকার পার্সেন্টেজ নিয়েছেন বলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে এর আগের পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তিনি কোন অদৃশ্য শক্তির জোরে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। তিনি নাকি অফিসে আসেন তার ইচ্ছেমত বেলা ১২টার দিকে এবং অনেক রাত পযর্ন্ত বিভিন্ন কৌশলে রহস্যজনক হিসেব নিকেশ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।

নোটবুক ছাত্র ছাত্রীদের দিয়ে টাকা নেয়ার ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ আক্তারুজ্জামানের কাছে মোবাইলে বিষয়টি নিয়ে কথা বললে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ নোট বুকের টাকা নেয়া সম্পুর্ণ নীতিমালা বিরোধী।

তিনি বলেন, উক্ত নোট বুকের গায়ে স্পষ্ট লেখা আছে অর্থায়নে স্লিপ পিইডিপি-৪। যা বিনা মুল্যে বিতরন করতে হবে। টাকা কেন নেবে ? কেউ বা কোন স্কুল এ নোট বুকের টাকা নিয়ে থাকলে নীতিমালা লংঘন করেছে। আপনারা অভিযোগ তুলে ধরেন। আমরা অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details