1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব

কোটচাঁদপুরে জাল নিবন্ধন সনদে চাকুরি করেছেন এক শিক্ষক!

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২০ জুন, ২০১৮
Check for details

কোটচাঁদপুর উপজেলা প্রতিনিধি, ঝিনাইদহ: মৃত শিক্ষকের নিবন্ধন ব্যবহার করে কোটচাঁদপুর উপজেলার বহরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘ ৪ বছর চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। চাকরিরত ঐ শিক্ষকের নাম মাহাফুজা খানম রিক্তা। তিনি এক সময় কোটচাঁদপুর পৌরসভার সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলার ছিলেন। সাবেক এ জনপ্রতিনিধি চাকরিতে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়ায় বিষ্ময় প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী। বিষয়টি বিভাগীয় পর্যায়ে বিতর্কের সৃষ্টি হলে গত ২০ জুন ঝিনাইদহ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোকছেদুল ইসলাম, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরর জন্য বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নির্দেশ দেন। যার পত্র নং ৩৭.০২.৪৭০০.০০০.০৭.০১৮ নং ৯৩৮/৩। মাহাফুজা খানম চাকরি দেওয়ার সময় নিবন্ধন পরীক্ষারর রোল নং ৩২০১০৫২১ রেজিঃ নং-৯০০৬৬৬২/২০০৯ ব্যবহার করেছেন।উক্ত রোল রেজিঃ নং ও সার্টিফিকেট ব্যবহার বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অপরদিকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পাঠানো চিঠিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিলেও অজ্ঞাত কারণে সংশ্লিষ্টরা এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেননি। বহরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়েরর প্রধান শিক্ষক নুর ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, যে সে সময় বিধি মোতাবেক তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর ব্যবহৃত নিবন্ধন নিয়ে বিতর্ক ওঠার কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বেতনের জন্য কোন কাগজপত্র পাঠানো হয় নাই। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রতন মিয়া জানান, বিষয়টি এ অবস্থায় পড়ে আছে। কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তবে নিবন্ধন ভুয়া হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details