1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : germanbangla24.com : germanbangla24.com
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল জামালপুরে নতুন কমিটি গঠন জেলহাজতে শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “আঁখি হালদার” আয়েবপিসি’র কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”শিরীন আলম” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “ফারহা নাজিয়া সামি” বাংলাদেশে হরতাল প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেনঃ উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয় হবে। জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “মিনহাজ দীপন“ সাকিব আল হাসানের বক্তব্যে কঠোর বিসিবি জার্মানবাংলা’র “প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি “কাইয়ুম চৌধুরী”

কোটচাঁদপুরের দাস সম্প্রদায়ের গণকবর সংরক্ষণ দাবি

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
Check for details

মো: নজরুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর, (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামে দাস সম্প্রদায়রা বসবাস করছে সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই। বর্তমানে ১৪টি পরিবার বসবাস করেন। ১৯৭১ সালের ১৪ মে পাকিস্তানী হানাদাররা হামলা চালায় দাসপাড়ায়। একসঙ্গে চারজনকে গুলি করে হত্যা করে ।

নিজের চোখে দেখা দাসপাড়ার ভদু দাসের পুত্র রাজন দাস জানালেন, যে গর্তে চারজনের লাশ ফেলে রাখা হয়েছিল সেটি এখন ভরাট হয়ে গেছে। সেখানে নেপিয়ার ঘাসের চাষ হচ্ছে। কলাগাছও রয়েছে বেশ কয়েকটি। জমির প্রকৃত মালিক হতদরিদ্র গোপাল দাস ফুলবাড়ি গ্রামের আব্দুল হক নামের এক ব্যক্তি কাছে জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। যার কারণে গণকবরের কোনো চিহ্ন আজ আর নেই। তারা এই স্থানটি চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রবিউল ইসলাম আরো জানান, দাসপাড়ায় ১৯৭১ সালে বসতি ছিল ১০ পরিবারের। দরিদ্র পরিবারগুলোর সদস্যদের মধ্যে ২ থেকে ৩ জন ছিলেন প্রতিবাদি। এই খবর শত্রু দের মাধ্যমে চলে যায় পাকিস্তানী বাহিনীর কাছে। তারা পড়ে থাকা লাশগুলো তাদের দোসররা একটি গর্তে ফেলে মাটি চাপা দেন।

তিনি আরও জানান, পাকিস্তানী বাহিনী তাকে ডেকে মুসলিম শুনে ছেড়ে দেন। তারা একে একে গুলি করে হত্যা করে ভাদু দাস, অন্ন দাস, অঙ্গ দাস ও কিরণ দাসকে। কিরণ দাস পরের ক্ষেতের কামলা ছিলেন, বাকিরা চাটাই তৈরীর কাজ করতেন। তিনি বলেন, এই স্থানে একটি স্মৃতিস্তম্ব থাকলে পরবর্তী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারতো, জানতে পারতো হানাদারদের হাতে এভাবে কত মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার তাজুল ইসলাম বলেন, এই স্থানটি আজো তাদের অজানা। তারা কোটচাঁদপুর উপজেলায় যেগুলো গণকবর রয়েছে সেগুলোর একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। যার মধ্যে এই স্থানটি দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি বলেন, দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে এই স্থানটির বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details